Academy

নাজমুল সাহেব সৌদি আরবের প্রবাসী জীবন অতিবাহিত করে সদ্য দেশে ফিরেছেন। সৌদি আরবের মতো এদেশে এত তাপদাহ নেই। এ বিষয়ে তার কলেজ পড়ুয়া ছেলে সাজিদের কাছে জানতে চাইলে বলেন, এর মূল কারণ বায়ুপ্রবাহ। আর বায়ুর চাপের পার্থক্যই বায়ুপ্রবাহের কারণ। এতে নাজমুল সাহেব অনুধাবন করলেন পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন প্রকার বায়ু প্রবাহিত হয়।

সাজিদের দৃষ্টিতে বায়ুপ্রবাহের কারণগুলো উপস্থাপন কর। (প্রয়োগ)

Created: 3 months ago | Updated: 3 months ago
Updated: 3 months ago
Ans :

সাজিদের দৃষ্টিতে বায়ুর তাপ ও বায়ুচাপের পার্থক্যই বায়ুপ্রবাহের প্রধান কারণ।

সাজিদের দৃষ্টিতে বায়ুর তাপ ও বায়ুচাপের পার্থক্যই বায়ুপ্রবাহের প্রধান কারণ।
বায়ু সর্বদা উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়।
উদ্দীপকের তালেবের দৃষ্টিতে বায়ুপ্রবাহের কারণগুলো নিচে উপস্থাপন করা হলো-
কোনো স্থানের উষ্ণতা বেশি হলে বায়ুপ্রবাহ হয়। কোনো স্থানের বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকলে বায়ুপ্রবাহ দেখা দেয়। কোনো কারণে বায়ু প্রসারিত হলে তার চাপ কমে যায়। তখন, ঐ স্থানে নিম্নচাপ কেন্দ্রের সৃষ্টি হয়। ভূপৃষ্ঠে বায়ুচাপের সমতা রক্ষার্থে তখন আশপাশের উচ্চচাপ অঞ্চল হতে ঐ নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে বায়ু প্রবাহিত হতে থাকে। এরূপে বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয়।
তাই বলা যায়, বায়ুর চাপ ও উষ্ণতার তারতম্যই বায়ুপ্রবাহের প্রধান কারণ।

3 months ago

জলবায়ুর উপাদান ও নিয়ামক

**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View More

1 বায়ুপ্রবাহ কাকে বলে? (জ্ঞানমূলক)

Created: 3 months ago | Updated: 3 months ago
Updated: 3 months ago

বায়ুর অনুভূমিক গতিকে বায়ুপ্রবাহ বলে।

2 ফেরেলের সূত্র বুঝিয়ে লেখ। (অনুধাবন)

Created: 3 months ago | Updated: 3 months ago
Updated: 3 months ago

সমুদ্রস্রোত এবং বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়। এ বেঁকে যাওয়াই ফেরেলের সূত্র নামে পরিচিত।
ফেরেলের সূত্র দ্বারা প্রমাণ করে যে, আহ্নিক গতিতে পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তন করছে। এ সূত্র অনুসারে অয়ন বায়ু উত্তর গোলার্ধে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হয়ে থাকে। নিরক্ষরেখা অতিক্রম করলে ফেরেলের সূত্র অনুসারে দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ুর গতি বেঁকে দক্ষিণ-পশ্চিম থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়। অর্থাৎ দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়।

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রবাহ-২ এ স্থানীয় বায়ুর কথা বলা হয়েছে।
পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় ও বিবিধ ভৌগোলিক কারণে এক ধরনের বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয়, একে স্থানীয় বায়ু বলে। উত্তর আমেরিকার রকি পর্বতের পূর্বপার্শ্বের উষ্ণ ও শুষ্ক প্রবাহিত চিনুক বায়ু; পার্বত্য অঞ্চলের শীতল বায়ু পাহাড়ের উপত্যকার মধ্য দিয়ে সমভূমির দিকে প্রবাহিত ফন বায়ু; ফ্রান্সের রোন নদীর উপত্যকা দিয়ে শীতকালে দক্ষিণে সমভূমি ও দ্বীপ এলাকার দিকে প্রবাহিত মিস্টাল বায়ু; ভূমধ্যসাগরের ওপর দিয়ে যে নিম্নচাপ পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে অগ্রসর হয় তার পুরাভাগের সিরক্কো বায়ু এবং মিসরের দক্ষিণ দিক হতে মিশরে প্রবাহিত খামসিন বায়ু প্রভৃতি স্থানীয় বায়ু।
প্রত্যেকটি বায়ু স্থানীয় ও বিবিধ ভৌগোলিক কারণ দ্বারা প্রভাবিত হয়। তেমনি উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রবাহ-২ স্থানীয় বায়ুর বৈশিষ্ট্য দ্বারা প্রভাবিত। সুতরাং উল্লিখিত প্রবাহ-২ স্থানীয় বায়ু।

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রবাহ-১ দ্বারা নিয়ত বায়ুকে নির্দেশ করে।
যেসব বায়ু পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো নিয়ন্ত্রিত হয়ে বছরের সবসময় একই দিকে নিয়মিতভাবে প্রবাহিত হয় তাদের নিয়ত বায়ু বলে। ভূপৃষ্ঠের চাপবলয়গুলোর অবস্থান লক্ষ্য করলে বায়ুপ্রবাহের দিক সহজেই জানা যায়। বায়ুপ্রবাহ উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হওয়ার সময়, উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়।  নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয় হতে উষ্ণ ও হালকা বায়ু উপরে ওঠে গেলে কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় হতে অয়ন নিয়ত বায়ু শীতল ও ভারী বায়ু নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়। অন্যদিকে, কর্কটীয় ও মকরীয় বলয় হতে আরও দুটি বায়ুপ্রবাহ সুমেরুবৃত্ত ও কুমেরুবৃত্ত নিম্নচাপ বলয়ের দিকে পশ্চিমা নিয়ত বায়ু প্রবাহিত হয়। আবার, মেরু অঞ্চলের উচ্চচাপ বলয় হতে অতি শীতল ও ভারী বায়ু উত্তর গোলার্ধে নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়। এ বায়ু উত্তর গোলার্ধে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হয়।

5 জলবায়ু কী? (জ্ঞানমূলক)

Created: 3 months ago | Updated: 3 months ago
Updated: 3 months ago

কোনো একটি অঞ্চলের সাধারণত ৩০ – ৪০ বছরের আবহাওয়ার অবস্থাকে জলবায়ু বলে।

বায়ুর উষ্ণ ও শীতল অবস্থাকে বায়ুর তাপমাত্রা বলে।
তাপমাত্রার পরিমাপের উপর কোনো স্থানের জলবায়ু বহুলাংশে নির্ভরশীল। তাপমাত্রা বেশি হলে অঞ্চলটিতে উষ্ণ জলবায়ু বিরাজ করে। আবার তাপমাত্রা খুব কম বা মধ্যম হলে অঞ্চলটিতে যথাক্রমে মেরুদেশীয় অথবা নাতিশীতোষ্ণ বায়ুর সৃষ্টি হয়। এজন্য তাপমাত্রা জলবায়ুর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।হসেবে বিবেচিত।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...