যে বয়সে সুমন চঞ্চল জীবনযাপন করার কথা সে বয়সে সে অনেক শৃঙ্খলিত, সমাজ বা রাষ্ট্রের অবাধ্য বা বিরোধী কোনো কাজও সে করে না, শুধু সুমন নয় ঐ এলাকার অনেক যুবকই একই ধরনের কোনোরূপ রাষ্ট্রবিরোধী কাজে জড়িত নয়। তারা সভাই শান্তির ভয় পায়। আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল তবে ঐ এলাকার শাসক ও ন্যায়নীতির ভিত্তিতে শাসন করছে অঞ্চলটাকে। শাসকবর্গ সকলকে আইনের দৃষ্টি সমান মনে করে।
সুমন এবং তার বন্ধুরা আইন মান্য করার কারণ হলো আইনের প্রতি শ্রদ্ধা এবং শাস্তির ভয়। তারপরও তারা ইচ্ছা করলে আইন অমান্য করতে পারত। শাস্তি পাওয়া তো পরের কথা তারা তা করে নি, এর অন্যতম কারণ হলো সহানুভূতি ও উপযোগিতা উপলব্ধি। 'নিচে আইন মান্য করার বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করা হলো। লর্ড ব্রাইস আইন মান্য করার পাঁচটি কারণের কথা বলেছেন-
১. নির্লিপ্ত: নির্লিপ্ততার অর্থ হলো রাষ্ট্রীয় কাজে অংশগ্রহণে নিষ্ক্রিয়তা প্রদর্শন।
২. শ্রদ্ধা : রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ এবং জননেতাদের প্রতি সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধাবোধ থাকে। তাই তাদের প্রণীত আইনে শ্রদ্ধাশীল
হয়ে সাধারণ জনগণ মান্য করে।
৩. সহানুভূতি: সাধারণ মানুষের আচার-আচরণের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে একে অপরকে অনুসরণ করে আইন মান্য করে।
৪
শাস্তির ভয়: মানুষ জানে আইন ভঙ্গ করলে রাষ্ট্রকর্তৃক শাস্তি পেতে হয়। এ ভয়ে মানুষ আইন মান্য করে।
৫. উপযোগিতার উপলব্ধি: মানুষ উপলব্ধি করতে পারে আইনের
উপযোগিতা আছে। আইন আছে বলে সমাজে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রয়েছে এবং মানবকল্যাণ সাধিত হচ্ছে। আইনের এরূপ উপযোগিতার উপলব্ধি থেকে মানুষ আইন মান্য করে।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?