মি. কুকসনের দেশে নির্বাচনের নামে ব্যালট পেপার ও ব্যালট বাক্স ছিনতাই হয়। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার বদলে এখানে অস্থিরতা, ধর্মঘট, সংঘর্ষ লেগে আছে। অন্যদিকে মি. আজহানের দেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হয়। পরাজিত প্রার্থী সাথে সাথেই নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়ে বিজয়ী প্রার্থীকে অভিনন্দন জানান।
রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে জনমতের প্রভাব অপরিসীম। জনমতের ওপরই একটি দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি অনেকাংশে নির্ভর করে।
জনমতের ওপরই একটি সুন্দর সুশৃঙ্খল, মূল্যবোধসম্পন্ন ও অনুকরণীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে ওঠে। জনমত যদি চায় তবে যেকোনো দেশ হরতাল, ধর্মঘট, সহিংসতা, অবিশ্বাসের অপসংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ফিরে আসতে পারে। আবার জনমত যদি গঠনমূলক, সুস্থ, যুক্তিভিত্তিক ও সচেতন না হয় তবে যেকোনো দেশের পক্ষে সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পৌঁছানো সম্ভব নয়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ১৯৯০ সালে গঠিত জনমতের ভিত্তিতে বাংলাদেশে 'ব্যালট বাক্স ছিনতাই, ব্যালট পেপার ছিনতাই, জোর করে ভোট কাটার অপসংস্কৃতি রোহিত হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনের সংস্কৃতি চালু করতে সক্ষম হয়েছে।
জনমতের ভিত্তিতেই ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু হয়েছিল যা আজ আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশবিশেষ। জনমত ও রাজনৈতিক সংস্কৃতির সম্পর্ক অতি ঘনিষ্ঠ।
একটি অপরটির পরিপূরক। জনমত যত উন্নত হবে রাজনৈতিক সংস্কৃতি তত উন্নত হবে।
রাজনৈতিক সংস্কৃতির মান উন্নত করতে হলে জনমত সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করা আবশ্যক। সুস্থ, সুসংগঠিত ও শক্তিশালী জনমত ব্যতীত প্রত্যাশিত রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে ওঠা সম্ভব নয়।
তাই বলা যায়, সুস্থ ও উন্নত রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠায় জনমতের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?