A – মাছ, মাংস, ডিম, দুধ
B- চাল, গম, আলু, চিনি
C-শাক-সবজি, ফলমূল, হলুদ ফল
উদ্দীপকের A অর্থাৎ মাছ, মাংস, ডিম, দুধ হলো প্রোটিন জাতীয় খাদ্য। অন্যদিকে B অর্থাৎ চাল, গম, আলু, চিনি হলো শর্করা জাতীয় খাদ্য। সুস্বাস্থ্য রক্ষায় এ খাদ্যগুলোর ভূমিকা নিচে বর্ণনা করা হলো- A অর্থাৎ প্রোটিন জাতীয় খাদ্য দেহে বৃদ্ধির জন্য কোষ গঠন করে। যেমন- দেহের পেশি, হাড় বা অস্থি, রক্তকণিকা ইত্যাদি প্রোটিন দ্বারা গঠিত। এছাড়াও প্রোটিন দেহে শক্তি উৎপন্ন করে এবং দেহে রোগ প্রতিরোধকারী এন্টিবডি তৈরি করে। অন্যদিকে B অর্থাৎ শর্করা দেহের কাজ করার শক্তি জোগায় ও তাপ উৎপন্ন করে। শর্করায় বিদ্যমান সেলুলোজ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। দেহের সুস্বাস্থ্য রক্ষায় প্রোটিন ও শর্করার এ ভূমিকাগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ প্রোটিন ও শর্করা সুস্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
আমরা পৃথিবীতে বিভিন্ন প্রকার খাদ্যবস্তু দেখতে পাই। এই খাদ্য বস্তুগুলোকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-অজৈব ও জৈববস্তু। শর্করা, প্রোটিন, চর্বি বা স্নেহ ইত্যাদি আমরা জীব থেকে পাই। এগুলো জৈববস্তু। এ বস্তুগুলো আমরা খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করি। খাদ্য ও পুষ্টির সাথে নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। পুষ্টি হচ্ছে প্রতিদিনের একটি প্রক্রিয়া, যা জটিল খাদ্যকে ভেঙে সরল উপাদানে পরিণত হয়ে দেহের গ্রহণ উপযোগী হয়। এ অধ্যায়ে আমরা খাদ্য ও পুষ্টি সম্পর্কে বিশদ জানতে পারব।

এই অধ্যায় শেষে আমরা
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?