জনাব সজিব একজন ব্যবসায়ী। তিনি ২/১৫, N-৪৫ এই শর্তে ব্যবসায় ঋণ অথবা ১২০ দিন মেয়াদি বাণিজ্যিক কাগজ এর মাধ্যমে ঋণ নিতে পারেন। প্রতিটি বাণিজ্যিক কাগজের লিখিত মূল্য ১০০ টাকা এবং বিক্রয়মূল্য ৯৫ টাকা।
চলতি সম্পদ ব্যবস্থাপনা বলতে প্রতিষ্ঠানের নগদ, মজুদপণ্য ও প্রাপ্য বিল ব্যবস্থাপনাকে বোঝায়।
প্রতিষ্ঠানের চলতি ব্যয়; যেমন- কাঁচামাল ক্রয়, কর্মচারীদের বেতন, বিদ্যুৎ বিল ইত্যাদি পরিশোধের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ নগদ অর্থ হাতে রাখা প্রয়োজন। বাকিতে বিক্রয়ের ফলে সৃষ্ট প্রাপ্য বিল দ্রুত আদায় হচ্ছে কিনা সেটা যেমন লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন তেমনি মজুদপণ্যের ঘাটতির কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে কিনা সেটাও লক্ষ্য রাখা দরকার। আবার প্রয়োজনের অতিরিক্ত মজুদপণ্য রাখলে অধিক পরিমাণ নগদ অর্থ মজুদপণ্যে বা চলতি সম্পদে আটকে থাকে। ফলে মুনাফা অর্জন ক্ষমতা হ্রাস পায়। এ সকল কারণে চলতি সম্পদ ব্যবস্থাপনা করা হয়।
P লি.-এর কাম্য নগদের পরিমাণ নির্ণয় : এখানে, প্রতিবার নগদে রূপান্তর ব্যয় (b) = ১৫০ টাকা মোট নগদ বহিঃপ্রবাহের পরিমাণ (t) = ৪, ৮o, ooo টাকা প্রয়োজনীয় আয়ের হার (i) = ১২% বা, ০.১২ আমরা জানি, কাম্য নগদের পরিমাণ
লক্ষণীয় যে, Q লি.-এর ন্যূনতম পরিচালন নগদের পরিমাণ ৫০,০০০ টাকা এবং নগদ আবর্তন ৬ বার। এক্ষেত্রে ন্যূনতম নগদ ৬০,০০০ টাকা স্থির করা হলে নগদ আবর্তন হ্রাস পাবে। কারণ নগদ আবর্তন ও ন্যূনতম পরিচালন নগদের মধ্যে বিপরীত সম্পর্ক বিদ্যমান।
বাণিজ্যিক কাগজ হলো স্বল্পমেয়াদি জামানতবিহীন অঙ্গীকারপত্র যা মুদ্রাবাজারে বিক্রি করে বৃহৎ নামকরা প্রতিষ্ঠান স্বল্পমেয়াদি অর্থায়ন করে থাকে। এছাড়াও বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণের ব্যয়ের তুলনায় বাণিজ্যিক কাগজের ব্যয় কম হওয়ায় বৃহৎ প্রতিষ্ঠান বাণিজ্যিক কাগজ ব্যবহার করে।