পারদর্শিতার মানদন্ড
- স্বাস্থ্যবিধি মেনে সুরক্ষা পোশাক পরিধান করা
- কাজের উপযুক্ত স্থান ও পরিবেশ তৈরি করা
- কাজের জন্য উপযুক্ত উপকরণ নির্বাচন ও সংগ্রহ করা
- উপযুক্ত আকারের পলদা চিংড়ি সংগ্রহ করা
- যথাযথ ভাবে গলদা চিংড়ির বাহ্যিক অংগসমূহ শনাক্ত করা
- কাজ শেষে নিয়ম অনুযায়ী জায়গা পরিষ্কার করা
- কাজ শেষে ব্যবহৃত উপকরণসমূহ যথাযথভাবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা
- অব্যবহৃত মালামাল উপযুক্ত স্থানে সংরক্ষণ করা
- কাজ শেষে সুরক্ষা পোশাক ও উপকরণসমূহ চেকলিষ্ট অনুযায়ী জমা দেওয়া
(ক) ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম
| ক্রম | নাম | স্পেসিফিকেশন | সংখ্যা |
|---|---|---|---|
| ০১ | মাস্ক | তিন স্তর বিশিষ্ট | ১টি |
| ০২ | গ্লাভস্ | মাপ মতো | ১ জোড়া |
| ০৩ | স্যানিটাইজার | মানসম্পন্ন | ১ বোতল |
| ০৪ | অ্যাপ্রন | শিক্ষার্থীর মাপ মতো | ১টি |
(খ) প্রয়োজনীয় উপকরণ
| ক্রম | নাম | স্পেসিফিকেশন | সংখ্যা |
|---|---|---|---|
| ০১ | ডিসেক্টিং বক্স | মাঝারি মানের | ১টি |
| ০২ | ওয়াক্স টে | মাঝারি আকারের | ১টি |
| ০৩ | স্পেসিমেন জার | ৮-১২ ইঞ্চি আকারের | ১টি |
| ০৪ | গলদা চিংড়ি | ৭-১০ গ্রাম ওজনের | ১টি |
| ০৫ | টিস্যু পেপার | সাধারণ মানের | ১টি |
| ০৬ | ইথানল/ফরমালিন | ল্যাবরেটরি গ্রেড | ১ লিটার |
| ০৭ | সাবান/হ্যান্ড ওয়াশ | দেশি | ১টি |
(গ) কাজের ধারা
১. নিকটস্থ বাজার, পুকুর বা চিংড়ি খামার থেকে মাঝারি/বড় আকারের তাজা চিংড়ি সংগ্রহ করো।
২. সংগৃহীত চিংড়ি পানি ভর্তি বালতিতে করে পরীক্ষাগারে নিয়ে এসো।
৩. নমুনা চিংড়ি সংগ্রহের বিস্তারিত তথ্য যেমন- চাষির নাম, পুকুরের অবস্থান, আয়তন, পানি ও নমুনা সংগ্রহের তারিখ লিপিবন্ধ করো।
৪. পরীক্ষাগারে এসে এবার চিংড়ি বালতি থেকে তুলে ট্রেতে রাখো। তারপর ফরসেপ দিয়ে চিংড়ির শরীরের বিভিন্ন অংশ যেমন- শিরোবক্ষ, উদর, বিভিন্ন উপাঙ্গ ইত্যাদি পরীক্ষা করে দেখো এবং ছবিতে চিহ্নিত অংশগুলোর সাথে মিলিয়ে দেখো।
৫. এবার ট্রেতে রক্ষিত চিংড়ির ছবি ব্যবহারিক খাতায় পেন্সিলের সাহায্যে আঁকো এবং বিভিন্ন অংশ চিহ্নিত করো।
৬. অনুশীলনকৃত কার্যপদ্ধতি চিত্রসহ ব্যবহারিক খাতায় লেখ।
সতর্কতা
- পচা গলদা চিংড়ি এ পদ্ধতিতে সঠিকভাবে কার্যকর নয়।
- মানসম্পন্ন ডিসেকটিং বক্স না থাকলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
আত্মপ্রতিফলন
গলদা চিংড়ির বাহ্যিক অঙ্গপ্রতঙ্গ পর্যবেক্ষণ নির্ণয় করার দক্ষতা অর্জিত হয়েছে/হয় নাই/আবার অনুশীলন করতে হবে।
Read more