লেখক পরিচিতি

নবম-দশম শ্রেণি (মাধ্যমিক) - বাংলা সাহিত্য - গদ্য | NCTB BOOK
2.7k
Summary

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, যাঁর আসল নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দোপাধ্যায়, ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কলকাতা সংস্কৃত কলেজের ছাত্র ছিলেন এবং সংস্কৃত ও ইংরেজি ভাষায় পাণ্ডিত্য অর্জন করেন। বিদ্যাসাগর বাংলার সাহিত্যিক গদ্যের জনক হিসেবে পরিচিত, সুশৃঙ্খল পদবিন্যাস এবং যথাযথ যতিচিহ্ন প্ৰয়োগের জন্য। ১৮৫৫ সালে তিনি শিশুপাঠ্য বই 'বর্ণপরিচয়' প্রকাশ করেন, যা ভাষা শিক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে 'বেতাল পঞ্চবিংশতি', 'ব্যাকরণ কৌমুদী', এবং 'শকুন্তলা'। তিনি ১৮৯১ সালের ২৯শে জুলাই মৃত্যুবরণ করেন।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে ২৬শে সেপ্টেম্বর ১৮২০ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর মূল নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দোপাধ্যায়। ‘বিদ্যাসাগর’ তাঁর উপাধি । তিনি ছিলেন কলকাতা সংস্কৃত কলেজের ছাত্র। তিনি প্রথমে সংস্কৃত ও পরে ইংরেজি ভাষায় পাণ্ডিত্য অর্জন করেন। দানশীলতার জন্য তিনি ‘দয়ার সাগর' নামেও পরিচিত। একাধারে পণ্ডিত, শিক্ষাবিদ, সমাজ-সংস্কারক ও খ্যাতনামা লেখক হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিলেন তিনি। সুশৃঙ্খল পদবিন্যাস, যথাযথভাবে যতিচিহ্ন প্ৰয়োগ এবং সাহিত্যিক গদ্য রচনার জন্য তাঁকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়ে থাকে। বাংলা বর্ণমালাকে নতুন বিন্যাসে সাজিয়ে ১৮৫৫ সালে বিদ্যাসাগর প্রকাশ করেন শিশুপাঠ্য বই বর্ণপরিচয়। ভাষা শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে এ বই আজও পথপ্রদর্শক বিবেচিত হয়। বেতাল পঞ্চবিংশতি, ব্যাকরণ কৌমুদী, শকুন্তলা, বিধবা বিবাহ প্রচলিত হওয়া উচিত কি না এতদ্বিষয়ক প্রস্তাব, সীতার বনবাস, ভ্রান্তিবিলাস প্রভৃতি তাঁর প্রধান গ্রন্থ। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮৯১ সালের ২৯শে জুলাই মৃত্যুবরণ করেন।

Content added || updated By
Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...