- বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত "আমার সোনার বাংলা" এর রচয়িতা ও সুরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ।
- ১৩১২ বঙ্গাব্দে 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকার আশ্বিন সংখ্যায় গানটি প্রথম প্রকাশিত হয়। এটি রবীন্দ্রনাথের 'গীতবিতান' গ্রন্থের স্বরবিতান অংশভুক্ত।
- বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের পরিপ্রক্ষিতে গানটি রচিত হয়েছিল।
- গানটিতে প্রধানত স্থান পেয়েছে বাংলার মনোরম প্রকৃতির কথা।
- গগণ হরকরার 'আমি কোথায় পাব তারে আমার মনের মানুষ যে রে” বাউল গানটির সুরের অনুষঙ্গে গানটি রচিত।
- চলচিত্রকার জহির রায়হান ১৯৭০ সালে তার বিখ্যাত "জীবন থেকে নেওয়া” সিনামাতে গানটির চিত্রায়ন করেন।
- পল্টন ময়দানে ঘোষিত স্বাধীনতার ইসতেহারে (১৯৭১ সালের ৩ মার্চ) জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ১৩ জানুয়ারি, ১৯৭২ মন্ত্রীসভার প্রথম বৈঠকে এ গানটির প্রথম দশ লাইন জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে নির্বাচিত হয়।
- সংবিধানের ৪ (১) অনুচ্ছেদে 'আমার সোনার বাংলা' গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত রূপে ঘোষিত হয়েছে।
- এটি মূলত ২৫ চরণ বিশিষ্ট একটি কবিতা। এ কবিতার প্রথম ১০ চরণ বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত।
- তবে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে প্রথম ৪ চরণ বাজানো হয়।
Content added By
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
বিধির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ
ট্রেনিং প্রতিষ্ঠান বলে করতেই পারে
অন্যায় করছে না
বিধির সঙ্গে যায় না
১৯৪০ খ্রিষ্টাব্দে আনন্দবাজার পত্রিকায়
১৩১২ খ্রিষ্টাব্দে বঙ্গদর্শন পত্রিকায়
রবীন্দ্রনাথের সোনার তরী বইতে ১৩৩৯ সালে
১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে ডেইলি টাইমসে
প্রথম ১০টি
প্রথম ৪টি
প্রথম ৬টি
প্রথম ৫টি
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
কাজী নজরুল ইসলাম
শামসুর রাহমান
আল মাহমুদ