যে-কোনো পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর লিখুন
তাকওয়া কাকে বলে? কুরআন ও হাদিসের আলোকে তাকওয়া অর্জনে রোজার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করুন।
তাকওয়া মানবজীবনের সর্বোত্তম গুণ। এর মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করা যায়। তাকওয়া বা আল্লাহভীতি মানুষকে যাবতীয় পাপ কাজ থেকে বিরত রাখে। ফলে মানব জীবন হয় পূত-পবিত্র, সুশৃঙ্খল, পরিমার্জিত এবং পরিশীলিত। তাকওয়ার মাধ্যমেই কোনো ব্যক্তি পরিপূর্ণ মুমিন হতে পারে। সুতরাং ইসলামী জীবন দর্শনে সবকিছুর নিয়ন্ত্রক তাকওয়া।
তাকওয়ার সংজ্ঞা: 'তাকওয়া' আরবি শব্দ। আভিধানিক অর্থ আল্লাহ ভীতি, পরহেযগারী, আত্মশুদ্ধি, বিরত থাকা ইত্যাদি।
ইসলামি শরীয়তের পরিভাষায়, আল্লাহর ভয়ে যাবতীয় অন্যায়- অনাচার, পাপাচার বর্জন করে কুরআন ও সুন্নাহর নির্দেশমতো জীবনযাপন করাকে তাকওয়া বলে।
আল্লাহকে ভয় করা মানে তাঁর নির্দেশ মেনে চলা। আল্লাহ আমাদের সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা। তিনি আমাদের ভালো-মন্দ বোঝার ও কাজ করার ক্ষমতা দান করেছেন। তিনি সবকিছু। দেখেন এবং জানেন। শেষ বিচারের দিন তার কাছে সব কাজের হিসাব দিতে হবে। মানবমনের এই অনুভূতিই তাকওয়া।
সাইয়েদ কুতুব শহীদের ভাষায়, ব্যক্তিগত বা সামষ্টিক কর্মকাণ্ডে ইসলামী শরিয়তে নিষিদ্ধ সব ধরনের কথাবার্তা, কাজকর্ম ও চিন্তাচেতনা থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামী আদর্শ মেনে চলাকে তাকওয়া বলে।
তাকওয়া অর্জনে রোজার গুরুত্ব: কুরআন ও হাদীসের আলোকে তাকওয়া অর্জনে রোজার গুরুত্ব নিম্নে আলোচনা করা হলো:
সমাজে তাকওয়ার পরিবেশ সৃষ্টি করে: রোজার মাধ্যমে মানুষ তাকওয়া বা পরহেজগারি হাসেল করতে সক্ষম হয় এবং রোজার মাসে প্রতিটি লোক গুনাহ ও পাপ কাজ থেকে বিরত থাকতে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করে। ফলে রোজার পূর্ণ এক মাস সমাজে বিরাজ করে তাকওয়ার পবিত্র পরিবেশ। কুরআন পাকে এরশাদ হয়েছে, “হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর ফরজ করা হয়েছিল, যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার।” মহানবী (স) বলেন, 'রমজান মাসে অপবিত্র শয়তানদেরকে শৃঙ্খলিত করা হয়।'
সংযমী হওয়ার শিক্ষা দেয়: রোজা মানুষকে সংযমী হতে শিক্ষা দেয়। কাম, ক্রোধ, লোভ-লালসা ইত্যাদি রিপুর তাড়নায় মানুষ বিপথগামী হয়। রোজা মানুষের এ সকল কুপ্রবৃত্তি দমন করে। এ কারণেই মহানবী (স) বলেন, 'রোজা ঢালস্বরূপ'।
রোজা মানুষকে পাপ-পঙ্কিলতা থেকে মুক্তি দেয়, কুপ্রবৃত্তিকে ধুয়ে মুছে আত্মাকে দহন করে, সকল গুনাহ ক্ষমা করে জান্নাতের পথ প্রশস্ত করে সমাজ জীবনে পরস্পরের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও সহানুভূতিশীলতা সৃষ্টি করে, ঐক্য ও সাম্য প্রতিষ্ঠার অনুপ্রেরণা যোগায়। সর্বোপরি একজন মুমিন মুসলমান রমজানের একটি মাসে সকল প্রকার ইবাদতের কঠোর অনুশীলনের মাধ্যমে যাবতীয় সৎগুণাবলি অর্জন করে বাকি এগারোটি মাসের জন্য নিজেকে উপযুক্ত হিসেবে গড়ে তোলে।
অনুবাদ করুন:
الم - ذلك الكتاب لا ريب فيه هدى للمتقين الذين يؤمنون بالغيب ويقيمون الصلوة ومما رزقتهم ينفقون والذين يؤمنون بما انزل اليك وما انزل من قبلك وبالأخرة هم يوقنون
الم এর মর্মার্থ বর্ণনা করুন।
মুত্তাকী কারা? অত্র আয়াতে هدى للمتقين অন্য আয়াতে هدى للناس বলা হয়েছে। এর কারণ কী?
অনুবাদ করুন:
عن ابن عمر - رضي الله تعالى عنهما -: أن رسول الله ﷺ قال: أُمرتُ أن أُقاتل الناسَ حتى يشهدوا أن لا إله إلا الله وأنَّ محمدًا رسول الله، ويُقيموا الصلاة، ويُؤتوا الزكاة، فإذا فعلوا ذلك عصموا مني دماءهم وأموالهم إلا بحقِّ الإسلام، وحسابهم على الله تعالى.
الا بحق الاسلام দ্বারা কী বুঝানো হয়েছে?
মিশকাতুল মাসাবীহ গ্রন্থের বৈশিষ্ট্য আলোচনা করুন।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?