দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপান বার্মা দখল করলে এসময় বার্মিজ জাতীয়তাবাদী ও জাপানীরা মিলে রোহিঙ্গাদের গণহত্যা, জাতিগত নিধন শুরু করে। এ সময় প্রায় পঞ্চাশ হাজার রোহিঙ্গা ভারত উপমহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পালিয়ে আসে।
জেনারেল নে উইনের সময় আশির দশকে আদমশুমারির সময় রোহিঙ্গাদের বিদেশী ঘোষণা করে নিপীড়ণ করা ৷
১৯৪৭ সালে উপমহাদেশ ভাগের সময় রোহিঙ্গাদের একটি বড় অংশ আরাকান রাজ্যকে পূর্ব পাকিস্তানের সাথে নিয়ে আসার চেষ্টা করে । যা মিয়ানমারের বৌদ্ধরা বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে মনে করে।
১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইনে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব বাতিল করে দেওয়া হয় ।
১৯৯০ সালে আরাকান রাজ্য স্থানীয় আইন জারি করে মুসলিম জনগোষ্ঠীর বিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
১৯৯১-৯২ সালে The State Law and Order Restoration Council (SLORC) এর মাধ্যমে মিয়ানমার সরকার উত্তর রাখাইন স্টেটে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের দমনের নামে রোহিঙ্গাদের জাতিগত নিধন শুরু করে। এসময় মিয়ানমারের সৈন্য ও স্থানীয় রাখাইন স্টেটে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের দমনের নামে রোহিঙ্গাদের জাতিগত ধোলাই শুরু করে। এ সময় মিয়ানমারের সৈন্য ও স্থানীয় রাখাইনরা রোহিঙ্গাদের হত্যা, ধর্ষণ, শিশু চুরি, গ্যাটোতে স্থানান্তর, মসজিদ ভেঙে দেওয়া, ধর্ম পালনে বাধা, সামরিক ক্যাম্পে বাধ্যতামূলক শ্রমে বাধ্য করা।
No answer found. Answer the Question and earn rewards! 🏆✨ <br> Provide correct answer to Question, help learners, and get rewarded for your contributions! 💡💰'
No answer found. Answer the Question and earn rewards! 🏆✨ <br> Provide correct answer to Question, help learners, and get rewarded for your contributions! 💡💰'
No answer found. Answer the Question and earn rewards! 🏆✨ <br> Provide correct answer to Question, help learners, and get rewarded for your contributions! 💡💰'
No answer found. Answer the Question and earn rewards! 🏆✨ <br> Provide correct answer to Question, help learners, and get rewarded for your contributions! 💡💰'
No answer found. Answer the Question and earn rewards! 🏆✨ <br> Provide correct answer to Question, help learners, and get rewarded for your contributions! 💡💰'