স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা থাকায় মেজোমামার বিয়ের অনুষ্ঠানে পরিবারের সঙ্গে যেতে পারেনি গল্পের কিশোর ছেলেটি। তবে ছোটোমামার পরামর্শে সে পরীক্ষা শেষ করেই সরাসরি বিয়ের আসরে উপস্থিত হওয়ার পরিকল্পনা করে। দুপুর সাড়ে বারোটায় ছেড়ে-যাওয়া ট্রেনে করে বারোটা স্টেশন পরে নামলেই খুঁজে পাওয়া যাবে মামার হবু শ্বশুর চৌধুরী সাহেবের বাড়ি। স্টেশনে তাড়াহুড়ায় সে উঠে পড়ে ভুল ট্রেনে। সেখানে এক যাত্রীর সহযোগিতায় কাকতালীয়ভাবে আরেক চৌধুরীদের বিয়েবাড়িতে উপস্থিত হয়। বিয়ে বাড়িতে বরের ভাগনে হিসেবে কিশোরটি খুব সমাদর লাভ করে। কিন্তু বিয়ের অনুষ্ঠানে বর তাকে চিনতে না পারলে সৃষ্টি হয় বিব্রতকর পরিস্থিতির।
ঝোঁকের বশে কোনো কাজ করে ফেললে দুর্গতি পোহাতে হয়। এ গল্পে হাস্যরসের মাধ্যমে তা-ই দেখানো হয়েছে।
Read more