
Lord Alfred Tennyson (1809—1892)
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
i) Victorian যুগের নেতৃত্বস্থানীয় কবি ছিলেন Tennyson
ii) তিনি পরিচিত Representative Poet হিসেবে।
iii) He was a Lyric poet of the Victorian age.
iv) 1850 সাল তাঁর জীবনে স্মরণীয় বছর। কারণ ঐ সময়ে তাকে Wordsworth এর মৃত্যুর পর 1850 সালে তিনি England এর Poet laureate নির্বাচিত হন। (Poet Laureate- মানে 'সভাকবি'/ court poet of England), "ইন মেমোরিয়াম” কাব্যটি আত্মপ্রকাশ করেছিল এবং দাদা চার্লসের শালীর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন।
v) টেনিসনের প্রথম কাব্য প্রকাশিত হয় ১৮২৭ সালে। কাব্যটির নাম "পোয়েমস্ বাই টু ব্রাদার্স” “দুই ভাই" বলতে টেনিসন নিজে এবং টেনিসনের বড় ভাই চার্লস। উভয়েরই কবিতা নিয়ে কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়।
vi) Much of his verse was based on classical mythological themes.
vii) Tennyson যখন Cambridge এর ছাত্র তখন তিনি Timbuctoo রচনা করেন।
viii) Timbuctoo রচনা করে তিনি Chancellor's Gold Medal লাভ করেন।
ix) এছাড়াও তিনি অধিক পরিচিত তার Melodious Language এর জন্য
x) তিনি Oxford University হতে Doctor of Law খেতাবে ভূষিত হন।
xi) তার লিখিত একটি নাটক হলো- Queen Mary.
xii) তিনি বিখ্যাত শোকগাথা কবিতা- In Memoriam রচনা করেন।
xiii) "Locksley Hall" কবিতার চরিত্রগুলো হলো- The Speakrer, His Father, His tyrannical uncle, His cousin Amy.
xiv) Morte D' Arthur" কবিতায় একটি পৌরানিক তরবারি হলো- Excaliber
xv) তিনি William Shakespeare কে "Dazzling Sun" উপাধি দিয়েছেন।
xvi) King Arthur এর গোলটেবিলের নাইটদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন- Sir Bedivere.
Famous Poems of Tennyson :
a) Oenone (“ডেথ অব ইনোনী" তাঁর আর একটি বৃহৎ কাব্য।)
b) Ulysses (ইউলিসিস, গ্রিক বীর) [গ্রিক পুরাণ নিয়ে তার লেখা বিখ্যাত কবিতা হচ্ছে "ইউলিসিস"।
c) Lotus Eaters (পদ্ম খেঁকো)
d) Locksley Hall
e) Tithonus (টিথোনাস)
f) Morte D' Arthur ("মরটে ডি আর্থার) (এই কবিতায় Excaliber তরবারির কথা বলা হয়েছে।)
g) In Memorium ("ইন মেমোরিয়াম") (বন্ধু আর্থার হ্যালামের মৃত্যুতে লিখা elegy)
h) English Idyll.
Alfred Tennyson এর কবিতা মনে রাখার কৌশল: Tithonus Lotus ফুল খেয়ে মনে করে Ulysses এর Memory অনেক ভাল।
- Tithonus = Tithonus
- Ulysses = Ulysses
- Memory = In Memorium (elegy)
Alfred Tennyson এর English Idyll মনে রাখার কৌশল :
Alfred - English; Alfred - English এভাবে কয়েক বার পড়লে মনে থাকবে Alfred Tennyson এর বিখ্যাত কবিতা হলো English Idyll.
Alfred Lord Tennyson এর বিখ্যাত গ্রন্থ Memoriam এর সার-সংক্ষেপ :
এক Anglican যাজকের চতুর্থ সন্তান Alfred Tennyson ছোটবেলা থেকেই কবি হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। Cambridge এ Arthur Henry Hallam নামক এক যুবকের সাথে তার পরিচয় হয়। Hallam Tennyson কে তার কাজ প্রকাশে সহায়তা করে এবং পরবর্তীতে Tennyson এর বোনকে বিয়ে করে। Hallam এর মৃত্যুর পর Tennyson রোমান্টিকতার পরিবর্তে বন্ধুত্ব, ভালোবাসা, মৃত্যু, অমরতা ইত্যাদি ধারণাকে কেন্দ্র করে কবিতা রচনা শুরু করেন। বন্ধুর মৃত্যুর দুঃখে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি একটি কবিতা রচনা করেন যা Memoriam নামে পরিচিত।
Alfread Lord Tennyson এর বিখ্যাত গ্রন্থ The Princess Bride এর সার-সংক্ষেপ :
গল্পের নায়িকা সুন্দরী Buttercup তাদের খামারের কর্মচারী Westley এর প্রেমে পড়ে যায় এবং বিবাহের সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু বিয়ের পূর্বে Westley ভাগ্য অন্বেষণে আমেরিকা যাত্রা করলে পরবর্তীতে দস্যু কর্তৃক তার মিথ্যা মৃত্যুর সংবাদ Buttercup কে জানানো হয়। তাই সে Florin এর Prince Humperdinck এর বাগদত্তা হতে রাজী হয়। অন্যদিকে Westley ফিরে এসে Inigo এবং Fezzik এর সাহায্যে Buttercup কে বিয়ে করে এবং সুখে স্বাচ্ছন্দ্যে বসবাস করতে থাকে।
Locksley Hall: কবিতার সারসংক্ষেপ :
কবি আলফ্রেড লর্ড টেনিসন তাঁর "Locksley Hall" কবিতায় একজন ব্যর্থ প্রেমিক যুবার অন্তরের মর্মবেদনার প্রকাশ ঘটিয়েছেন। এ কবিতার প্রেমিক তারই মামাতো বোনের সাথে গভীর প্রেমের সম্পর্কে আবদ্ধ ছিল। শেষে প্রেমিকা তার প্রেমিককে প্রত্যাখান করে। প্রত্যাখ্যাত এই প্রেমিক ছিল তার মামার আবাসগৃহ লক হলে আশ্রিত। নিজেকে সে এতিম এবং মামার আশ্রিত বলে উল্লেখ করেছে। প্রেমিক যুবা তার প্রেমিকার এই প্রত্যাখান এবং প্রেমিকার অন্য পুরুষকে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করাটাকে সইতে পারে না। হতাশায় নিমজ্জিত হয়ে প্রেমিক যুবা তার হৃদয়ের হাহাকারকে মূর্ত করে তোলে এ কবিতায় প্রেমিক যুবা শেষে সিদ্ধান্ত নেয়, সে সভ্য অবিবেচক মানব সমাজ হতে নিজেকে সরিয়ে নেয়াটাকেই উচিত মনে করেছে এই প্রেমিক যুবা। মোট কথা, টেনিসন তাঁর "লকস্লে হল” কবিতার দ্বারা সারা জগতের লাঞ্ছিত, ব্যথিত প্রেমিকজনদের হৃদয়ের আর্তি তুলে ধরার প্রয়াস পেয়েছেন।
Ulysses : কবিতার সারসংক্ষেপে :
হোমার কৃত মহাকাব্য 'ইলিয়াড' এর কাহিনি দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে কবি টেনিসন 'Ulysses' কবিতাটি রচনা করেন। 'ইলিয়াড'-এর কাহিনি অনুযায়ী ট্রয় যুদ্ধের বীর ইউলিসিস, যুদ্ধ শেষে নিজ দেশে ফিরে আসেন। ফিরে এসে তাঁর মাঝে ভাবান্তর জাগে। যে প্রিয়তমা পত্নীকে তিনি রেখে গিয়েছিলেন নব যৌবনা, গৃহে ফিরে তাকে দেখেন একজন পৌঢ়া হিসেবে। সমুদ্রে ঘুরে বেড়ানো ইউলিসিসের আর রাজকার্যে মন বসে না। তিনি মনে করেন গৃহের মাঝে বসে অলস রাজার মতো রাজ্য চালনা আর তার পক্ষে সম্ভব হবে না। তার কানে আসে দূর দূর দেশের ডাক, তার রক্তে তখন অভিযানের উন্মাদনা। গৃহকোণ তার কাছে বদ্ধ খাঁচা মনে হতে থাকে। কপি টেনিসন আসলে ইউলিসিসের মনোবেদনা আর অজানাকে জানার আকুলতার প্রকাশ ঘটিয়েছেন। মানবাত্মা যেন বদ্ধ গৃহে আবদ্ধ থাকতে চায় না। মানবাত্মার এই যে বহির্মুখী চেতনা এটারই প্রকাশ ঘটিয়েছেন কবি তাঁর 'ইউলিসিস' কবিতার মাধ্যমে।
একজন বীর যার মাঝে নতুনকে জানার দেখার প্রবণতা থেকে তিনি সমুদ্র পথে অজানার উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পরেন। তার চলাকে বলা হয় A Journey for Knowledge.
The Lotus Eaters কবিতার সারসংক্ষেপ :
হোমারের অডিসি মহাকাব্যের নায়ক ইউলিসিস। ট্রয় যুদ্ধ শেষে তিনি দেশে ফেরার পথে জাহাজসহ নাবিকদের নিয়ে নানা বাধা বিপত্তির মুখোমুখি হন। আটকা পড়ে থাকেন নানা সময়ে নানা দ্বীপে। এভাবেই কাটতে থাকে বছরের পর বছর। তার সঙ্গী নাবিকেরা ঘরে ফেরার তরে আকুল। কিন্তু সহজে ফেরা হয় না তাদের। তাদের জাহাজ বার বার আটকে থাকে নানা বাধা বিপত্তির মুখে। এ কবিতায় সেই সব হতাশ নাবিকদের মনের আর্তির প্রকাশ ঘটানো হয়েছে। কবি টেনিসন তাঁর এ কবিতায় ইউলিসিসের সঙ্গী নাবিকদের হৃদয়ের মর্মবেদনা এবং শেষে বাড়ি ফেরার চিন্তা হাল ছেড়ে দেয় আর অসহায় দিকটির অসাধারণ হাল ছেড়ে দিয়ে নিজ গৃহের আশা ত্যাগ করে নিজেরাই নিজেদের মাঝে সাহস সঞ্চয় করার চেষ্টা করছেন। তারা জানে, সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে দ্রুত কিন্তু ফেরার কোনো পথ খোলা নেই। তাই তারা নিজেদের সান্ত্বনা দিচ্ছে এই বলে যে, শুধু অহেতুক বিলাপ করার কোনো অর্থ নেই, তার চেয়ে এই ভালো, এই সীমাহীন সমুদ্র, এই নির্জন দ্বীপ, তারার আকাশ, জলের কুলকুল ধ্বনি, উত্তাল তরঙ্গমালা এসব দেখে দেখেই সময় পার করে তারা। তারা ভাবে সময় তো অনেক পার হয়ে গেছে, তাদের স্ত্রী সন্তানদের কাছে তখন ফিরে গেলে তাদেরকে ওরা ভূত বলে সন্দেহ করবে, সন্তান আর পরিবারের শান্তি নষ্টের কারণ হবে তারা। তারা ভাবে যা ভেঙ্গে গেছে সেটা তেমনি থাক, তারা এই সীমাহীন সমুদ্রের এই দ্বীপে পদ্ম আহার করে প্রকৃতির শোভা নিরীক্ষণ করবে আজীবন। নাবিকরা কামনা করছে এখন একান্ত বিশ্রাম। তারা দেখেছে যুদ্ধ, হানাহানি, শুনেছে সমুদ্রের ভয়াল গর্জন, এবার আর তারা সমুদ্রে যেতে চায় না, যত দিন বেঁচে থাকবে তারা থাকতে চায় এই দ্বীপে, দৌড়ে বেড়াতে চায় শস্য ক্ষেতের ভেতরে, মিশে যেতে চায় প্রকৃতির সাথে, আর তারা নিজেদের যুক্ত করতে চায় না কঠোর শ্রমে। গৃহ আজ তাদের কাছে অতীত ইতিহাস। কোনোদিন হয়তো সেখানে ফেরা হবে না তাদের।
মোট কথা, কবি টেনিসন তাঁর 'লোটাস ইটার' কবিতায় ট্রয় যুদ্ধ ফেরত একদল নাবিকের অসহায়ত্বের নিকট তাদের সান্ত্বনা খোঁজার দিকটি পরম নিষ্ঠার সাথে মেলে ধরেছেন।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
Read more