Academy

'ক' রাষ্ট্রের সরকারপ্রধান জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত। তিনি তার কাজের জন্য জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকেন। জনগণের কল্যাণ করাই তার মূল উদ্দেশ্য। তারপরও 'ক' রাষ্ট্রে সংখ্যালঘুরা উপেক্ষিত হতে পারে বলে অনেকে সমালোচনা করেন।

"উক্ত সরকারব্যবস্থা বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় হলেও বেশকিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে” – মূল্যায়ন কর। (উচ্চতর দক্ষতা)

Created: 1 year ago | Updated: 8 months ago
Updated: 8 months ago
Ans :

উদ্দীপকে প্রতিফলিত সরকারব্যবস্থা বা গণতন্ত্রের সুফল ও ইতিবাচক দিকের জন্য তা বিশ্বব্যাপী ব্যাপক জনপ্রিয় ও আদর্শ সরকার পদ্ধতি। কিন্তু এরপরও গণতন্ত্রের কিছু সীমাবদ্ধতা বা ত্রুটি রয়েছে। 

প্রাচীনকালের প্রখ্যাত মনীষী ও দার্শনিকগণ যেমন প্লেটো ও এরিস্টটল গণতন্ত্রকে মূর্খের ও অযোগ্যদের শাসনব্যবস্থা বলেছেন। কেননা সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসন হিসেবে গণতন্ত্রে নির্বাচনের মাধ্যমে অজ্ঞ, অযোগ্য ও দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে পারে। ফলে উপযুক্ত লোকের অভাবে গণতন্ত্রের উদ্দেশ্য অর্জিত হয় না এবং শাসন পরিচালনায় বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি হয়। বাস্তবিক অর্থে গণতন্ত্র হচ্ছে সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসন। সংখ্যালঘুরা আইনসভায় তাদের প্রতিনিধি প্রেরণ করতে পারে না। ফলে অভাব-অভিযোগ সম্পর্কে সরকার উদাসীন থাকে। গণতন্ত্রে বহু পরস্পরবিরোধী মতের সৃষ্টি হয়, যা সংঘর্ষের জন্ম দেয় এবং জাতীয় সংহতি বিনষ্ট করে। তাছাড়া রাজনৈতিক দলগুলো পাবস্পরিক সমঝোতা প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হলে জাতি দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়ে। ফলে গণতন্ত্র অকার্যকর ও ব্যর্থ হয়। রাজনৈতিক দলগুলো দলীয় স্বার্থ সংরক্ষণ করে শাসনকার্য পরিচালনা করে। ফলে নিরপেক্ষতা নষ্ট হ এতে গণঅসন্তোষ দেখা দেয়। তাছাড়া গণতন্ত্র একটি ব্যয়বহুল শাসনব্যবস্থা। ঘন ঘন নির্বাচনের ব্যবস্থা, জনমত গঠন, ব্যাপক প্রচারণা ইত্যাদিকে কেন্দ্র করে সরকার, রাজনৈতিক দল এবং প্রার্থীদের প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়।

পরিশেষে বলা যায়, পৃথিবীর অন্য সবকিছুর মতো গণতন্ত্রও সমালোচনার ঊর্ধ্বে নয়।

1 year ago

বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচন

🌍 বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় – নবম-দশম শ্রেণি | SSC | NCTB অনুমোদিত

আপনি কি খুঁজছেন “বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম-দশম শ্রেণি PDF”, সহজ ব্যাখ্যা, অথবা প্রশ্ন–উত্তর?

SATT Academy–তে আপনাকে স্বাগতম! এখানে পাবেন অধ্যায়ভিত্তিক সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা, লাইভ টেস্ট, ভিডিও লেকচার, এবং PDF ডাউনলোড সুবিধা — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে!


📘 অধ্যায়ের প্রধান বিষয়সমূহ:

  • বাংলাদেশের ভূগোল ও ইতিহাস
  • বাংলাদেশের অর্থনীতি ও সামাজিক অবস্থা
  • বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য
  • বাংলাদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও সাম্প্রতিক উন্নয়ন
  • বিশ্ব ভূগোল ও পরিবেশ
  • বিশ্ব ইতিহাস ও সভ্যতা
  • আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও বিশ্ব রাজনীতি
  • বিশ্ব অর্থনীতি ও উন্নয়ন বিষয়ক সংকট ও সমাধান

✅ এখানে যা পাবেন:

  • প্রতিটি অধ্যায়ের সহজ ও পরিষ্কার ব্যাখ্যা
  • বোর্ড পরীক্ষা অনুযায়ী CQ ও MCQ প্রশ্ন–উত্তর
  • লাইভ টেস্ট – নিজেকে পরীক্ষা করার জন্য
  • ভিডিও লেকচার ও অডিও ব্যাখ্যা
  • সরকারি PDF ডাউনলোড লিংক
  • কমিউনিটি সম্পাদিত ও যাচাইকৃত কনটেন্ট

📥 সরকারি (NCTB) PDF ডাউনলোড লিংক:

🔗 বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় – নবম-দশম শ্রেণি PDF ডাউনলোড

(লিংকে ক্লিক করে বইটি অনলাইনে পড়তে বা ডাউনলোড করতে পারবেন)


👨‍👩‍👧‍👦 উপকারিতা:

  • SSC পরীক্ষার্থীদের জন্য: পরীক্ষার জন্য উপযোগী প্রস্তুত কনটেন্ট
  • শিক্ষকদের জন্য: ক্লাসে পড়ানোর জন্য সহায়ক
  • অভিভাবকদের জন্য: সন্তানদের শিক্ষায় সহায়তা
  • টিউটর ও কোচিং শিক্ষকদের জন্য: প্রশ্ন ও রিভিশন উপকরণ

⚙️ কীভাবে ব্যবহার করবেন:

  • অধ্যায় থেকে প্রয়োজনীয় অংশ নির্বাচন করুন
  • প্রশ্ন–উত্তর ও ব্যাখ্যা পড়ুন
  • লাইভ টেস্টে অংশ নিয়ে নিজেকে যাচাই করুন
  • প্রয়োজন হলে PDF ডাউনলোড করুন
  • ভিডিও লেকচার দেখুন ও আরও ভালো শেখার জন্য ব্যবহার করুন

✨ কেন SATT Academy?

✔️ ১০০% ফ্রি ও সহজে ব্যবহারযোগ্য প্ল্যাটফর্ম
✔️ NCTB বইয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কনটেন্ট
✔️ লাইভ টেস্ট, ভিডিও ও ইন্টার‍্যাক্টিভ ফিচার
✔️ মোবাইল-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন
✔️ কমিউনিটি দ্বারা যাচাইকৃত তথ্য


🔍 সার্চ-সহায়ক কীওয়ার্ড:

  • বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম দশম শ্রেণি
  • Bangladesh & World Introduction Class 9 10
  • SSC Bangladesh & World Introduction PDF
  • বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় MCQ CQ SSC
  • NCTB Bangladesh & World Introduction Class 9 10
  • SATT Academy Bangladesh & World Introduction

🚀 এখনই শুরু করুন!

SATT Academy–এর মাধ্যমে অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্ন–উত্তর, ভিডিও ব্যাখ্যা ও PDF সহ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়–এর পড়াশোনা শুরু করুন — সবার জন্য বিনামূল্যে।

🌟 SATT Academy – আধুনিক ও সহজ শিক্ষার বিশ্বস্ত সঙ্গী।

Related Question

View More

রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ম্যাকাইভার রাজনৈতিক দল সম্পর্কে বলেছেন, “যারা কতকগুলো সুনির্দিষ্ট নীতির ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হয় এবং সাংবিধানিক উপায়ে সরকার গঠন করতে চেষ্টা করে, সেই জনসমষ্টিকে রাজনৈতিক দল বলা হয়।”

বাংলাদেশে নির্বাচনসমূহ পরিচালনার জন্য যে সাংবিধানিক সংস্থা রয়েছে তার নাম নির্বাচন কমিশন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কয়েকজন নির্বাচন কমিশনার নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য কমিশনারদের নিয়োগদান করেন। নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ পাঁচ বছর। 

মিতুলদের ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বাছাইয়ের প্রক্রিয়াটি আমার পঠিত পরোক্ষ গণতন্ত্রের বিষয়বস্তুর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

পরোক্ষ গণতন্ত্র বলতে সাধারণত নাগরিকদের সরাসরি অংশগ্রহণ না করে প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে শাসনকার্য পরিচালনা করার পদ্ধতিকে বোঝায়। যেমনটি মিতুলদের ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বাছাইয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়েছে। মিতুলদের ক্লাবে অধিকাংশ সদস্যই সাধারণ সম্পাদক হতে চায়। কেউ কাউকে ছাড় দিতে না চাওয়ায় অবশেষে সবাই মিলে কয়েকজনকে ক্ষমতা অর্পণ করে একজন সম্পাদক বাছাই করার জন্য। উক্ত ক্ষমতা প্রাপ্ত ব্যক্তিগণ পরবর্তীতে তাদের ক্লাবের একজন সাধারণ সম্পাদক বাছাই করে। এখানে সবাই মিলে সাধারণ সম্পাদক বাছাই না করে তারা কয়েকজনকে ক্ষমতা অর্পণ করে। আর সেই ক্ষমতাপ্রাপ্তরা ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বাছাই করে। এটি পরোক্ষ গণতন্ত্রের সাথেই সাদৃশ্যপূর্ণ।

"বাছাই প্রক্রিয়ার দুর্বলতা নিরসন করতে পারলেই সম্পাদক বাছাই প্রক্রিয়াটি সর্বোত্তম হবে।" উক্তিটি যথার্থই সঠিক।

মিতুলদের ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বাছাই করা হয়েছে পরোক্ষ পদ্ধতিতে। এ পদ্ধতিতে সাধারণত নাগরিকগণ সরাসরি অংশগ্রহণ না করে প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে শাসনকার্যে অংশ নেয়। কিন্তু মিতুলদের ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বাছাই প্রক্রিয়ায় যে দুর্বলতা কাজ করেছে তা হলো সততা ও নৈতিকতা বিচার না করে সাধারণ সম্পাদক বাছাই করা। বাছাইকৃত সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে সততা ও নৈতিকতা থাকলে তাকে কিছু ব্যক্তির স্বার্থের জন্য বিতর্কিত হতে হতো না। অতএব, বাছাই প্রক্রিয়ার দুর্বলতা নিরসন করতে পারলেই সম্পাদক বাছাই প্রক্রিয়াটি সর্বোত্তম হবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। নিজ স্বার্থের প্রতি লক্ষ রেখে শাসনকার্য পরিচালনা করলে নিরপেক্ষতা নষ্ট হয় এবং এতে করে গণঅসন্তোষ দেখা দেয়। নির্বাচিত প্রার্থী যদি সততা ও নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে নিজ স্বার্থ রক্ষায় সচেষ্ট হয় তবে তিনি জনসমর্থন হারিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ হবেন।

প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন গণতন্ত্রের সংজ্ঞা দিয়েছেন এভাবে- 'গণতন্ত্র হলো, জনগণের, জনগণের জন্য ও জনগণ দ্বারা নির্বাচিত সরকার ব্যবস্থা।'

যে নির্বাচন পদ্ধতিতে ভোটারগণ ভোেট দিয়ে সরাসরি প্রতিনিধি নির্বাচন করে একটি মধ্যবর্তী নির্বাচনি সংস্থা তৈরি করে তাকে ইলেক্টোরাল কলেজ বা নির্বাচকমণ্ডলী বলে। এ নির্বাচনি সংস্থা চূড়ান্তভাবে প্রতিনিধি বা রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচন করে। যেমন- আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে এ পদ্ধতিতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...