আউটসোর্সিং কী? এর মাধ্যমে দেশ কীভাবে উপকৃত হতে পারে?
আউটসোর্সিং কী? এর মাধ্যমে দেশ কীভাবে উপকৃত হতে পারে?
ইিবনে তাইমিয়া স্কুল এন্ড কলেজ, কুমিল্লা।
উত্তর: আউটসোর্সিং: বিশ্বব্যাপী কর্মসংস্থানের বাজার উন্মুক্ত করেছে
তঞ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। ইন্টারনেটের মাধ্যমে এক দেশে বসেই অন্য যেলের কোন কাজ করা যায়। পৃথিবীর বিভিন্ন উন্নত দেশ তাদের অনলাইন নির্ভর কাজগুলো অন্যান্য দেশের লোকজন দিয়ে করিযে নিচ্ছে। এই ধরনের কাজকে বলা হয় আউটসোর্সিং। অন্যভাবে বলা যায়; আউটসোর্সিং হচ্ছে কোন প্রতিষ্ঠানের কাজ নিজেরা না করে তৃতীয় কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সাহায্যে করিয়ে নেওয়া।
আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে দেশের উপকার: আউটসোর্সিং এখন একটি
শিল্পে পরিণত হয়েছে। আউটসোর্সিং শিল্পকে কাজে লাগিয়ে আমাদের দেশের শিক্ষিত বিরাট জনগোষ্ঠী এখন অর্থ উপার্জন করতে পারছে। আউটসোর্সিং এখন অনেকেরই পেশা হিসাবে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ প্রতি বছর আউটসোর্সিং হতে কয়েক মিলিয়ন ডলার আয় করে। শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠী এই শিল্পকে কাজে লাগিয়ে অনেকেই -স্বাবলম্বী হয়ে উঠছে। উন্নত বিশ্বের মত বালাদেশেও অনেকে এই খাতে বিনিয়োগ করছেন। ফলে বহু লোক সম্পৃক্ত হচ্ছে বিভিন্ন কাজে, সৃষ্টি হচ্ছে কর্মসংস্থান।
ওয়েবসাইট তৈরি, থ্রিডি এনিমেশন, গ্রাফিক্স ডিজাইন বা ছবি সম্পাদনা, ডাটা এন্ট্রি, লেখালেখি করা, কোন পণ্যের বাজার খুঁজে দেওয়া, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজ করা, ডেটা বিশ্লেষণ করা ইত্যাদিসহ আরো অসংখ্য কাজ এই পদ্ধতিতে করা সম্ভব।
আউটসোর্সিং বা ফ্রিল্যান্সিংকে কাজে লাগিয়ে দেশের অর্থনীতি তথা ব্যক্তি অবস্থার মান উন্নয়ন করা সম্ভব। এ শিল্পে ট্রেনিং এর মাধ্যমে একজন প্রতিবন্ধীও সাবলম্বী হতে পারে। উন্নত বিশ্ব আউটসোর্সিং এর অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছে। বাংলাদেশেও এই অনলাইন নির্ভর শিল্পটিকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। আউটসোর্সিং বিষয়ে প্রশিক্ষণের জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়সহ অনেক প্রতিষ্ঠান তৈরি হয়েছে। হয়ত অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশের কয়েক কোটি লোক এই শিল্পের সাথে সম্পৃক্ত হবে। এতে করে বেকারত্ব গুছিয়ে দেশ আয় করবে প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা, তৈরি হবে ব্যাপক কর্মসংস্থান।