কাজ করার ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার মূল্য অনেক। সমাজে যে যত বেশি অভিজ্ঞ এবং দক্ষ সে তত নিপুণভাবে কাজ সম্পাদন করতে পারে। শুধু কাজ করার মাধ্যমেই অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা অর্জন সম্ভব এবং যে যত বেশি কাজ করে সে তত বেশি অভিজ্ঞ ও দক্ষ Page
যে কাজগুলো প্রতিদিনই করা আবশ্যক এবং না করলে সমস্যা হবে সেগুলো হলো প্রাত্যহিক জীবনের কাজ।
আমাদের দৈনন্দিন জীবনে নানান ধরনের কাজ থাকে। এর মধ্যে কিছু কাজ নিজের আর কিছু কাজ আছে যা পরিবারের অন্য সদস্যদের সাথে সম্পর্কিত। পরিবারের একজনকে অন্যজনের ওপর নির্ভর করতে হয়। পরিবারের সদস্যরা তাদের কাজের মাধ্যমে আমাদেরকে সুষ্ঠু ও সুন্দর জীবনযাপনে সহায়তা করেন। তাই প্রাত্যহিক জীবনে পরিবারের অন্য সদস্যের কাজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সাকিব দেশের জন্য দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে ভূমিকা রাখছেন। একটি দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন বিচার করতে গেলে যে বিষয়টি উঠে আসে, তা হচ্ছে অবকাঠামোগত উন্নয়ন। দেশের প্রকৌশলী ও নির্মাণ শ্রমিকরা তাদের কাজের মাধ্যমে অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিশাল ভূমিকা রাখেন। ঘর-বাড়ি, অফিস-আদালত নির্মাণ, রাস্তাঘাট তৈরি ও মেরামত, খাল খনন, বন্দর নির্মাণ, বাজারসহ বিভিন্ন অবকাঠামো তৈরির মাধ্যমে দেশের সার্বিক উন্নয়ন ঘটে। উদ্দীপকে সাকিব কৃষি পরিবারের ছেলে। তিনি ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করেছেন। তিনি তার ফার্মের মাধ্যমে বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় সড়ক উন্নয়ন ও মেরামতের কাজ করেন যা একটি দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। উপরিউক্ত আলোচনায় এটাই প্রতীয়মান হয় যে, সাকিব দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।
উদ্দীপকের হাসেম সাহেব কৃষি কাজ করে। বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ হিসেবে তার কাজের যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে। খাদ্য মানুষের মৌলিক অধিকারগুলোর মধ্যে একটি। দেশের কৃষকসমাজ তাদের নিরন্তর পরিশ্রমের সাধামে শস্য ও ফসল ফলিয়ে দেশের খাদ্য উৎপাদনে ভূমিকা রাখছেন। কৃষিকাজ করে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে আমাদের দেশের কৃষক সমাজ।
উদ্দীপকে হাসেম সাহেব একজন কৃষক। চাষাবাদ করার জন্য তার ৫০ বিঘা জমি আছে। তিনি এ জমিগুলোতে মৌসুম অনুযায়ী বিভিন্ন ফসল চাষ করেন। তার জমিতে চাষাবাদ করার জন্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে চাষিরা আসেন। এতে করে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হচ্ছে, সেই সাথে তারা আর্থিকভাবেও সচ্ছল হচ্ছে। দেশের মোট খাদ্য চাহিদা পূরণেও তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বা অবদান রয়েছে। খাদ্য ঘাটতি ও বিদেশিদের সাহায্যের ওপর নির্ভরশীলতা দিন দিন কমে আসছে; এর মূল কারণ আমাদের দেশের কৃষক সমাজের কৃষিকাজ ও খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি। এটি আমাদেরকে আত্মনির্ভরশীল হতে সহায়তা করে। হাসেম সাহেব তার ছেলেকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করেছেন। যার অধীনে অনেক শ্রমিক কাজ করে দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে ভূমিকা রাখছেন। উপরিউক্ত আলোচনায় হাসেম সাহেবের কাজের গুরুত্ব মূল্যায়িত
নিজের কাজ নিজে করলে কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি পায় ফলে কাজের প্রতি অলসতা দূর হয়। নিজের কাজ নিজে করলে গুছিয়ে কাজ করা যায়। সময় বাঁচে ও কাজ সুন্দর হয়। আবার নিজের কাজ নিজে করলে কাজের প্রতি আন্তরিকতা: তৈরি হয়। এছাড়াও প্রাত্যহিক জীবনে নিজের কাজটি নিজে করলে কাজের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ ও আগ্রহ বেড়ে যায়। যার ফলে কাজের প্রতি অলসতা দূর হয় এবং কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি পায়।