দুটি ভিন্ন ঘনত্বের দ্রবণ একটি বৈষম্যভেদ্য ঝিল্লি দ্বারা পাশাপাশি পৃথক থাকলে দ্রাবক পদার্থ যে প্রক্রিয়ায় তার নিম্ন ঘনত্বের দ্রবণ থেকে উচ্চ ঘনত্বের দ্রবণের দিকে ব্যাপিত হয় সেই প্রক্রিয়াই হলো অভিস্রবণ।

পরিবহন জীবদেহের একটি অতিপ্রয়োজনীয় ব্যবস্থা, যা সবসময়েই ঘটে চলেছে। উদ্ভিদে পানি ও খনিজ পরিবহন যেমন গুরুত্বপূর্ণ, খাদ্য চলাচলও তেমনি গুরুত্বপূর্ণ। মাটি থেকে গ্রহণ করা পানি আর খনিজ লবণ মূল থেকে পাতায় পৌঁছানো যেমন গুরুত্বপূর্ণ, পাতায় প্রস্তুত করা খাদ্য উদ্ভিদের বিভিন্ন অঙ্গে পরিবহনও ঠিক তেমনি সমান প্রয়োজনীয়। মানবদেহে পরিবহন প্রক্রিয়া উদ্ভিদের মতো নয় কিন্তু উভয়েই পদার্থবিজ্ঞানের একই নিয়ম অনুসরণ করে।
উদ্ভিদ আর মানবদেহের পরিবহন পদ্ধতি এ অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়।
এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-
উদ্ভিদে পরিবহনের ধারণা ও প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব।
উদ্ভিদ ও পানির সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে পারব।
উদ্ভিদে পানি ও খনিজ পদার্থ শোষণ প্রক্রিয়া এবং এর প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব।
• সালোকসংশ্লেণের ফলে উৎপাদিত পদার্থের পরিবহন বর্ণনা করতে পারব।
উদ্ভিদে পানি ও খনিজ পদার্থ পরিবহন এবং এর প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব।
প্রস্বেদনের ধারণা ও তাৎপর্য ব্যাখ্যা করতে পারব।
প্রস্বেদনের হার নিয়ন্ত্রণে প্রভাবকের ভূমিকা বিশ্লেষণ করতে পারব।
প্রস্বেদন একটি অতিপ্রয়োজনীয় অমঙ্গল তা মূল্যায়ন করতে পারব।
উদ্ভিদে প্রস্বেদনের পরীক্ষা করতে পারব।
• মানবদেহে সংবহনের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।
• রক্ত উপাদানের কাজ ব্যাখ্যা করতে পারব।
বিভিন্ন গ্রুপের রন্দ্রের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারব।
• রক্ত গ্রুপ বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে রক্ত নির্বাচন করতে পারব।
• রক্তদানের নিয়মাবলি এবং এর সামাজিক দায়বদ্ধতা বর্ণনা করতে পারব।
• মানবদেহে রক্ত সঞ্চালন কার্যক্রম বর্ণনা করতে পারব।
হৃৎপিন্ডের গঠন ও কাজ বর্ণনা করতে পারব।
• হৃৎপিন্ড গঠনগতভাবে যে এর কার্যক্রমের সাথে অভিযোজিত তা বিশ্লেষণ করতে পারব।
• রক্ত সঞ্চালনে রক্তচাপের ভূমিকা বিশ্লেষণ করতে পারব।
আদর্শ রক্তচাপ ব্যাখ্যা করতে পারব।
কোলেস্টেরলের প্রকারভেদ, সীমা, উপকারিতা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বর্ণনা করতে পারব।
• রক্ত সঞ্চালনে কোলেস্টেরলের ভূমিকা বিশ্লেষণ করতে পারব।
রন্তে অস্বাভাবিকতার কারণ ও ফলাফল ব্যাখ্যা করতে পারব।
• হৃৎপিণ্ড সম্পর্কিত রোগের লক্ষণ, কারণ, প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিশ্লেষণ করতে পারব।
হৃৎপিন্ডকে সুস্থ রাখার উপায় বিশ্লেষণ করতে পারব।
বিশ্রামরত অবস্থায় এবং শরীরচর্চার পর রন্তচাপ ও পালসরেট পরিমাপ করতে এবং দুই অবস্থানে পরিমাপকৃত রক্তচাপ ও পালসরেট বিশ্লেষণ করতে পারব।
সঠিকভাবে রক্তচাপ ও পালসরেট পরিমাপ করতে পারব।
• হৃৎপিন্ডকে সুস্থ রাখার জন্য নিজে সচেতন হব এবং অন্যকে সচেতন করতে পারব।
Related Question
View Allযে পর্দার ভিতর শুধু দ্রাবক প্রবেশ করতে পারে কিন্তু দ্রব প্রবেশ করতে পারে না তাই বৈষম্যভেদ্য পর্দা।
কলয়েড জাতীয় শুকনা বা আধাশুকনা পদার্থ কর্তৃক তরল পদার্থ শোষণের বিশেষ প্রক্রিয়াকে বলা হয় ইমবাইবিশন। কোষপ্রাচীর ও প্রোটোপ্লাজম কলয়েডধর্মী হওয়ায় ইমবাইবিশন প্রক্রিয়ায় পানি শোষণ করে স্ফীত হয়। এ ছাড়া অঙ্কুরোদগমের পূর্বে শুষ্ক বীজ ইমবাইবিশন প্রক্রিয়ায় পানি শোষণ করে স্ফীত হয়।
এখানে ১ উপাদানটি হলো সূর্যালোক। উদ্দীপকে যে প্রক্রিয়াটিকে দেখানো হয়েছে তা হলো সালোকসংশ্লেষণ। সালোকসংশ্লেষণের প্রধান উপকরণগুলো হলো- আলো, ক্লোরোফিল, পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইড। এর যেকোন একটির অনুপস্থিতিতেই উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াটি বন্ধ হয়ে যায়। সুতরাং সূর্যালোকের অনুপস্থিতিতে প্রক্রিয়াটি বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে উদ্ভিদ খাদ্য তৈরি করতে পারবে না এবং পরিবেশে ০₂ নির্গত হবে না। অক্সিজেন নির্গত না হাওয়ায় পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হবে। জীবজগতে দেখা দিবে খাদ্যভাব। কোন জীবই কর্মশক্তি পাবে না, কারণ সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে সৌরশক্তি খাদ্যের মধ্যে রাসায়নিক শক্তি রূপে জমা থাকে এবং জীব এ খাদ্য থেকেই তাদের কর্মশক্তি পেয়ে থাকে।
সুতরাং, উদ্দীপকের ১ উপাদানটির অনুপস্থিতিতে উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াটি ঘটবে না।
উদ্দীপকের X উপাদানটি হলো পানি এবং Y অঞ্চলটি হলো পাতা। উদ্ভিদ তার সবুজ পাতায় আলো ও ক্লোরোফিলের উপস্থিতিতে পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি করে। এই সালোকসংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় পানি উদ্ভিদ মাটি থেকে শোষণ করে এবং তা পাতায় পৌঁছায়। পানির অনুপস্থিতিতে সালোকসংশ্লেষণ অসম্ভব। সুতরাং X উপাদানটি (পানি) Y অঞ্চলে (পাতায়) না পৌঁছলে উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণ ঘটবে না, ফলে উদ্ভিদে কোন খাদ্য তৈরি হবে না। খাদ্য তৈরি না হলে উদ্ভিদ খাদ্যাভাবে মারা যাবে। আবার, খাদ্য তৈরি না হলে প্রয়োজনীয় শক্তির অভাবে উদ্ভিদদেহের বিভিন্ন ধরনের জৈবিক কাজেও ব্যাঘাত ঘটবে। এর ফলে উদ্ভিদ বিভিন্ন ধরনের জটিল রোগে আক্রান্ত হবে এবং এক সময় উদ্ভিদের মৃত্যু ঘটবে।
আবার X উপাদানটি (পানি) Y অঞ্চলে (পাতায়) না পৌঁছলে উদ্ভিদে প্রস্বেদন ঘটবে না। কারণ প্রস্বেদনের প্রধান অঙ্গই হলো পাতা। মাটি থেকে পানি পাতায় পৌঁছলে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি পত্ররন্দ্রের মাধ্যমেই প্রস্বেদন প্রক্রিয়ায় বের হয়ে যায়। প্রস্বেদন উদ্ভিদের গুরুত্বপূর্ণ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। এছাড়া পানি (X) উদ্ভিদের পাতায় (Y) না পৌঁছলে উদ্ভিদ দেহে খনিজ লবণও পৌঁছবে না। ফলে ঐ সকল খনিজ উপাদানের অভাবে উদ্ভিদ দেহে বিভিন্ন ধরনের রোগের লক্ষণ দেখা দিবে এবং এক সময়ে তাঁদের মৃত্যু ঘটবে।
সুতরাং X উপাদানটি (পানি) Y অঞ্চলে (পাতায়) না পৌঁছলে উদ্ভিদে উপরে বর্ণিত সমস্যাগুলো দেখা দিবে।
শ্বেতকণিকা প্রহরীর মতো দেহকে বিভিন্ন রোগজীবাণুর হাত থেকে রক্ষা করে। ক্ষণপদ সৃষ্টির মাধ্যমে শ্বেতকণিকা রোগজীবাণুকে ভক্ষণ করে এবং রোগের হাত থেকে দেহকে রক্ষা করে। শুধু তাই নয় এন্টিবডি তৈরির মাধ্যমেও শ্বেত কণিকা দেহকে বিভিন্ন ধরনের রোগের হাত থেকে রক্ষা করে থাকে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!