'ক' একটি দেশের রাজনৈতিক সংগঠন। এ সংগঠনের আদর্শে। বিশ্বাসীরা তাদের দলের রাজনৈতিক আদর্শ ও দর্শন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেয়। এতে 'খ' দেশ 'ক'-এর আদর্শ প্রতিরোধকল্পে নানা প্রচেষ্টা চালায়। ফলে এমন এক বৈরী পরিবেশ। ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয় যা দীর্ঘদিন পর্যন্ত বিশ্ববাসীকে আতঙ্কিত করে রেখেছিল।
উদ্দীপকের ইঙ্গিতকৃত বিষয় তথা স্নায়ুযুদ্ধের সৃষ্টি শুধু আদর্শগত নয়; সামরিকও বটে উক্তিটি যথার্থ
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পূর্ব পর্যন্ত জার্মানি, ব্রিটেন ও ফ্রান্স পরাশক্তি হিসেবে বিবেচিত হতো। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের ভূমিকা তাদেরকে নতুন পরাশক্তি হিসেবে উপস্থাপন করে। এই ভারসাম্য কিছুা নষ্ট হয়ে যায় যখন আমেরিকা পরমাণু অস্ত্রের অধিকারী হয়। পরবর্তীকালে ১৯৪৫ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন পরমাণু অস্ত্রের অধিকারী হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব কিছু খর্ব হয়। স্নায়ুযুদ্ধের শুরু হয় তখন থেকে। উভয় দেশের সামরিক শক্তি সঞ্চয় সর্বাত্মক যুদ্ধ না হলেও স্বায়ুযুদ্ধের পরিস্থিতি উত্তপ্ত রাখতে সাহায্য করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ১৯৪৯ সালে ন্যাটো এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে ১৯৫৩ সালে 'ওয়ারশ প্যাক্ট' নামক সামরিক জোট গঠন স্নায়ুযুদ্ধকে চূড়ান্ত সামরিকীকরণ করে। স্নায়ুযুদ্ধের অন্যতম একটি কারণ ছিল বিশ্বে অস্ত্রের বাজার দখল। বিশেষ করে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রগুলোর কাছে অস্ত্র বিক্রি করে সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যে প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হয় তা স্নায়ুযুদ্ধের অবস্থার আরো অবনতি ঘটায়।
সুতরাং একথা নিঃসন্দেহে বলা যায়, স্নায়ুযুদ্ধ সৃষ্টি শুধু আদর্শগত নয়; সামরিকও বটে।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?