'ক' একটি দেশের রাজনৈতিক সংগঠন। এ সংগঠনের আদর্শে। বিশ্বাসীরা তাদের দলের রাজনৈতিক আদর্শ ও দর্শন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেয়। এতে 'খ' দেশ 'ক'-এর আদর্শ প্রতিরোধকল্পে নানা প্রচেষ্টা চালায়। ফলে এমন এক বৈরী পরিবেশ। ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয় যা দীর্ঘদিন পর্যন্ত বিশ্ববাসীকে আতঙ্কিত করে রেখেছিল।
উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনার সাথে আমার পাঠ্যবইয়ের স্নায়ুযুদ্ধের সাথে মিল পাওয়া যায়।
১৯৪৭ সালের ১৩ এপ্রিল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিবিদ স্টেটম্যান । বার্ণ নার্দ বারুচ এক ভাষণে সর্বপ্রথম স্নায়ুযুদ্ধ বা ঠাণ্ডা লড়াই শব্দটি ও ব্যবহার করেন। স্নায়ুযুদ্ধ বলতে প্রকৃতপক্ষে কোনো যুদ্ধের অবস্থা বোঝায় না। স্নায়ুযুদ্ধ হলো যুদ্ধও নয়, আবার যুদ্ধ যুদ্ধ ভাবে। স্নায়ু যুদ্ধ বা ঠান্ডা লড়াইকে অস্বস্তিকর বা অনভিপ্রেত শান্তি বলা যেতে পারে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের গণতান্ত্রিক আদর্শকে বিশ্বব্যাপী পৌছে দেওয়ার প্রচেষ্টায় লিপ্ত হলে সমাজতন্ত্রী বা সাম্যবাদী ধারণায় বিশ্বাসী সোভিয়েত ইউনিয়ন এর প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়ায়। যার ফলশ্রুতিতে বিশ্বের এই দুই পরাশক্তির মধ্যে আদর্শিক দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এ আদর্শগত দ্বন্দ্ব সোভিয়েত ইউনিয়ন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি স্নায়ুবিক উত্তেজনা সৃষ্টি করে। এ স্নায়ুবিক উত্তেজনা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বাস্তবে রূপ লাভ করে এবং ১৯৯১ সালের ডিসেম্বর মাসে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মধ্যদিয়ে স্নায়ুযুদ্ধের চূড়ান্ত অবসান ঘটে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ক' নামক রাজনৈতিক সংগঠনের আদর্শে বিশ্বাসীদের সাথে তাদের বিরোধীতাকারীদের মধ্যকার দ্বন্দ্ব পরিলক্ষিত হয়। আর এ দ্বন্দ্বে যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে তার সাথে স্নায়ুযুদ্ধের মিল পাওয়া যায়।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?