'ক' একটি ব্যাংক যার প্রধান উদ্দেশ্য জনকল্যাণ। অপরপক্ষে, 'খ' অন্য একটি ব্যাংক যার মূল উদ্দেশ্য মুনাফা অর্জন করা। উক্ত ব্যাংকটি বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্যে সহায়তা করে থাকে। সম্প্রতি দেশে দ্রব্যসামগ্রীর 'দাম বৃদ্ধি পেতে থাকলে তা নিয়ন্ত্রণে উভয় ব্যাংক সহায়তা করে।
উদ্দীপকে 'ক' নামক কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও 'খ' নামক বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির।
বাণিজ্যিক ব্যাংকের মূল উদ্দেশ্য মুনাফা অর্জন করা। এ উদ্দেশ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংক আমানত সংগ্রহ ও ঋণদান করে থাকে। এ ব্যাংকই জনগণকে সকল প্রকার ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে। অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক নোট ইস্যু, মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণ, ঋণ নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক নীতি প্রণয়ন ইত্যাদি কাজ করে থাকে। উদ্দীপকে 'ক' ব্যাংকের প্রধান উদ্দেশ্য জনকল্যাণ। অন্যদিকে 'খ' ব্যাংকের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে মুনাফা অর্জন করা। 'খ' ব্যাংক বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্যে সহায়তা করে। দেশে দ্রব্য সামগ্রীর দাম বৃদ্ধি পেলে উভয় ব্যাংক সহায়তা করে।
উদ্দীপকের 'ক' ব্যাংক হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং 'খ' ব্যাংক হলো বাণিজ্যিক ব্যাংক। 'ক' ব্যাংক জনকল্যাণে কাজ করলেও 'খ' ব্যাংক মুনাফা অর্জনে কাজ করে। 'ক' ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন নীতি প্রণয়ন করে। অন্যদিকে 'খ' ব্যাংক উক্ত নীতি বাস্তবায়নে 'ক' ব্যাংকে সহায়তা করে। 'ক' ব্যাংক সরকার ও অন্যান্য ব্যাংককে প্রয়োজনে ঋণ সরবরাহ করে। আর 'খ' ব্যাংক মূলত সাধারণ জনগণকে ঋণ সরবরাহ করে অর্থনীতির চাকা সচল রাখে। দেশের যাবতীয় আর্থিক নীতিমালা প্রণয়ন করে 'ক' ব্যাংক। আর তা বাস্তবায়ন করা হয় 'খ' ব্যাংকের সহায়তায়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের বাণিজ্যিক ব্যাংক ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যাবলি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?