১. আলবাছীর )اَلْبَصِيرُ( : বাছীরুন )بَصِيرٌ( অর্থ সর্বদ্রষ্টা। মহান আল্লাহ সবকিছু দেখেন। আমরা প্রকাশ্যে যা করি তা তিনি দেখেন। গোপনে যা করি, তাও তিনি দেখেন। তার দৃষ্টির বাইরে কিছুই নেই।
২. আসসামিউ )السَّمِيعُ( : সামিউন )سَمِيعٌ( অর্থ সর্বশ্রোতা। মহান আল্লাহ সব শোনেন। আমরা প্রকাশ্যে যা বলি তা তিনি শোনেন। গোপনে যা বলি তাও তিনি শোনেন। আমরা মনে মনে যা বলি তাও তিনি শোনেন। তার কাছে কোনো কিছু গোপন থাকে না।
পবিত্র কুরআন শেখা ও শেখানো সম্পর্কে হাদিসের একটি বাণী হলো- মহানবি (স.) বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে সে উত্তম যে নিজে কুরআন শিখে এবং অপরকে শেখায়।” (সহিহ বুখারি)
ইমানে মুসফাসসালে সাতটি মৌলিক বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। তার মধ্যে দুটি বিষয় হলো-
১. আল্লাহ তায়ালার প্রতি বিশ্বাস।
২. রাসুলগণের প্রতি বিশ্বাস।
সালাতের আরকান ছয়টি এবং আহকাম সাতটি।
সালাতের একটি আরকান হলো তাকবির-ই-তাহরিমা তথা 'আল্লাহু আকবার' বলে সালাত শুরু করা। আর আহকাম হলো সালাত আদায়ের জায়গা পবিত্র হওয়া।
আমি মহান আল্লাহর গুণ দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়ে যে দুটি কাজ করতে পারি তা হলো-
১. মহান আল্লাহর একটি নাম হচ্ছে রাহমান বা পরম দয়ালু। তার এ গুণে প্রভাবিত হয়ে আমি সকলের প্রতি দয়া প্রদর্শন করতে পারি।
২. মহান আল্লাহর আরেকটি নাম রব বা প্রতিপালক। এ নামের গুণে গুণান্বিত হয়ে আমি সৃষ্টির পরিচর্যা করতে পারি।
মহান আল্লাহর বিধিবিধান মেনে চলাকে ইবাদত বলে।
ইবাদতের দুটি উদাহরণ হলো-
১. পিতামাতাকে সম্মান ও তাদের সেবা করা।
২. সর্বদা সত্য কথা বলা।
জাকাত, সদকা (দান) ও কুরবানি সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে। এর মাধ্যমে মুসলমানগণ একে অন্যের সহায়তায় এগিয়ে আসে।
ইসলামের মৌলিক বিষয়সমূহের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাসই আকিদা।
আল্লাহ' হলো মহান আল্লাহর জাতি বা সত্তাগত নাম।
আল-আসমাউল হুসনা অর্থ হলো মহান আল্লাহর * সুন্দরতম নামসমূহ।
ইমান অর্থ বিশ্বাস এবং মুফাসসাল অর্থ বিস্তারিত।
ইবাদত একটি আরবি শব্দ যার অর্থ আনুগত্য করা, দাসত্ব করা বা মালিকের কথা মতো চলা।
ইসলামের প্রধান ইবাদত ৪টি; যথা- সালাত, সাওম, জাকাত ও হজ।
সালাতের ফরজ মোট ১৩টি।
সালাত শুরুর আগের ফরজ কাজগুলোকে আহকাম এরং সালাতের ভেতরের কাজগুলোকে আরকান বলে।
দুই যবর, দুই যের ও দুই পেশ-কে তানবিন বলে।
আরবি হরফ টেনে পড়াকে মাদ্দ বলে এবং এর হরফ ৩টি-আলিফ, ওয়াও ও ইয়া।
আল্লাহ এই পৃথিবী, মানুষ, গাছপালা, পাহাড় ও নদীসহ বিশ্বজগতের সবকিছু সৃষ্টি করেছেন বলে তাকে আল-খালিক বা সৃষ্টিকর্তা বলা হয়।
আল্লাহ তার সব সৃষ্টির প্রতি অত্যন্ত দয়াবান; তিনি আলো, বাতাস ও পানি দিয়ে আমাদের সবাইকে বাঁচিয়ে রাখেন বলে আমরা তাকে আর-রাহমান বা পরম করুণাময় হিসেবে বুঝি।
ইমানের সাতটি মৌলিক বিষয় যথা-আল্লাহ, ফেরেশতা, কিতাব, রাসুল, পরকাল, তকদির এবং মৃত্যুর পর পুনরুত্থান সম্পর্কে বিস্তারিত বিশ্বাসকে ইমানে মুফাসসাল বলে।
আল্লাহ আমাদের কেবল তার ইবাদতের জন্যই সৃষ্টি করেছেন; ইবাদত করলে আল্লাহ খুশি হন এবং আমাদের আত্মা পরিশুদ্ধ ও শান্ত হয়।
সালাত শুরু করার আগে শরীর, কাপড় ও জায়গা পবিত্র করা এবং কিবলামুখী হওয়ার মতো শর্তগুলো মানা জরুরি, কারণ এগুলো পালন না করলে সালাত শুদ্ধ হয় না।
সালাতের শুরুতে 'আল্লাহু আকবার' বলে হাত তোলাকে তাকবির-ই-তাহরিমা বলে, যার মাধ্যমে সালাত শুরু হয়।
সালাতে কুরআন তিলাওয়াত করা ফরজ, তাই ভুল উচ্চারণ এড়িয়ে শুদ্ধভাবে পড়ার জন্য এটি শেখা জরুরি।
: জযম হলো হরকতহীন হরফকে আগের হরফের সাথে যুক্ত যুক্ত করে উচ্চারণ করা, আর তাশদিদ হলো একটি হরফকে দুইবার উচ্চারণ করা।
এই সূরায় আল্লাহ কুরাইশ বংশের ওপর তার নেয়ামতের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে কৃতজ্ঞতাস্বরূপ তার ইবাদত করার নির্দেশ দিয়েছেন।
আস সামিউ মানে আল্লাহ সবকিছু শোনেন, আর আল-বাছীরু মানে তিনি সবকিছু দেখেন।
মালিক মানে আল্লাহ সবকিছুর অধিপতি বা মালিক, আর কারিম মানে তিনি অত্যন্ত সম্মানিত ও সুমহান মর্যাদার অধিকারী।
আহকাম হলো সালাত শুরুর আগের শর্ত (যেমন- ওজু), আর আরকান হলো সালাতের ভেতরের কাজ (যেমন- রুকু-সিজদা)।
নিয়ত মনে মনে বলাই যথেষ্ট, মুখে উচ্চারণ করে বলা জরুরি নয়।
ছেলেরা নাভির ওপর বা নিচে হাত বাঁধে, আর মেয়েরা বুকের ওপর হাত বাঁধে।
রুকুতে বলতে হয় 'সুবহানা রাব্বিয়াল আজিম' এবং সিজদায় বলতে হয় 'সুবহানা রাব্বিয়াল আ'লা'।
ফরজের ৩য় ও ৪র্থ রাকাতে সূরা মেলাতে হয় না, কিন্তু সুন্নাত নামাজে ৩য় ও ৪র্থ রাকাতেও সূরা ফাতিহার সাথে অন্য সূরা মেলাতে হয়।
উভয়টিই টেনে পড়ার চিহ্ন, তবে তিন আলিফ চিহ্নের চেয়ে চার আলিফ চিহ্নের ক্ষেত্রে আরও বেশি টেনে পড়তে হয়।
আলখালিক, আর রাহমান, আর রব, আর রাজ্জাক এবং আলকাদির।
আলো, বাতাস, পানি, খাদ্য এবং সুস্থতা।
এতিম-মিসকিনকে সাহায্য করা, সত্য কথা বলা, সালাম দেওয়া, রোগীর সেবা করা এবং বড়দের সম্মান করা।
শরীর পবিত্র হওয়া, কাপড় পবিত্র হওয়া এবং কিবলামুখী হওয়া।
শরীর পবিত্র হওয়া, কাপড় পবিত্র হওয়া এবং কিবলামুখী হওয়া।
তাকবির-ই-তাহরিমা বলা, দাঁড়িয়ে সালাত পড়া এবং রুকু করা।
মীম দুই যের-মিন' এবং 'বা দুই যের-বিন'।
'হুম', 'কুম' এবং 'মিন'।
আল্লাহ', 'মুহাম্মদ' এবং 'রুব্বা'।
খাড়া যবর: 'আদম', 'যালিকা', খাড়া যের: 'বিহী'।
কেউ আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করলে আমি রাগ না করে বা অস্থির না হয়ে সহনশীল থাকব এবং তাকে ক্ষমা করে দেওয়ার সুযোগ খুঁজব।
আমি সব মানুষ এবং পশুপাখির প্রতি দয়া প্রদর্শন করব।
আল্লাহর সৃষ্টি গাছপালার যত্ন নেব এবং তার আদেশ পালন করে বেশি বেশি ইবাদত করব।
মনোযোগ দিয়ে পড়ালেখা করা এবং শিক্ষকদের সম্মান করাকেও আমি ইবাদত হিসেবে পালন করর।
জাকাত ও দান-সদকার গুরুত্ব প্রচার করে আমি সমাজ থেকে দারিদ্র্য ও বৈষম্য দূর করতে অবদান রাখতে পারি।
কুরআন পড়ার সময় কোনো হরফে তাশদিদ দেখলে সেটি দুইবার উচ্চারণে এবং জযম দেখলে আগের হরফের সাথে মিলিয়ে পড়ব।
সালাতে সূরা ফাতিহা বা অন্য সূরা পড়ার সময় যেসব হরফ টেনে পড়া দরকার, সেগুলো পরিমাণমতো টেনে সহিহভাবে পড়ব।
আল্লাহ আমাকে যে নিরাপদ জীবন ও খাদ্য দিয়েছেন, তার জন্য সবসময় কৃতজ্ঞ থাকব ইবাদতে মশগুল থাকব।
আকিদা শব্দটি আররি 'আকাদা' থেকে এসেছে যার অর্থ হলো দৃঢ়ভাবে বাঁধা। অন্তরে যে বিষয়গুলোর প্রতি গভীর ও দৃঢ় বিশ্বাস স্থাপন করা হয় তাকেই আকিদা বলা হয়। ইসলামের মৌলিক বিষয়সমূহের প্রতি এই বিশ্বাস রাখাই একজন মুমিনের প্রধান কাজ।
আল্লাহ তায়ালার অনেকগুলো সিফাতি বা গুণবাচক নাম রয়েছে। এই গুণবাচক নামসমূহকে একত্রে 'আল-আসমাউল হুসনা' বা সুন্দরতম নামসমূহ বলা হয়।
আমাদের প্রাণপ্রিয় মহানবি হজরত মুহাম্মদ (স.) 'আসমাউল হুসনা' বা আল্লাহর সুন্দর নামসমূহ সম্পর্কে বলেছেন, "আল্লাহর নিরানব্বইটি নাম আছে, একটি কম একশোটি। যে ব্যক্তি সেগুলো মুখস্থ করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।" (সহিহ বুখারি)
আল্লাহর গুণবাচক নামগুলোকে আল-আসমাউল হুসনা বলা হয়। কারণ এগুলো মহান আল্লাহর সুন্দর, উত্তম এবং পরিপূর্ণ গুণকে প্রকাশ করে। যেমন- খালিকুন (১৫) অর্থ সৃষ্টিকর্তা। মহান আল্লাহ বিশ্বজগতের সবকিছুর সৃষ্টিকর্তা।
খালিক' শব্দের অর্থ হলো সৃষ্টিকর্তা। মহান আল্লাহ এই বিশাল বিশ্বজগৎ এবং এর মধ্যকার মানুষ, গাছপালা ও পশু-পাখিসহ সবকিছুর একমাত্র সৃষ্টিকর্তা। তার নিপুণ সৃষ্টি হিসেবেই আমরা পৃথিবীতে বেঁচে আছি।
রাজ্জাক' শব্দের অর্থ হলো রিজিকদাতা। আমরা প্রতিদিন যেসব সুস্বাদু খাবার খাই এবং পানি পান করি, তা সবই আল্লাহর দেওয়া রিজিক। তিনি কেবল আমাদেরই নন, বরং জগতের সকল প্রাণীকে রিজিক দান করেন।
রাজ্জাক' শব্দের অর্থ হলো রিজিকদাতা। আমরা প্রতিদিন যেসব সুস্বাদু খাবার খাই এবং পানি পান করি, তা সবই আল্লাহর দেওয়া রিজিক। তিনি কেবল আমাদেরই নন, বরং জগতের সকল প্রাণীকে রিজিক দান করেন।
'হালীম' শব্দের অর্থ হলো অত্যন্ত সহনশীল। আমরা কোনো অপরাধ করলে আল্লাহ আমাদের সাথে সাথেই শাস্তি না দিয়ে অনুতপ্ত হওয়ার সুযোগ দেন। আল্লাহর এই গুণ থেকে শিক্ষা নিয়ে আমাদেরও সবার প্রতি সহনশীল ও ধৈর্যশীল হওয়া উচিত।
ইমান শব্দের অর্থ বিশ্বাস আর মুফাসসাল শব্দের অর্থ বিস্তারিত। ইমানের মৌলিক বিষয়গুলোর বিস্তারিত বিবরণকেই ইমানে মুফাসসাল বলা হয়। একজন মুসলমান হওয়ার জন্য এই বিস্তারিত বিষয়গুলোর ওপর বিশ্বাস স্থাপন করা অপরিহার্য।
ইমানের মৌলিক সাতটি বিষয় হলো- আল্লাহ, ফেরেশতাগণ, আসমানি কিতাবসমূহ এবং রাসুলগণের প্রতি বিশ্বাস। এছাড়া শেষ দিবস, তকদিরের ভালো-মন্দ এবং মৃত্যুর পর পুনরুত্থানের প্রতিওঁ বিশ্বাস।
ইবাদত একটি আরবি শব্দ যার অর্থ হলো আনুগত্য করা বা. মালিকের কথামত চলা। ইসলামি পরিভাষায় জীবনের সকল কাজে আল্লাহর বিধি-বিধান মেনে চলাকেই ইবাদত বলা হয়।
ব্যক্তিগত জীবনে ইবাদত আমাদের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আমাদের মনে প্রশান্তি নিয়ে আসে। ইবাদতের মাধ্যমে সময়ানুবর্তিতা ও নিয়মানুবর্তিতার অনুশীলন করতে পারি। নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চা করতে শিখি। ইবাদত আমাদের উত্তম আচরণ অনুশীলন করতে অনুপ্রাণিত করে।
সালাত শুরু করার আগে যেসব শর্ত বা কাজগুলো পালন করা জরুরি সেগুলোকে সালাতের আহকাম বলে। সালাতের আহকাম মোট সাতটি। এগুলো সঠিকভাবে পালন না করলে সালাত আদায় শুদ্ধ হয় না।
সালাতের ভিতরে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যেসব কাজ আদায় করতে হয় সেগুলোকে সালাতের আরকান বলে। সালাতের আরকান বা ভিত্তিগুলো মোট ছয়টি। সালাত সঠিকভাবে শেষ করার জন্য এই আরকানগুলো যথাযথভাবে পালন করা আবশ্যক।
সালাত শুরু করার জন্য প্রথমে 'আল্লাহু আকবার' বলতে হয়। সালাতের শুরুতে এই বাক্যটি বলাকেই তাকবির-ই-তাহরিমা বলে। এটি সালাতের প্রথম আরকান যা আদায় করা ফরজ।
পবিত্র কুরআন আল্লাহর নাজিলকৃত সর্বশেষ এবং শ্রেষ্ঠ আসমানি কিতাব। সালাতে কুরআন তিলাওয়াত করা ফরজ, তাই সহিহ বা শুদ্ধভাবে কুরআন তিলাওয়াত করা আবশ্যক। তিলাওয়াত শুদ্ধ না হলে সালাত সঠিক হবে না এবং অর্থের বিকৃতি ঘটতে পারে।
দুই যবর, দুই যের ও দুই পেশকে আরবি ভাষায় তানবিন বলা হয়.। আর কোনো হরফে যবর, যের বা পেশ না থাকা অবস্থায় পূর্বের হরফের সাথে যুক্ত করার চিহ্নকে জযম বলে। কুরআন শুদ্ধভাবে পড়ার জন্য এই চিহ্নগুলোর সঠিক উচ্চারণ জানা খুব জরুরি।
সূরা আল-কুরাইশ পবিত্র কুরআনের ১০৬তম সূরা। এ সূরার রুকুর সংখ্যা একটি এবং আয়াত সংখ্যা চারটি। সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়। এ সূরায় মহান আল্লাহ কুরাইশ বংশের ওপর তার নেয়ামতের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। তাদেরকে তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও ইবাদত করার নির্দেশ দেন।
এই সূরায় আল্লাহ কুরাইশ বংশের ওপর তার বিশেষ নেয়ামত ও নিরাপত্তার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। এর বিনিময়ে তিনি কুরাইশদের কেবল আল্লাহর ইবাদত ও শুকরিয়া আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন। এটি আমাদের শিক্ষা দেয় যে, আল্লাহর নেয়ামত পেয়ে তার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত।
Related Question
View Allআল-আসমাউল হুসনা' অর্থ হলো সুন্দরতম নামসমূহ l
ইমানে মুফাসসাল হলো ইমানের বিষয়গুলোর বিস্তারিত বিবরণ।
কেউ বিপদে পড়লে তাকে সাহায্য করাও ইবাদত
যের' এর পরে জযমযুক্ত 'ইয়া' থাকলে এক আলিফ পরিমাণ টেনে পড়তে হয়।
সালাতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করা ফরজ
আকাইদ একটি আরবি শব্দ। এটি একটি বহুবচন, যার একবচন হলো আকিদা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!