চট্টগ্রাম জনাব মুহিব উত্তরাধিকারসূত্রে ছোট্ট একটি শিল্প কারখানার মালিক হন। কিন্তু আর্থিক সংকট ও শ্রমিক বিদ্রোহের কারণে অল্প কিছুদিনের মধ্যে কারখানাটি তার হাতছাড়া হয়ে যায়। উদ্যমি মুহিব শূন্য অবস্থা থেকে আবার শুরু করেন। স্বীয় মেধা ও পরিশ্রম দ্বারা অনেকগুলো শিল্পকারখানা গড়ে তুলে দেশের প্রথম শ্রেণির শিল্পপতিতে পরিণত হন। মুহিবের সংগ্রামী জীবনের চিত্র জনসমক্ষে আসে যখন তিনি তার আত্মচরিত প্রকাশ করেন। তার আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থটি তাকে একজন সফল ব্যবসায়ীর পাশাপাশি একজন সুলেখকের পরিচিত এনে দেয়।
ফিরোজশাহ তুঘলক দিওয়ান-ই-বন্দেগান গঠন করেন কারণ, তিনি ছিলেন ক্রীতদাসদের প্রতি অনুরক্ত। তাই তিনি সিংহাসনে আরোহনের পর একটি বিরাট ক্রীতদাস বিভাগ গড়ে তোলেন। তার আমলে ক্রীতদাসের সংখ্যা ছিল ১,৮০,০০০, যার মধ্যে ৪০,০০০ ক্রীতদাস সুলতানের প্রাসাদে অবস্থান করত। সুলতান তাদের বিভিন্ন সেবা ও সুযোগ-সুবিধার জন্যই 'দিওয়ান-ই-বন্দেগান' গঠন করেন।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?