জীব দুই প্রকার। যথা: ১। উদ্ভিদ ও ২। প্রাণী।
উদ্ভিদ ও প্রাণীর মধ্যে তিনটি পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো-
| উদ্ভিদ | প্রাণী |
| ১. নিজের খাদ্য নিজেই তৈরি করতে পারে। | ১. নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে না। |
| ২. দেহে মূল, কাণ্ড এবং পাতা রয়েছে। | ২. দেহে হাত, পা, ডানা বা পাখনা রয়েছে। |
| ৩. এক স্থান থেকে অন্য স্থানে চলাচল করতে পারে না। | ৩. একস্থান থেকে অন্য স্থানে চলাচল করতে পারে। |
উদ্ভিদের চারটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. উদ্ভিদ নিজের খাদ্য নিজেই তৈরি করতে পারে।
২. উদ্ভিদের দেহে বিভিন্ন অংশ যেমন- মূল, কাণ্ড এবং পাতা রয়েছে।
৩. উদ্ভিদ মূলের সাহায্যে মাটি আঁকড়ে থাকে।
৪. মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত দৈহিক বৃদ্ধি ঘটে।
সুন্দরবনে জন্মানো চারটি উদ্ভিদের নাম হলো-
১. সুন্দরি,
২. গরান,
৩. কেওড়া ও
৪. গোলপাতা।
উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় নিজের খাদ্য নিজেই তৈরি করে।
প্রাণী উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল হওয়ার দুইটি কারণ হলো-
১. উদ্ভিদের ত্যাগ করা অক্সিজেন প্রাণী গ্রহণ করে বেঁচে থাকে।
২. প্রাণী নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে না, তাই খাদ্যের জন্য উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল থাকে।
চারটি সামুদ্রিক প্রাণীর নাম হলো-
১. তিমি,
২. ডলফিন
, ৩. কাঁকড়া ও
৪. হাঙ্গর।
ছায়াযুক্ত, স্যাঁতসেঁতে শীতল স্থানে জন্মে এমন দুইটি
উদ্ভিদ হলো- ১. মস ও ২. ফার্ন।
সুন্দরবন হলো একটি লবণাক্ত মাটির পরিবেশ, যা অন্য সকল অঞ্চল থেকে ভিন্ন হয়। কারণ অন্য সকল অঞ্চলের উদ্ভিদ মাটি থেকে সরাসরি শ্বাস গ্রহণ করতে পারে। কিন্তু সুন্দরবনের উদ্ভিদ লবণাক্ত মাটি থেকে সরাসরি শ্বাস গ্রহণ করতে পারে না।
শ্বাসগ্রহণের জন্য সুন্দরবনের উদ্ভিদের শ্বাসমূল থাকে। সুতরাং সুন্দরবনে জন্মানো উদ্ভিদ অন্যান্য অঞ্চল থেকে ভিন্ন হয়।
অন্য কোনো বড় উদ্ভিদের উপর জন্মে এমন দুইটি উদ্ভিদ হলো-১. স্বর্ণলতা ও ২. রান্না।
মরুভূমি হলো অত্যন্ত শুষ্ক স্থান যেখানে পানির পরিমাণ খুবই কম থাকে। এখানে বৃষ্টিপাত হয় না বললেই চলে।
মরুভূমিতে জন্মানো দুইটি উদ্ভিদের নাম হলো- ক্যাকটাস ও আনারস।
এসকল উদ্ভিদের চারটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. এরা কাঁটা জাতীয় উদ্ভিদ।
২. শুষ্ক স্থানে জন্মায়।
৩. কান্ড ও পাতা রসালো হয়।
৪. বহিরাবরণ মসৃণ হয় যা পানি ধরে রাখতে সাহায্য করে
পরিবেশের স্বাভাবিক অবস্থার পরিবর্তনই হলো পরিবেশ পরিবর্তন। ঝড়, বন্যা এবং খরার মতো প্রাকৃতিক কারণে পরিবেশের পরিবর্তন হয়। মানুষের বিভিন্ন কার্যকলাপের জন্যও পরিবেশের পরিবর্তন হয়।
বর্তমানে বাংলাদেশে বিপন্ন দুইটি জীব হলো-
১. তালিপাম ও ২. রয়েল বেঙ্গল টাইগার।
বাংলাদেশ থেকে বিলুপ্ত হয়েছে এমন তিনটি প্রাণী হলো-
১. লাল শির, ২. জাভা গণ্ডার ও ৩. রাজ শকুন
Related Question
View Allপরিবেশের যে স্থানে কোনো উদ্ভিদ বা প্রাণী বাস করে সেটিই তার আবাসস্থল।
উদ্ভিদ এবং প্রাণী পরিবেশের বিভিন্ন স্থানে বাস করে।
ঘনভাবে জন্মানো বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিদ সংবলিত প্রাকৃতিক স্থানই হলো বন।
লবণাক্ত পানির বিশাল ভাণ্ডার হলো সমুদ্র।
উট তার পিঠের কুঁজে চর্বি জমিয়ে রাখে।
উদ্ভিদ ও প্রাণী উভয়েই জীব।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!