তারুণ্যের প্রথম পর্যায়ে যখন যৌন বৈশিষ্ট্যসমূহ স্পষ্ট হয়ে ওঠে সে অবস্থাটিকে বয়ঃসন্ধি বলে।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allবয়ঃসন্ধিকাল হলো প্রাক-তারুণ্যের সময়কাল যা দ্রুত শারীরিক বৃদ্ধি ও যৌন পরিপক্বতার বিকাশকে চিহ্নিত করে।
বয়ঃসন্ধিকালে শিশুদের সঙ্গে বাবা-মায়ের আচরণ ইতিবাচক, গঠনমূলক ও সহানুভূতিশীল হওয়া উচিত।
বয়ঃসন্ধিকালে শিশুর প্রতি সবচেয়ে বেশি দায়িত্ব পালন করে বাবা-মা। মনোবিজ্ঞানীদের মতে বাবা-মা এ সময়ে শিশুদের প্রতি তিন ধরনের আচরণ করতে পারে। যেমন- সন্তানদের রক্ষণাবেক্ষণ ও সমর্থন তথা সন্তানদের খাওয়া-দাওয়া ও শারীরিক মঙ্গলের দিকে নজর দেবেন। সন্তানের প্রতি আবেগপ্রবণ হবেন তথা তাদের ভালোবাসবেন এবং তাদের বিপদে এগিয়ে আসবেন। সর্বশেষ পর্যায়ে বাবা-মা সন্তানদের সামাজিক শিক্ষা দিবেন এবং পরিবর্তনশীল পরিবেশের সাথে খাপ-খাইয়ে চলতে সহযোগিতা করবেন।
জাউদ্দীপকে রবির মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর অর্থনৈতিক প্রভাব বিদ্যমান।
জীবিকার নিমিত্তের জন্য অর্থনৈতিক প্রভাব বয়ঃসন্ধিকালের একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। এ সময়ে ছেলে-মেয়েরা অর্থনীতির কথা বিশেষভাবে চিন্তা করে; তারা ভাবে কীভাবে জীবিকা নির্বাহ করতে হবে। কোন পেশা নির্বাচন করলে সুখী হওয়া যাবে অথবা কোন বৃত্তি বাছাই করলে জীবনে সফলতা আসবে-এ সময়ে ছেলে মেয়েরা তা চিন্তা করে। উদাহরণস্বরূপ, যারা সাধারণ ছাত্রছাত্রী তারা মানবিক বিষয়ে পড়াশোনা করে জীবিকা নির্বাহ করবে; যারা ব্যাংক বিষয়ক কাজে বা হিসাবের কাজে নিজেদের নিবেদিত করতে চায় তারা ব্যবসায় শিক্ষাতে পড়াশোনা করবে। বয়ঃসন্ধিকাল থেকেই ছেলেমেয়ারা তাদের অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌছার জন্য তারা ভাবতে থাকে। পারিবারিক দুরবস্থা ও আর্থিক অস্বচ্ছলতা বয়ঃসন্ধিকালের সময়ে ছেলেমেয়েদের নিজের ও পরিবারের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করতে শেখায়।
প্রদত্ত উদ্দীপকে বর্ণিত রবির বয়স ১৪ বছর। সুতরাং রবি একজন কিশোর ও বয়ঃসন্ধিকালে অবস্থান করছে। তার ইচ্ছা ভবিষ্যতে একটা ভালো চাকরি করে তার পরিবারের দুঃখ কষ্ট দূর করবে। এ থেকে রবির পরিবারের আর্থিক অস্বচ্ছলতার চিত্র ফুটে উঠেছে। রবির মতো বয়ঃসন্ধিকালে প্রয়োজনীয় ও আকাঙ্ক্ষিত জিনিসের বস্তু বা অর্থের অভাব মানসিক বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে। ফলে অনেকে লেখাপড়া থেকে ঝরে পড়ে। আবার অনেকে বিপথগামী হয়ে পরিবার ও সমাজের জন্য ভয়ংকর হয়ে উঠে। তবে অনেকে এ সময়ে আদর্শ ব্যক্তিকে অনুসরণ করে ইতিবাচক জীবনের স্বপ্ন দেখে। মা-বাবার পরামর্শ এক্ষেত্রে ছেলেমেয়েকে বিশেষভাবে সহায়তা করে। অনেক ছেলেমেয়েকে পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়ে বয়ঃসন্ধিকালেই সংসারের হাল ধরতে হয়। আবার অনেককে এ বয়স থেকেই পেশা নির্বাচনের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার কথা চিন্তা করতে হয় যা উদ্দীপকে রবির ক্ষেত্রেও দেখা গিয়েছে।
নীল ও ডলির আচরণ পরিবর্তনের কারণ বয়ঃসন্ধিকাল হলেও বৈশিষ্ট্যের দিক দিয়ে সে পরিবর্তন ভিন্ন হয়' প্রশ্নোক্ত বক্তব্যটি যথার্থ হয়েছে বলে মনে আমি মনে করি।
বয়ঃসন্ধিকালে সবচেয়ে বেশি দৈহিক বৃদ্ধি ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের অনুপাতে পরিবর্তন সংঘটিত হয়। এ সময়ে ছেলেদের অন্ডকোষ বৃদ্ধি ঘটে, বগল ও গুপ্তস্থানে লোমের বৃদ্ধি, কণ্ঠস্বরের পরিবর্তন, দাড়ি জন্মায় এবং প্রথম বীর্যপাত শুরু হয়। অন্যদিকে মেয়েদের ক্ষেত্রে স্তন বৃদ্ধি পায়, গুপ্তস্থানে লোম ওঠে, ঋতুস্রাব শুরু হয় ও অন্যান্য লোমের বৃদ্ধি ঘটে। এ সময়ে ছেলেমেয়েরা মা-বাবা, ভাইবোন, শিক্ষক ও সঙ্গীদের কাছ থেকে কম সমবেদনা পায়। এ সময়ে ছেলেমেয়েরা একাকী থাকতে চায়, লাজুক হয় এবং আত্ম-প্রত্যয়ের অভাব থাকে।
প্রদত্ত উদ্দীপকের বর্ণনায় নীলের বয়স ১৪ বছর এবং তার বোন ডলির বয়স ১২ বছর। বয়ঃসন্ধিকালের বয়ক্রমানুযায়ী তারা উভয়েই বয়ঃসন্ধিকালে অবস্থান করছে। নীলের কন্ঠস্বরের হঠাৎ পরিবর্তন হওয়া; এজন্য কথা বলতে লজ্জা পাওয়া এগুলো বয়ো:সন্ধিকালে ছেলেদের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক ঘটনা। অন্যদাকে হঠাৎ করে শারীরিক পরিবর্তন আসলে ডলির মতো অনেকেই মন খারাপ করে একা বসে থাকে; সময় মতো খাওয়া-দাওয়া করে না এবং বিষণ্ণ থাকে। এক্ষেত্রে পারিপার্শ্বিক লোকজন ও মা-বাবার সহযোগিতাই ছেলেমেয়েদের এই পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সাথে খাপ-খাওয়াতে সহযোগিতা করে। তাহলে দেখা যায়, নীল ও ডলির আচরণ পরিবর্তনের কারণ হলো বয়ঃসন্ধিকাল, কিন্তু সে পরিবর্তন বৈশিষ্ট্যের দিক দিয়ে ভিন্ন ধরনের।
উদ্দীপকের নীল ও ডলির আচরণ পরিবর্তনের কারণ এক হলেও বৈশিষ্ট্যের দিক দিয়ে ভিন্ন। তাই প্রশ্নোক্ত বক্তব্যটিকে যথার্থ বলা যায়।
বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস পালিত হয় ১০ অক্টোবর।
বেকারত্ব হীনমন্নতা ও হতাশা সৃষ্টি করে মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি • ঝুঁকি বাড়ায়। বাংলাদেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা অনেক বেশি। শিক্ষিত যুব সমাজের প্রতি পরিবার ও সমাজের চাওয়া বর্তমানে অনেক বেশি। কিন্তু তারা যখন যোগ্যতানুযায়ী কর্মপায় না, তখন তাদের মাঝে হতাশা দেখা দেয়। এই হতাশা থেকে সে নানা রকম অসামাজিক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে। ফলে পারিবারিক অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা দেখা দেয় এবং শিশু ও অন্যান্য সদস্যদের মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। এভাবে বেকারত্ব মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করে থাকে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!