Related Question
View Allগরিবের কুটির থেকে শুরু করে বড় বড় অট্টালিকা তৈরিতে বাঁশ ব্যবহার করা হয়। গ্রামীণ কুটির শিল্পে, কৃষি উপকরণ এবং কাগজ ও রেয়ন তৈরির কাঁচামাল হিসেবে বাঁশ ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও খাল পারাপারের সাঁকো তৈরিতেও বাঁশ ব্যবহার করা হয়। এসব কারণে বাঁশকে নির্মাণ সামগ্রী বলা হয়।
সাজিদের দাদার বাগানের বিশেষ গুণসম্পন্ন ফলটির নাম কাঁঠাল।
কাঁঠাল একটি বহুবিধ ব্যবহার উপযোগী উদ্ভিদ। পাকা কাঁঠালের কোয়া খুবই মিষ্টি। এতে রয়েছে শর্করা ও ভিটামিন। এছাড়াও কাঁঠালে রয়েছে ক্যালসিয়াম, যা হাঁড় ও দাঁতের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কাঁচা কাঁঠাল এবং কাঁঠালের বীজ সবজি হিসেবে খাওয়া হয়। কাঁঠাল কাঠ খুবই উন্নত মানের, টেকসই ও ভালো পলিশ নেয়। তাই বাসগৃহের জানালা, দরজা ও আসবাব তৈরিতে এটি ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ, অর্থনৈতিক এবং পুষ্টিগত দিক দিয়ে এ ফলটি আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অতএব বলা যায় যে, উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যের কারণে ফলটি বিশেষ গুণসম্পন্ন।
গ্রামীণ জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশবান্ধব কৃষিতে সাজিদের ব্যবহৃত গাছটি হলো নিম।
নিম গাছের ব্যবহার অনেকভাবে হয়ে থাকে। চর্মরোগে এর পাতার রস ও তেল ব্যবহারে উপকার পাওয়া যায়। নিম পাতার রস কৃমির উপদ্রব কমায়। নিমের ডাল দাঁতের মাজন, নিমের খৈল জীবাণুনাশক এবং নিম গাছের বাকল বাতজ্বর, দাদ, বিখাউজ, একজিমা, দাঁতের রক্ত ও পুঁজ পড়া, ডায়রিয়া, জণ্ডিস ইত্যাদি রোগ নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়। এই গাছের বাকলের রস দাঁতের মাড়ি শক্ত করে। এছাড়া নিম পাতার নির্যাস শস্যের কীটনাশক হিসেবে ভালো কাজ করে, যা গ্রামীণ কৃষিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই বলা যায়, গ্রামীণ জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশবান্ধব কৃষিতে নিম গাছ - অত্যন্ত উপযোগী।
শীতকালে যে সকল উদ্ভিদের পাতা ঝরে যায় তাদের পত্রঝরা উদ্ভিদ (যেমন- মেহগনি) বলে।
কাঁঠাল গাছ জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে না। পানি জমে থাকে এমন জায়গায় কাঁঠাল গাছ রোপণ করলে তা মারা যায়। তাই বন্যামুক্ত উঁচু স্থানে কাঁঠাল গাছ রোপণ করতে হয়।
কৃত্রিমভাবে বাঁশের বংশবিস্তারে উপরে প্রদর্শিত চিত্রের 'ক' পদ্ধতিটি অর্থাৎ প্রাকমূল কঞ্চি কলম পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
ফাল্গুন থেকে আশ্বিন মাস পর্যন্ত সময়ে এক বছরের কম বয়সী বাঁশ থেকে শিকড় ও মোথাসহ কঞ্চি কলম করাত দিয়ে কেটে নিতে হবে। এরপর সংগ্রহ করা কলম দেড় হাত লম্বা করে কেটে বালি দিয়ে প্রস্তুতকৃত অস্থায়ী বেডে ৭-১০ সেমি গভীরে খাড়া করে বসাতে হবে। সতেজ চারা তৈরির জন্য নিয়মিত ২-৩ বার পানি দিতে হবে। তারপর পলিব্যাগে ৩: ১ অনুপাতে মাটি ও গোবরের মিশ্রণে চারা স্থানান্তর করতে হবে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
