নটরডেম কলেজের ছাত্র রণদীপ সমাজবিজ্ঞান পড়তে গিয়ে মধ্যযুগের তিউনিসে জন্মগ্রহণ করা একজন মুসলিম দার্শনিকের তত্ত্ব পড়ে আকৃষ্ট হয়। সমাজের উত্থান-পতন সম্পর্কে সে এই দার্শনিকের তত্ত্বকেই সঠিক এবং অভ্রান্ত মনে করত। একদিন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া সিফাত তাকে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের জনক হিসেবে বিখ্যাত জনৈক জার্মান দার্শনিকের সমাজের বিকাশ সম্পর্কিত তত্ত্ব বুঝিয়ে দেয়। তত্ত্বটি জানার পর রণদীপ সমাজ ও সভ্যতার বিকাশ সম্পর্কে নতুনভাবে ভাবতে শুরু করে।
সামাজিক পরিবর্তনে সমাজের বিশিষ্ট চিন্তাবিদেরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।
যুগে যুগে বিভিন্ন সমাজে এমন মহৎ ব্যক্তি জন্ম নেন যারা যুগসন্ধিক্ষণে বা দেশের সংকটময় মুহূর্তে তাদের চিন্তাচেতনা, বিবেক, মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে সমাজের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। এসব ক্ষণজন্মা ব্যক্তিরা শুধু নিজের দেশকেই আলোকিত করেন না বরং পৃথিবীর সব জাতিগোষ্ঠীকে সঠিক পথের সন্ধান দেওয়ার চেষ্টা করেন। যেমন- মহাত্মা গান্ধী, স্বামী বিবেকানন্দ, রাজা রামমোহন রায়, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, এ. কে. ফজলুল হক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রমুখ ব্যক্তিগণ সমাজের ক্ষণজন্মা ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম।
উদ্দীপকে উল্লিখিত মুসলিম মনীষীর সমাজবিজ্ঞান বিকাশের ক্ষেত্রে অবদানকে তুমি কীভাবে মূল্যায়ন করবে? যুক্তি উপস্থাপন করো।
(উচ্চতর দক্ষতা)আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?