রানা নীলফামারী সরকারি কলেজে সম্মান শ্রেণিতে পড়ার সময় দেখলো ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন কাজে ফটোকপি প্রয়োজন হয়। আশপাশে ফটোকপির দোকান না থাকায় তাদেরকে অনেক দূরে যেতে হয়। সে বাবার কাছ থেকে টাকা নিয়ে কলেজ মোড়ে ফটোকপির দোকান দেয়। তার অধ্যবসায়, আত্মবিশ্বাস ও সাহস তাকে সাফল্য এনে দেয়। তাকে দেখে এলাকার অনেকেই অনুপ্রাণিত হয়।
মেধা ও মন দিয়ে নতুন কোনো কিছু তৈরি করা বা ধারণা সৃষ্টি করাকে সৃজনশীলতা বলে।
উদ্যোক্তা হলেন একজন উদ্ভাবক। তিনি উদ্যোগ নেওয়ার মাধ্যমে অর্থনীতিতে নতুন কিছু সংযোজন করেন। তার উদ্ভাবন হতে পারে নতুন পদ্ধতি, যা এখনো উদ্ভাবন হয়নি। অথবা নতুন পণ্য যা ভোক্তা এখনো পায়নি। এটি কাঁচামালের নতুন উৎস ও নতুন পণ্যের বাজারও হতে পারে। এসব কাজ উদ্যোক্তার সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী গুণের সমন্বয়েই সম্ভব হয়।
সকল দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যবসায় উদ্যোগ ও উদ্যোক্তার অবদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আজকের উন্নত দেশগুলোর অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের ভিত্তি হচ্ছে উদ্যোক্তাদের সক্রিয় ভূমিকা। দেশে প্রাপ্ত সকল সম্পদ ও মানবসম্পদকে ব্যবহার করে এবং নিজেদের সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে তারা অবদান রেখে চলেছে। বাংলাদেশের মতো বিশাল জনসংখ্যার দেশে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও ব্যবসায় উদ্যোগ ও উদ্যোক্তার প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। এ অধ্যায়ে আমরা ব্যবসায় উদ্যোগের বিভিন্ন দিক, আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ব্যবসায় উদ্যোগের গুরুত্ব, সফল উদ্যোক্তার গুণাবলি ও উদ্যোগ উন্নয়ন পথে বাধা দূরীকরণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারব।

এ অধ্যায় শেষে আমরা:
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?