স্প্যাম হলো যন্ত্র দিয়ে তৈরি করা অপ্রয়োজনীয়, উদ্দেশ্যমূলক কিংবা আপত্তিকর ই-মেইল, যেগুলো প্রতি মুহূর্তে ব্যবহারকারীদের কাছে পাঠানো হয়। এই ই-মেইলগুলো সাধারণত বিজ্ঞাপন, প্রতারণা বা ভাইরাস ছড়ানোর উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়। স্প্যাম ব্যবহারকারীদের সময় নষ্ট করে এবং তাদের ইন্টারনেট ব্যবহারে বাধা দেয়।
এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-
• যন্ত্রপাতির নিরাপদ ব্যবহারের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব।
• তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারে নৈতিকতার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব;
• দুর্নীতি নিরসনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব
• পাসওয়ার্ড দিয়ে ডকুমেন্ট রক্ষা করার পদ্ধতি প্রয়োগ করতে পারব;
• ঝুঁকিমুক্তভাবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে সক্ষম হবং
• তথ্য অধিকার ব্যাখ্যা করতে পারব।
Related Question
View Allতথ্যপ্রযুক্তি আমাদের জীবনকে সহজ, দ্রুত এবং কার্যকর করে তুলেছে। এটি ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে রাষ্ট্র পরিচালনা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিশ্ব আজ সংযুক্ত, যা যোগাযোগ ও তথ্যপ্রবাহকে সহজ করেছে। তবে, এর সাথে কিছু নিরাপত্তা ঝুঁকিও রয়েছে, যার প্রতিরোধে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
প্রত্যেকটি কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কেরই নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে, কেউ যেন সেই নিরাপত্তার দেয়াল ভেঙে ঢুকতে না পারে। নিরাপত্তার এ অদৃশ্য দেয়ালকে ফায়ারওয়াল বলা হয়। এটি একটি নিরাপত্তা প্রাচীরের মতো কাজ করে, যা ক্ষতিকারক ট্রাফিককে ফিল্টার করে এবং কেবল অনুমোদিত ডেটা এবং অ্যাপ্লিকেশনকে নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে দেয়।
ফায়ারওয়াল ইন্টারনেটের মাধ্যমে হওয়া হ্যাকিং, ভাইরাস আক্রমণ এবং অন্যান্য সাইবার হামলা থেকে কম্পিউটার এবং নেটওয়ার্ককে রক্ষা করে। এটি গোপনীয় তথ্য চুরি, সিস্টেম ক্র্যাশ এবং অন্যান্য ক্ষতি থেকে সিস্টেমকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। সহজ কথায়, ফায়ারওয়াল একটি কম্পিউটার সিস্টেমের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
হ্যাকিং হলো একটি কম্পিউটার সিস্টেমে অননুমোদিতভাবে প্রবেশ করার প্রক্রিয়া। হ্যাকাররা বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করে কম্পিউটার সিস্টেমের দুর্বলতা খুঁজে বের করে এবং তারপর সেই দুর্বলতাগুলো কাজে লাগিয়ে সিস্টেমে প্রবেশ করে। তারা গোপনীয় তথ্য চুরি করতে পারে, সিস্টেমকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে বা অন্যান্য অপরাধ করতে পারে।
পাসওয়ার্ড হলো ব্যবহারকারীর পরিচয় নিশ্চিত করার একটি মাধ্যম, যা অনুমোদিত ব্যক্তিকে নেটওয়ার্ক বা অ্যাকাউন্টে প্রবেশের সুযোগ দেয়। এটি সহজেই অনুমান করা যায় না এমন হতে হবে। সুরক্ষার জন্য শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত, যেখানে সংখ্যা, অক্ষর ও চিহ্নের মিশ্রণ থাকবে এবং নিয়মিত পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা উচিত
নেটওয়ার্ক সংযোগে পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা হয় মূলত একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে। এটি নিশ্চিত করে যে, কেবল অনুমোদিত ব্যক্তিরাই নেটওয়ার্কের তথ্য ও সেবাগুলো অ্যাক্সেস করতে পারবেন। পাসওয়ার্ড একটি গোপন কোড যা ব্যবহারকারীকে তার পরিচয় নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। এটি অবৈধ প্রবেশ, তথ্য চুরি এবং অন্যান্য সাইবার হামলা থেকে নেটওয়ার্ককে রক্ষা করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!