সভ্যতার ক্রমবিবর্তনের ধারায় সূচনা লগ্নে ব্যবসায়ের পরিসর ছিল অল্প ও সংকীর্ণ, তাই এর সাংগঠনিক রূপ ছিল সহজ, ছোট। যেমন—একমালিকানা, অংশীদারি। অষ্টাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি হতে শুরু হয়ে ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হলে শিল্প ও ব্যবসায়-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হয়। পূর্বেকার কায়িকশ্রমের স্থান দখল করে নেয় যন্ত্রপাতি এবং শুরু হয় বৃহদায়তন উৎপাদনের পালা । এমতাবস্থায় ব্যবসায় সংগঠনের প্রাথমিক রূপ তথা একমালিকানা ব্যবসায় এবং অংশীদারি ব্যবসায়ের পক্ষে এদের কতিপয় সীমাবদ্ধতার কারণে বৃহদায়তন পণ্যদ্রব্যাদির উৎপাদন ও বণ্টন কার্য পরিচালনা করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। ফলশ্রুতিতে এই পরিবর্তনের সাথে তাল মিলাতে যেয়ে অধিক মূলধন, সীমাবদ্ধ দায়, দক্ষ পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা এবং চিরন্তন অস্তিত্বের সুবিধা নিয়ে যুগোপযোগী ব্যবসায় সংগঠন হিসেবে যৌথ মূলধনী ব্যবসায়ের উদ্ভব ঘটে।
এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা জানতে পারব—
- কোম্পানী সংগঠনের ধারণা।
- কোম্পানী সংগঠনের বৈশিষ্ট্যসমূহ।
- কোম্পানী সংগঠনের প্রকারভেদ ।
- পাবলিক ও প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানীর মধ্যে পার্থক্য।
- কোম্পানী সংগঠনের গুরুত্ব।
- কোম্পানী সংগঠনের সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা।
- কোম্পানী সংগঠনের গঠন প্রক্রিয়া ।
- পরিমেলবন্ধের ধারণা, বিষয়বস্তু ও নমুনা
- পরিমেলবন্ধের গুরুত্ব
- পরিমেল নিয়মাবলির ধারণা ও বিষয়বস্তু
- পরিমেলবন্ধ ও পরিমেল নিয়মাবলির পার্থক্য
- বিবরণপত্রের বিষয়বস্তুসমূহ
- কোম্পানী নিবন্ধনপত্রের ধারণা ও নমুনা ।
- কার্যারম্ভের অনুমতিপত্র ।
- কোম্পানীর মূলধন সংগ্রহের উৎসসমূহ।
- শেয়ার এর ধারণা এবং প্রকারভেদ।
- ঋণপত্র এর ধারণা এবং প্রকারভেদ।
- শেয়ার ও ঋণপত্রের পার্থক্য।
- কোম্পানী সংগঠনের বিলোপ সাধন পদ্ধতি ।
- বাংলাদেশে কোম্পানী সংগঠনের বর্তমান অবস্থা ।
- বাংলাদেশে কোম্পানী সংগঠনের ভবিষ্যত সম্ভাবনার দিকগুলো ।
- সাম্প্রতিককালের বিকাশমান ব্যবসায়গুলোর ধারণা।
সূত্র: ক্যামব্রিয়ান পাবলিকেশন্স
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!