Academy

সুমনের দেশে কেন্দ্রীয় সরকার ও প্রাদেশিক বা স্থানীয় সরকারের মধ্যে ক্ষমতার কোনো বণ্টন নেই। সেখানে সকল ক্ষমতা সংবিধান অনুযায়ী কেন্দ্রের হাতে ন্যস্ত। 

উদ্দীপকে নির্দেশিত সরকারের সুবিধা-অসুবিধা বিশ্লেষণ কর। (প্রয়োগ)

Created: 10 months ago | Updated: 8 months ago
Updated: 8 months ago
Ans :

উদ্দীপকে নির্দেশিত সরকার হলো এককেন্দ্রিক সরকার। এ ধরনের সরকারব্যবস্থায় গোটা দেশ একটি কেন্দ্র থেকে শাসিত হয় বিধায় এ ব্যবস্থাকে এককেন্দ্রিক সরকার বলে। পৃথিবীর অনেক দেশে এ ধরনের সরকারব্যবস্থা প্রচলিত রয়েছে। এ ধরনের সরকারের কতিপয় সুবিধা ও অসুবিধা পরিলক্ষিত হয়। এককেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থা নমনীয়। কেননা কেন্দ্রীয় সরকার পরিস্থিতি অনুযায়ী যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম। আবার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা এক কেন্দ্র থেকে পরিচালিত হয় বিধায় বলিষ্ঠ ও দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব। অপেক্ষাকৃত ছোট বা ক্ষুদ্র রাষ্ট্রে এ শাসনব্যবস্থা উপযোগী। এছাড়াও রাষ্ট্রীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা, সুষ্ঠু শাসনের নিশ্চয়তা, জাতীয় সংহতি ও সহজ সরল গঠনপ্রকৃতি হলো এককেন্দ্রিক সরকারের গুণ। অন্যদিকে এ সরকারের কিছু অসুবিধা বা ত্রুটিও রয়েছে। স্বায়ত্ত শাসনবিরোধী, স্বৈরতান্ত্রিক প্রবণতা, আমলাদের দৌরাত্ম্য, আঞ্চলিক সমস্যা সমাধানে ব্যর্থতা, স্থানীয় নেতৃত্বের বিকাশ না ঘটা, সমস্যা সমাধানে অসুবিধা, বৃহৎ রাষ্ট্রের জন্য অনুপযোগী কেন্দ্রের কাজের চাপ বৃদ্ধি, বিপ্লবের সম্ভাবনা প্রভৃতি অসুবিধা এ সরকারে লক্ষ করা যায়। অতএব বলা যায়, সুমনের দেশে বিদ্যমান থাকা এককেন্দ্রিক সরকারের উপরিউক্ত সুবিধা-অসুবিধা রয়েছে।

10 months ago

সরকার কাঠামো

**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View More

গণচীনে সমাজতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা প্রচলিত।

বিচার বিভাগ জনগণের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে কাজ করে। কিন্তু যদি এটি স্বাধীনভাবে কাজ করতে না পারে, তবে অনেক ক্ষেত্রেই নিরপেক্ষভাবে কাজ সম্পন্ন করতে পারে না। বিচার বিভাগকে অনেক সময় সরকারের বিরুদ্ধে রায় দিতে হয়। সরকারের অন্য কোনো বিভাগের অধীনে থেকে কাজ করলে সব সময় সরকারের বিরুদ্ধে যাওয়া সম্ভব হয় না। এজন্য ন্যায়বিচারের স্বার্থে বিচার বিভাগকে স্বাধীন রাখতে হয়।

A চিহ্নিত সংস্থাটি আইন প্রণয়নকারী সংস্থা বা আইনসভা।
রাষ্ট্রের তিনটি মৌলিক অঙ্গের মধ্যে আইনসভা বা আইন বিভাগ অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি শাখা। সংসদীয় সরকারব্যবস্থাতে আইনবিভাগের গুরুত্ব ও ভূমিকা অনেক বেশি। আইন বিভাগের প্রধান কাজ হলো আইন প্রণয়ন করা। সংসদীয় সরকারব্যবস্থায় আইনসভা শাসন বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করে। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট তাদের কাজের জন্য দায়ী থাকে। আইনসভা এখানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূল অংশের কাজ করে। জনপ্রতিনিধিরা আইনসভায় জনগণের প্রতিনিধিত্ব করেন। আইন প্রণয়ন ছাড়াও সংবিধান প্রণয়ন, সংশোধন, আলোচনা, বিতর্ক, জনমত গঠন, আর্থিক বিবৃতি প্রণয়ন, তু রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, বিচারসংক্রান্ত কাজ, শাসনসংক্রান্ত কাজ, সমালোচনামূলক কাজ ইত্যাদি করে থাকে। সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় আইনসভা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

সরকারের তিনটি মৌলিক বিভাগের মধ্যে কাজ সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া আছে। রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা আইন বিভাগের কাজ। আইন অনুসারে দেশ পরিচালনা করা শাসন বিভাগের কাজ এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা বিচার বিভাগের কাজ।

উদ্দীপকে চিহ্নিত A এবং B-তে যথাক্রমে আইন ও শাসন বিভাগের কথা বলা হয়েছে। একটি দেশ পরিচালনা তথা নিয়ন্ত্রণের মূল দায়িত্বে থাকে এই দুটি বিভাগ। একটি দেশের শাসন বিভাগ ব্যাপক অর্থে রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে গ্রামের চৌকিদার পর্যন্ত বিস্তৃত কর্মী বাহিনী নিয়ে গঠিত। শাসনকার্য পরিচালনা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, দেশরক্ষা, দেশের উন্নয়নমূলক কার্যাবলি পরিচালনা সবই শাসন বিভাগের হাতে ন্যস্ত। শাসন বিভাগ এসব কার্যাবলি সম্পন্ন করে আইন বিভাগ প্রণীত আইন অনুসারে।

শাসন বিভাগ তাদের কাজের জন্য আইন বিভাগের নিকট জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকে। শাসন বিভাগের কার্যাবলিকে বিভিন্নভাবে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে আইন বিভাগ। অন্যদিকে বিচার বিভাগ ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার জন্য বিচার করে থাকে। কিন্তু বিচার বিভাগের রায়কে বাস্তবায়ন করার দায়িত্বও থাকে শাসন বিভাগের হাতে। আবার বিচার বিভাগের প্রদত্ত রায় বা শাস্তিকে মওকুফ বা মার্জনার ক্ষমতা শাসন বিভাগের হাতে আছে। এ দিক থেকে দেখা যায়, রাষ্ট্রীয় কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণে আইন বিভাগ ও শাসন বিভাগ মূল নিয়ন্ত্রকের ভূমিকায় থাকে। শাসন বিভাগের শৃঙ্খলা ভেঙে পড়লে একটি রাষ্ট্র বিপন্ন হতে বাধ্য। আবার আইন বিভাগের নিয়ন্ত্রণ না থাকলে শাসন বিভাগ বেপরোয়া হয়ে যেতে পারে।

এদিক থেকে শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগ পরস্পর পরস্পরের পরিপূরক, নিয়ন্ত্রক এবং সমন্বয় সাধনকারী। রাষ্ট্র পরিচালনায় এই দুটি বিভাগের ভূমিকাও অনেকটা তত্ত্বাবধায়কের ন্যায়। তাই আমি মনে করি, একটি রাষ্ট্র উদ্দীপকে চিহ্নিত A এবং B দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

5 ব্রিটেনের আইনসভার নাম কী? (জ্ঞানমূলক)

Created: 10 months ago | Updated: 8 months ago
Updated: 8 months ago

ব্রিটেনের আইনসভার উচ্চকক্ষের নাম হাউস অব লর্ডস এবং নিম্নকক্ষের নাম হাউস অব কমন্স।

6 শাসন বিভাগ বলতে কী বোঝায়? (অনুধাবন)

Created: 10 months ago | Updated: 8 months ago
Updated: 8 months ago

সরকারের যে বিভাগ আইনসভা প্রণীত আইন অনুসারে রাষ্ট্রীয় শাসনকার্য পরিচালনা করে, তাকে শাসন বিভাগ বলে। অর্থাৎ আইন বিভাগ প্রণীত আইন অনুসারে যে বিভাগ দেশ শাসন বা পরিচালনা করে থাকে, তাই শাসন বিভাগ। সংকীর্ণ অর্থে শাসন বিভাগ হলো প্রজাতন্ত্রের নীতি ও কার্যক্রম নির্ধারণের দায়িত্ব প্রাপ্ত অংশ যেমন- প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রীবর্গ, আমলারা। আর ব্যাপক অর্থে আইন ও বিচার বিভাগ ব্যতীত প্রজাতন্ত্রের সকল অংশীজন শাসন বিভাগের আওতাভুক্ত।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...