সুমনের দেশে কেন্দ্রীয় সরকার ও প্রাদেশিক বা স্থানীয় সরকারের মধ্যে ক্ষমতার কোনো বণ্টন নেই। সেখানে সকল ক্ষমতা সংবিধান অনুযায়ী কেন্দ্রের হাতে ন্যস্ত।
উদ্দীপকে নির্দেশিত সরকার হলো এককেন্দ্রিক সরকার। এ ধরনের সরকারব্যবস্থায় গোটা দেশ একটি কেন্দ্র থেকে শাসিত হয় বিধায় এ ব্যবস্থাকে এককেন্দ্রিক সরকার বলে। পৃথিবীর অনেক দেশে এ ধরনের সরকারব্যবস্থা প্রচলিত রয়েছে। এ ধরনের সরকারের কতিপয় সুবিধা ও অসুবিধা পরিলক্ষিত হয়। এককেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থা নমনীয়। কেননা কেন্দ্রীয় সরকার পরিস্থিতি অনুযায়ী যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম। আবার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা এক কেন্দ্র থেকে পরিচালিত হয় বিধায় বলিষ্ঠ ও দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব। অপেক্ষাকৃত ছোট বা ক্ষুদ্র রাষ্ট্রে এ শাসনব্যবস্থা উপযোগী। এছাড়াও রাষ্ট্রীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা, সুষ্ঠু শাসনের নিশ্চয়তা, জাতীয় সংহতি ও সহজ সরল গঠনপ্রকৃতি হলো এককেন্দ্রিক সরকারের গুণ। অন্যদিকে এ সরকারের কিছু অসুবিধা বা ত্রুটিও রয়েছে। স্বায়ত্ত শাসনবিরোধী, স্বৈরতান্ত্রিক প্রবণতা, আমলাদের দৌরাত্ম্য, আঞ্চলিক সমস্যা সমাধানে ব্যর্থতা, স্থানীয় নেতৃত্বের বিকাশ না ঘটা, সমস্যা সমাধানে অসুবিধা, বৃহৎ রাষ্ট্রের জন্য অনুপযোগী কেন্দ্রের কাজের চাপ বৃদ্ধি, বিপ্লবের সম্ভাবনা প্রভৃতি অসুবিধা এ সরকারে লক্ষ করা যায়। অতএব বলা যায়, সুমনের দেশে বিদ্যমান থাকা এককেন্দ্রিক সরকারের উপরিউক্ত সুবিধা-অসুবিধা রয়েছে।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?