পিপীলিকা, পিপীলিকা,
দল-বল ছাড়ি একা
কোথা যাও, যাও ভাই বলি।
শীতের সঞ্চয় চাই,
খাদ্য খুঁজিতেছি তাই
ছয় পায়ে পিল পিল চলি।
উদ্দীপকের ছড়ার সঙ্গে 'চিঠি বিলি' ছড়ার মিল রয়েছে পিপীলিকা ও ব্যাঙের ভবিষ্যৎ ভাবনায়।
কথায় আছে ভবিষ্যতের ভাবনা ভাবা জ্ঞানীর কাজ। প্রকৃতি জগতে নানা কিছুর মধ্যে অনেক প্রাণীকে ভবিষ্যতের ভাবনা ভাবতে দেখা যায়। তারা জীবনযাপনের অতি প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো সংগ্রহের জন্য কাজ করে।
উদ্দীপকের ছড়ায় পিপীলিকা কোথায় যাচ্ছে কবি তা জানতে চেয়েছেন। তখন পিপীলিকা কবিকে বলেছে যে, সে শীতের জন্য সঞ্চর করে রাখতে খাদ্য খুঁজে বেড়াচ্ছে। তাই সে ছয় পায়ে পিলপিল করে চলছে। এখানে পিপীলিকার ভবিষ্যতের খাদ্য সঞ্চয়ের যে ভাবনা প্রকাশ পেয়েছে তার সঙ্গে 'চিঠি বিলি' ছড়ার ব্যাঙের ভাবনার মিল রয়েছে। ভেটকি মাছের নাতনির কাছে বিলের কাতলা চিঠি লিখে জানিয়েছে যে এ বছর খুব বৃষ্টি হবে। এই বৃষ্টির ভয়ে ব্যাঙ একটি ছাতা কিনে নিয়েছে। কারণ চিংড়ি মাঝির খেয়া নৌকার ওপর ব্যাঙের কোনো ভরসা নেই। এখানে ব্যাঙের ভবিষ্যৎ ভাবনা প্রকাশ পেয়েছে।
ছাতা মাথায় ব্যাঙ চলেছে
চিঠি বিলি করতে
টাপুস টুপুস ঝরছে দেয়া
ছুটছে খেয়া ধরতে।
খেয়ানায়ের মাঝি হলো
চিংড়ি মাছের বাচ্চা,
দু চোখ বুজে হাল ধরে সে
জবর মাঝি সাচ্চা।
তার চিঠিও এসেছে আজ
লিখছে বিলের খলসে,
সাঁঝের বেলার রোদে নাকি
চোখ গেছে তার ঝলসে।
নদীর ওপার গিয়ে ব্যাঙা
শুধায় সবায়: ভাইরে,
ভেটকি মাছের নাতনি নাকি
গেছে দেশের বাইরে?
তার যে চিঠি এসেছে আজ
লিখছে বিলের কাতলা:
এবার সারা দেশটি জুড়ে
নামবে দারুণ বাদলা।
তাই তো নিলাম ছাতা কিনে
আসুক এবার বর্ষা,
চিংড়ি মাঝির খেয়া না আর
ছাতাই আমার ভরসা।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?