ইসলামপুর ইউনিয়নের কামাল পাশা তার ইউনিয়নের উন্নতি নিয়ে সবসময় ভাবেন। তার সময়ে কৃষিকাজে ব্যাপক উন্নতি হয়। জনকল্যাণে তিনি অসংখ্য মসজিদ, বিদ্যালয়, সেতু, সড়ক, হাসপাতাল, নির্মাণ করেন। তিনি ডাক বিভাগ প্রবর্তন, সাম্য ও ন্যায়ের বাস্তব শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
কামাল পাশার কাজের সাথে হযরত উমর ফারুক (রা.)-এর কাজের মিল রয়েছে। কারণ হযরত উমর (রা.) খিলাফত প্রাপ্তির পর কৃষিকাজে ব্যাপক উন্নয়ন করেন, ডাক বিভাগের প্রবর্তন করেন। সাম্য ও ন্যায়ের বাস্তব শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। জনকল্যাণে তিনি অসংখ্য মসজিদ, বিদ্যালয়, সেতু, সড়ক, হাসপাতাল নির্মাণ করেন । যা কামাল পাশাও করেছেন। ইসলামপুর ইউনিয়নের উন্নয়নে কামল পাশা তার এলাকায় কৃষিকাজের ব্যাপক উন্নতি ঘটান। জনগণের কল্যাণে তিনি অনেক মসজিদ, বিদ্যালয়, সেতু, সড়ক ও হাসপাতাল নির্মাণ করেন। তিনি ডাক বিভাগেরও প্রবর্তন করেন। নিজ এলাকায় তিনি সাম্য ও ন্যায়ের বাস্তব শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। আমরা তার কাজগুলো পর্যবেক্ষণ করলে দেখতে পাই, হযরত উমর (রা.) যেমন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেছিলেন, কামাল পাশাও সেভাবে কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করেছেন, অর্থাৎ কামাল পাশার কর্মকান্ড হুবহু হযরত উমর (রা.)-এর উন্নয়ন কর্মসূচির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
আদর্শ জীবন বলতে বোঝায় যে জীবন অনুসরণ করলে জীবন সুন্দর ও সুগঠিত হয়। পৃথিবীতে এমন অনেক মহৎ ব্যক্তির আবির্ভাব ঘটেছে যাঁদের জীবনচরিত অন্যের জন্য আদর্শ। সুতরাং বাস্তব জীবনে এসব মনীষীর সমাজসেবামূলক কাজ, অসাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি, আত্মত্যাগ, ক্ষমা, পরমতসহিষ্ণুতা ও দেশপ্রেমসহ অন্যান্য গুণ অনুসরণ ও অনুকরণ করলে সুন্দর সুশৃঙ্খল ও সফল জীবন লাভ করা যায়।
এ অধ্যায় শেষে আমরা-
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?