দেশকে তাই যতটা পারা যায় কাছে থেকে দেখতে হবে। দেশ মানে এর মানুষ, জনপদ, নদী, আকাশ, প্রান্তর, পাহাড়, সমুদ্র এইসব। দেশ হলো আসলে জননীর মতো। মা যেমন স্নেহ মমতা ভালোবাসা। দিয়ে আমাদের আগলে রাখেন, দেশও তেমনই তার আলো বাতাস সম্পদ দিয়ে আমাদের বাঁচিয়ে রেখেছে। মাকে আমরা যেমন ভালোবালি, দেশকেও তেমনই ভালোবাসতে হবে। দেশকে ভালোবাসার মধ্য দিয়েই সার্থক হয়ে উঠবে আমাদের জীবন।
"চেতনাগত দিক থেকে উদ্দীপক এবং 'বঙ্গভূমির প্রতি' কবিতা একে অপরের পরিপূরক।”- মন্তব্যটি যথার্থ।
দেশ ও মা আমাদের কাছে অত্যন্ত ভালোবাসা ও শ্রম্বার। তাই দেশ ও মায়ের প্রতি আমাদের সচেতন ও দায়িত্বশীল থাকা উচিত।
উদ্দীপকে দেশের মানুষ প্রকৃতি সবকিছুর প্রতিই ভালোবাসা ফুটে উঠেছে। দেশ কীভাবে আমাদেরকে মায়ের মতো আগলে রাখে সেদিকটি প্রকাশ পেয়েছে। 'বঙ্গভূমির প্রতি' কবিতায় দেশের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার দিকটি প্রকাশিত হয়েছে। দেশের প্রকৃতি, দেশের সার্বিক সম্পদ কীভাবে কবির হৃদয়জুড়ে স্থান পেয়েছে সেদিকটি ফুটে উঠেছে।
উদ্দীপক ও কবিতায় দেশের প্রতি ভক্তি ও শ্রদ্ধার দিকটি ব্যক্ত হয়েছে। তাই বলা যায়, চেতনার দিক থেকে উদ্দীপক এবং 'বঙ্গভূমির প্রতি' কবিতা একে অপরের পরিপূরক।
রেখো, মা, দাসেরে মনে, এ মিনতি করি পদে।
সাধিতে মনের সাধ
ঘটে যদি পরমাদ,
মধুহীন করো না গো। তব মনঃকোকনদে।
প্রবাসে, দৈবের বশে,
জীব-তারা যদি খসে
এ দেহ-আকাশ হতে, নাহি খেদ তাহে।
জন্মিলে মরিতে হবে,
অমর কে কোথা কবে,
চিরস্থির কবে নীর, হায় রে, জীবন-নদে?
কিন্তু যদি রাখ মনে,
নাহি, মা, ডরি শমনে;
মক্ষিকাও গলে না গো পড়িলে অমৃত-হ্রদে।
সেই ধন্য নরকুলে,
লোকে যারে নাহি ভুলে,
মনের মন্দিরে সদা সেবে সর্বজন
কিন্তু কোন গুণ আছে,
যাচিব যে তব কাছে,
হেন অমরতা আমি, কহ, গো, শ্যামা জন্মদে।
তবে যদি দয়া কর,
ভুল দোষ, গুণ ধর
অমর করিয়া বর দেহ দাসে, সুবরদে! !
ফুটি যেন স্মৃতি-জলে,
মানসে, মা, যথা ফলে
মধুময় তামরসকী বসন্ত, কী শরদে
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?