জামিলুর রহমান জনগণের ভোটে একটি প্রতিষ্ঠানের সদস্য হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেন। এর ফলে তিনি আইন প্রণয়ন, সংশোধন, সরকারি নীতি প্রণয়ন, শাসন-সংক্রান্ত কর্মকান্ডে ভূমিকা রাখার আইনি বৈধতা পান। জামিলুর রহমান দেশের উন্নয়নে নিজেকে এ প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সিদ্ধান্ত নেন।
জামিলুর রহমান যে প্রতিষ্ঠানের সদস্য হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেন তা বাংলাদেশের আইনসভাকে নির্দেশ করে।
আধুনিক গণতান্ত্রিক সরকারব্যবস্থায় আইনসভার স্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শহরের কেন্দ্রস্থলে যেমন পানিকেন্দ্র স্থাপন করে শহরের আনাচে-কানাচে পানি সরবরাহ করা হয়, আইন পরিষদ তেমনি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সর্বত্র শক্তি, উৎসাহ ও উদ্দীপনা ছড়িয়ে দেয় এবং জাতীয় জীবনকে উজ্জীবিত করে তোলে। অতীতে স্বেচ্ছাচারতন্ত্রে আইন পরিষদের স্থান ছিল গৌণ এবং রাজতন্ত্রে তা ছিল বৈঠকি আসর সাজানোর উপকরণের মতো। কিন্তু জনমতের প্রাধান্য স্বীকৃত হওয়ার পর থেকে এর সুদিন ফিরে এসেছে। জনসাধারণের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত আইন পরিষদকে জনমতের সংস্থাও বলা হয়। এ পরিষদ জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী আইন প্রণয়ন, সংশোধন, পরিবর্তন, পরিবর্ধন, পরিমার্জন ও প্রয়োজনে বাতিল করে নতুন আইন ও সংবিধান প্রণয়ন করতে পারে। আইন পরিষদের সদস্যগণ আইন প্রণয়নের মাধ্যমে আইনসভাকে বিশেষ মর্যাদাদানে অবদান রাখে না।
আইনসভা শাসন বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ, মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারের মন্ত্রিসভা গঠন ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভূমিকা রাখে। সুতরাং, সরকারের তিনটি বিভাগের মধ্যে আইনসভার গুরুত্ব অপরিসীম।
উপর্যুক্ত ব্যাখ্যা শেষে বলা যায়, উদ্দীপকের জামিলুর রহমানের প্রতিষ্ঠানের উল্লিখিত কার্যক্রম যথা- আইন প্রণয়ন, সংশোধন, সরকারি নীতি প্রণয়ন, শাসনসংক্রান্ত কর্মকান্ড প্রভৃতি উপরিউক্ত প্রতিষ্ঠানের ব্যাখ্যার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, জামিলুর রহমান আইনসভার একজন সদস্য।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?