ঘটনা-১: সরকার নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্য বাজেটে ছয় হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখে।
ঘটনা-২ : সরকার দেশের বিচার বিভাগের স্বাধীনতা দান করে। বিচার বিভাগের জন্য আলাদা জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন গঠন কর।
টেকসই নেতৃত্ব ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা ছাড়াও দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারকে আরও অনেক উদ্যোগ নিতে হবে।
সুশাসনে সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করে বিচার বিভাগের আইনগত কাঠামোকে দৃঢ়তর অবস্থাকে পৌছায় যা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত্তি মজবুত করে। তাছাড়া রাষ্ট্র পরিচালনার পদ্ধতি, জনগণের সাথে সরকারের সম্পর্ক, দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠা, জবাবদিহিমূলক প্রশাসন এবং নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় সব রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করা অতীব জরুরি। ভিন্নতায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে না। মনে রাখতে হবে যে, সুশাসন মানব উন্নয়নের লক্ষ্যে এমন এক ধরনের রাষ্ট্রব্যবস্থা যেখানে আইনের শাসন, নাগরিক মতামতের স্বাধীনতা, আর্থসামাজিক উন্নয়ন এবং সর্বস্তরে জীবনমুখী, বাস্তবভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থার বাস্তবায়ন ঘটে। রাষ্ট্রের নির্বাচন ব্যবস্থা অবাধ ও নিরপেক্ষ হয়। রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে নারী ও পুরুষের সমান অংশগ্রহণপূর্বক দায়িত্বশীল সরকার জনকল্যাণ নিশ্চিত করে। অতএব, দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারকে আরও উদ্যোগ নিতে হবে- কথাটি সঠিক ও যথার্থ।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?