Academy

সংক্ষিপ্ত- প্রশ্নোত্তর সমাধান

বর্তমানে বাংলাদেশে কর্মক্ষেত্রে কোনটির প্রভাব ও ব্যবহার লক্ষ করা যাচ্ছে? (সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন)

Created: 4 months ago | Updated: 4 months ago
Updated: 4 months ago
Ans :

বর্তমানে বাংলাদেশে কর্মক্ষেত্রে কোনটির প্রভাব ও ব্যবহার লক্ষ আইসিটি করা  যাচ্ছে l

4 months ago

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং আমাদের বাংলাদেশ

💻 তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি – নবম-দশম শ্রেণি | NCTB অনুমোদিত

আপনি কি খুঁজছেন “ICT Class 9–10 PDF” বা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সহজ ব্যাখ্যাসহ পড়ার উপায়?

তাহলে আপনি ঠিক জায়গায় এসেছেন – SATT Academy–তে!
এখানে আপনি পাবেন NCTB অনুমোদিত ICT বইয়ের অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্ন–উত্তর, সহজ ব্যাখ্যা, লাইভ টেস্ট, ভিডিও লেকচার, ও PDF ডাউনলোড লিংক – একদম বিনামূল্যে!


✅ এখানে যা থাকছে:

  • প্রতিটি অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর
  • সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা (যেমন: ইন্টারনেট কীভাবে কাজ করে, সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যারের পার্থক্য)
  • লাইভ টেস্ট – পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি যাচাই করতে
  • বুকমার্ক, ছবি ও PDF ডাউনলোড সুবিধা
  • ভিডিও টিউটোরিয়াল – চিত্রসহ বোঝার জন্য
  • কমিউনিটি সম্পাদিত ও সর্বশেষ আপডেটেড কনটেন্ট

📥 সরকারি (NCTB) PDF ডাউনলোড লিংক:

🔗 ICT – Class 9–10 PDF Download

(এই লিংকে ক্লিক করে ICT বইটি পড়তে বা ডাউনলোড করতে পারবেন)


👨‍👩‍👧‍👦 উপকারিতা:

  • শিক্ষার্থীদের জন্য: ICT শেখা ও বোঝা সহজ হয়
  • শিক্ষকদের জন্য: ক্লাসে ব্যাখ্যা দেয়ার জন্য প্রস্তুত কনটেন্ট
  • অভিভাবকদের জন্য: সন্তানের ICT পড়ায় সহায়তা করতে পারবেন
  • টিউটরদের জন্য: প্রশ্নের ধরন অনুযায়ী রিভিশন করাতে সুবিধা

⚙️ কীভাবে ব্যবহার করবেন:

  • “All Chapter” বা অধ্যায় তালিকা থেকে অধ্যায় নির্বাচন করুন
  • প্রতিটি টপিকের প্রশ্ন–উত্তর ও ব্যাখ্যা পড়ুন
  • লাইভ টেস্ট দিয়ে নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন
  • বুকমার্ক করুন, প্রয়োজনমতো PDF বা ছবি ডাউনলোড করুন
  • নিজের মতামত/উদাহরণ যুক্ত করে শেখান ও শিখুন

✨ কেন SATT Academy থেকে ICT পড়বেন?

  • 💯 ১০০% ফ্রি এবং ক্লাস–ভিত্তিক সাজানো কনটেন্ট
  • 📘 NCTB বইয়ের প্রতিটি অধ্যায় কভার করা হয়েছে
  • 📱 মোবাইল–ফ্রেন্ডলি ডিজাইন, ভিডিওসহ লার্নিং টুলস
  • 🔍 টপিকভিত্তিক সার্চ ও বুকমার্ক সাপোর্ট
  • 🤝 কমিউনিটি যাচাইকৃত ও সবসময় আপডেটেড কনটেন্ট

🔍 সার্চ–সহায়ক কীওয়ার্ড (ইংরেজিতে):

  • ICT Class 9 10 PDF
  • NCTB Information and Communication Technology Book
  • ICT Bangla explanation SSC
  • ICT MCQ and CQ with answers Class 9 10
  • SATT Academy ICT video lecture
  • Computer hardware software class 9 10
  • Live test ICT Class 9 SSC
  • ICT paragraph and chapter wise solutions

🚀 আজই শুরু করুন!

SATT Academy–এর মাধ্যমে ICT বিষয়টিকে বুঝুন সহজ বাংলায়, অধ্যায়ভিত্তিক ব্যাখ্যা, প্রশ্ন–উত্তর, টেস্ট ও ভিডিওসহ — একদম ফ্রি!

💻 SATT Academy – প্রযুক্তি শেখার সহজ ও আধুনিক মাধ্যম।

Related Question

View More

কুড়িগ্রামের রৌমারি উপজেলার যাদুর চর গ্রামের মিলন গ্রামে বসেই উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করতে চায়। এক্ষেত্রে তাকে যে পদ্ধতির সাহায্য নিতে হবে তা হলো ই-লার্নিং। কম্পিউটার ল্যাপটপ, ইন্টারনেট, ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক স্মার্ট ফোন কিংবা টেলিভিশন চ্যানেল ব্যবহার করে দূরবর্তী অঞ্চলে পাঠদান ও পাঠ গ্রহণ করার ব্যবস্থাকে বলে ইলেক্ট্রনিক লার্নিং বা ই-লার্নিং। উচ্চশিক্ষা গ্রহণে সারা পৃথিবীতে ই-লার্নিংয়ের জন্য নানা উপকরণ তৈরি হতে শুরু করেছে। পৃথিবীর • বড় বড় অনেক বিশ্ববিদ্যালয় অসংখ্য কোর্স অনলাইনে উন্মুক্ত করে দিয়েছে এবং যে কেউ যেকোনো স্থান থেকে অনলাইনে কোর্সটি গ্রহণ করতে পারে। অনেক সময় একজন সেই কোর্সটি নেবার পর তার হোমওয়ার্ক জমা দিয়ে কিংবা অনলাইনে পরীক্ষা দিয়ে সেই কোর্সটির প্রয়োজনীয় ক্রেডিট অর্জন করতে পারবে। বাংলাদেশের যেকোনো

গ্রামে বসে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে চাইলে প্রয়োজন হবে একটি কম্পিউটার, ইন্টারনেট, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো এবং e-learing material। এছাড়া দেশের কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে বর্তমানে কম্পিউটারের পাশাপাশি মোবাইল ফোনও সাহায্য করে যাচ্ছে। একইভাবে মিলনও উক্ত সামগ্রীগুলো সংগ্রহ ও ব্যবহার করে ভর্তি হওয়া প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় ক্লাসে অংশগ্রহণ, হোমওয়ার্ক জমা দেওয়া, অনলাইনে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে প্রয়োজনীয় ক্রেডিট অর্জন করতে পারবে।


প্রযুক্তি নানামুখী সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কর্মসংস্থানের দ্বার উন্মুক্ত করেছে। কর্মসংস্থানের মূল হাতিয়ার এখন কেবলমাত্র আনুষ্ঠানিক শিক্ষাক্রমের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। পুরো বিশ্বেই আজ কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে অন্যতম চাহিদা হলো একজন কর্মীর প্রযুক্তিগত জ্ঞান। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বর্তমানে কর্মক্ষেত্রে আইসিটির বহুমুখী প্রভাব এবং ব্যবহার লক্ষ করা যাচ্ছে। মূলত প্রযুক্তিগতভাবে দক্ষ জনবল তৈরি হলে তাদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, ফলে সেখানে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে। প্রচলিত কর্মক্ষেত্রগুলোতে আইসিটির প্রয়োগের ফলে কর্মদক্ষতার বৃদ্ধি ও বাজার সম্প্রসারণ হচ্ছে, নতুন নতুন কর্মক্ষেত্র সৃষ্টি করেছে। বেকার সমস্যা বাংলাদেশের এক চিরন্তন সমস্যা। এ সমস্যা দূরীকরণের একমাত্র উপায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। আর এ কাজে তথ্য প্রযুক্তি বিশাল সম্ভাবনার সৃষ্টি করেছে। তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ে জ্ঞান থাকলে কর্মক্ষেত্রে এগিয়ে থাকা যায়, দ্রুত চাকরি পাওয়া যায়। ব্যাংক বীমা থেকে শুরু করে বহুজাতিক কোম্পানি, সরকারি দপ্তরে কাজ করার জন্য ওয়ার্ড প্রসেসিং, ইন্টারনেট ব্রাউজিং থেকে ই-মেইল, নানান ধরনের বিশ্লেষণী সফটওয়‍্যারে দক্ষ হতে হয়। আইসিটি ব্যবহার  

আত্মকর্মসংস্থান তৈরিতে সাহায্য করে। যেমন, আত্মকর্মসংস্থান তৈরিতে ই-কমার্স ব্যবস্থা ভূমিকা রাখছে। অন্যদিকে এখন ইন্টারনেটে বসে দেশের ভিতরে থেকে দেশের বাইরের বিভিন্ন ধরনের কাজ অর্থের বিনিময়ে করা যায়। একে বলা হয় outsourcing! আইসিটিতে দক্ষ কর্মীরা দেশের বাইরের প্রতিষ্ঠানে বা স্বতন্ত্রভাবে কাজ করতে পারে। outsourcing শিল্পকে কাজে লাগিয়ে আমাদের দেশের বিরাট জনগোষ্ঠী এখন বৈদেশিক অর্থ উপার্জন করতে পারছে। এতে বেকার জনগোষ্ঠীর বেকারত্বের অভিশাপ মোচন হচ্ছে। তাই বলা যায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে একজন দক্ষ মানুষ সহজেই বেকারত্ব দূর করে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।

আউটসোর্সিং কী? এর মাধ্যমে দেশ কীভাবে উপকৃত হতে পারে?
ইিবনে তাইমিয়া স্কুল এন্ড কলেজ, কুমিল্লা।
উত্তর: আউটসোর্সিং: বিশ্বব্যাপী কর্মসংস্থানের বাজার উন্মুক্ত করেছে
তঞ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। ইন্টারনেটের মাধ্যমে এক দেশে বসেই অন্য যেলের কোন কাজ করা যায়। পৃথিবীর বিভিন্ন উন্নত দেশ তাদের অনলাইন নির্ভর কাজগুলো অন্যান্য দেশের লোকজন দিয়ে করিযে নিচ্ছে। এই ধরনের কাজকে বলা হয় আউটসোর্সিং। অন্যভাবে বলা যায়; আউটসোর্সিং হচ্ছে কোন প্রতিষ্ঠানের কাজ নিজেরা না করে তৃতীয় কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সাহায্যে করিয়ে নেওয়া।
আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে দেশের উপকার: আউটসোর্সিং এখন একটি
শিল্পে পরিণত হয়েছে। আউটসোর্সিং শিল্পকে কাজে লাগিয়ে আমাদের দেশের শিক্ষিত বিরাট জনগোষ্ঠী এখন অর্থ উপার্জন করতে পারছে। আউটসোর্সিং এখন অনেকেরই পেশা হিসাবে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ প্রতি বছর আউটসোর্সিং হতে কয়েক মিলিয়ন ডলার আয় করে। শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠী এই শিল্পকে কাজে লাগিয়ে অনেকেই -স্বাবলম্বী হয়ে উঠছে। উন্নত বিশ্বের মত বালাদেশেও অনেকে এই খাতে বিনিয়োগ করছেন। ফলে বহু লোক সম্পৃক্ত হচ্ছে বিভিন্ন কাজে, সৃষ্টি হচ্ছে কর্মসংস্থান।

ওয়েবসাইট তৈরি, থ্রিডি এনিমেশন, গ্রাফিক্স ডিজাইন বা ছবি সম্পাদনা, ডাটা এন্ট্রি, লেখালেখি করা, কোন পণ্যের বাজার খুঁজে দেওয়া, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজ করা, ডেটা বিশ্লেষণ করা ইত্যাদিসহ আরো অসংখ্য কাজ এই পদ্ধতিতে করা সম্ভব।
আউটসোর্সিং বা ফ্রিল্যান্সিংকে কাজে লাগিয়ে দেশের অর্থনীতি তথা ব্যক্তি অবস্থার মান উন্নয়ন করা সম্ভব। এ শিল্পে ট্রেনিং এর মাধ্যমে একজন প্রতিবন্ধীও সাবলম্বী হতে পারে। উন্নত বিশ্ব আউটসোর্সিং এর অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছে। বাংলাদেশেও এই অনলাইন নির্ভর শিল্পটিকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। আউটসোর্সিং বিষয়ে প্রশিক্ষণের জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়সহ অনেক প্রতিষ্ঠান তৈরি হয়েছে। হয়ত অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশের কয়েক কোটি লোক এই শিল্পের সাথে সম্পৃক্ত হবে। এতে করে বেকারত্ব গুছিয়ে দেশ আয় করবে প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা, তৈরি হবে ব্যাপক কর্মসংস্থান।

শাসন ব্যবস্থা ও প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল পদ্ধতির প্রয়োগই হলো ই-গভর্ন্যান্স। স্বচ্ছতা এবং, জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। আর এ প্রক্রিয়ায় ডিজিটাল পদ্ধতির প্রয়োগে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়।
ই-গভর্ন্যান্সের মাধ্যমে প্রাপ্ত সুবিধাগুলো নিম্নে উল্লেখ করা হলো:

১. মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে এবং ইন্টারনেটে পরীক্ষার ফলাফল জানা যায়।
২. উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোবাইল ফোনে আবেদন করার সুবিধা পাওয়া যায়।
৩. স্বল্প সময়ে, কম খরচে এবং ঝামেলাহীনভাবে সেবা নিশ্চিত করা যায়।
৪. মোবাইল কিংবা অনলাইনের মাধ্যমে পরিসেবাসমূহের- বিল অর্থাৎ বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাসের বিল পরিশোধ করার সুবিধা পাওয়া যায়।
৫. ই-গভর্ন্যান্স চালুর ফলে সরকারি দপ্তরসমূহের মধ্যে আন্তঃসংযোগ বৃদ্ধি পায়।
৬. কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি পায়। দ্রুত সেবা প্রদান সম্ভব হয়।
৭. সেবা প্রদানে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়।
৮. ই-গভর্ন্যান্সের মাধ্যমে কোনো কোনো কার্যক্রমের সময় ২৪ x ৭ × ৩৬৫ দিনে পরিণত করা যায়। এতে করে নাগরিকেরা নিজেদের সুবিধাজনক সময়ে সেবা গ্রহণ করতে পারে।

ই-কমার্স (E-commerce) এর পূর্ণরূপ হলো- F'ectronic Commerce. ইলেকট্রনিক মাধ্যমে ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে লেনদেন করার
প্রক্রিয়াকে ই-কমার্স (E-commerce) বলে।
বাংলাদেশে ই-কমার্সের গুরুত্ব: ই-কমার্স হলো ইলেকট্রনিক মাধ্যমে
বাণিজ্য পদ্ধতি। ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সময়, অর্থ, জায়গা এবং নিরাপত্তা এ বিষয়গুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ। আর ই-কমার্স ব্যবস্থা ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয়ের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। এ ব্যবস্থায় ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয়েরই সময় এবং অর্থের সাশ্রয় হয়। বিক্রেতারা খুব কম পরিসরে এ ব্যবসা শুরু করতে পারেন এবং ক্রেতার কাছে তাদের পণ্যের পরিচয় সহজেই পৌঁছে দিতে পারেন। এ ব্যবস্থায় পণ্য বা অর্থের লেনদেনও অনেক নিরাপদ। আবার ক্রেতারা ঘরে বসেই পণ্য পছন্দ করেন এবং তা বিক্রেতার কাছ থেকে ঘরে বসেই মূল্যের বিনিময়ে পেয়েও যান। ই-কমার্স ব্যবসা পদ্ধতি ব্যবসা-বাণিজ্যকে । সহজ করে দিয়েছে।

ডিজিট শব্দটির অর্থ 'সংখ্যা বা অঙ্ক'। কম্পিউটারে ব্যবহার করার জন্যে সব কিছুকেই সংখ্যা বা অংকে রূপান্তর করতে হয় বলে ডিজিটাল শব্দটি আসলে কম্পিউটারে ব্যবহারের উপযোগী কিছু বোঝানোর জন্য ব্যবহার করা হয়। তবে ডিজিটাল বাংলাদেশ কথাটি শুধু একটি 'কম্পিউটার প্রস্তুত দেশ' হিসেবে ব্যবহার করা হয়নি। এটি আরো অনেক ব্যাপক। ডিজিটাল বাংলাদেশ বলতে আসলে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে গড়ে তোলা আধুনিক বাংলাদেশ বোঝানো হয়।
ডিজিটাল বাংলাদেশ-এর লক্ষ্যসমূহ হলো-
১. সারাদেশে ফাইবার অপটিক লাইন বসিয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত ইন্টারনেট সেবা প্রদান।
২. মানুষের হাতের নাগালে ফোনের ব্যবস্থা করে দেওয়া।

৩. মোবাইল ফোনের সাহায্যে ভর্তি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন, পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল জানা এবং বাস-ট্রেনের টিকেট কাটার ব্যবস্থা করা।
৪. ই-স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রতিটি সরকারি হাসপাতালে একটি করে মোবাইল ফোনের ব্যবস্থা করা।
৫. স্কুল-কলেজে তথ্য প্রযুক্তির পাঠ সংযোজন করা।
৬. দেশের প্রায় সকল ডাকঘরে ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেম চালু করা।
৭. আখচাষীদের ই-পূর্জি সেবার আওতায় আনা এবং এসএমএসের মাধ্যমে পূর্জি তথ্য চাষীদের জানানোর ব্যবস্থা করা।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...