সম্প্রতি চূর্ণা ও মিঠুনের হিন্দু ধর্মমতে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বিয়ের সময় তৃর্ণার বয়স ২২ এবং মিঠুনের ২৭ বছর। বিয়ের পূর্বে তাদের বিয়ে নিবন্ধিত হয়নি। তারা উভয়েই বিদেশে যাওয়ার জন্য মন স্থির করলে বিয়ে নিবন্ধন সনদের প্রয়োজন হয়। তারা বিয়ে নিবন্ধনের জন্য একজন মন্দির পুরোহিতের নিকট আসেন। পুরোহিত তাদের বিয়ে নিবন্ধন সনদ প্রদানে নিজের অযোগ্যতার কথা স্বীকার করেন এবং বিবাহ নিবন্ধকের মাধ্যমে এ সনদ প্রাপ্তির পরামর্শ দেন। তারা একটি নির্দিষ্ট সময় পরে সনদ গ্রহণ করেন।
হিন্দু বিবাহ রেজিস্ট্রেশন আইন অনুযায়ী বিয়ে নিবন্ধনে পুরোহিতদের অযোগ্যতা লক্ষ করা যায়।
সাধারণত শাস্ত্রমতে পুরোহিতের মাধ্যমে হিন্দু বিবাহ সম্পন্ন হয়ে থাকে। পুরোহিতই হিন্দু বিবাহ সম্পন্ন করে থাকেন। উদ্দীপকের তুর্ণা ও মিঠুন তাদের বিয়ে নিবন্ধনের জন্য মন্দিরের একজন পুরোহিতের নিকট যান। কিন্তু পুরোহিত তাদের বিয়ে নিবন্ধন সনদ প্রদানে নিজের অযোগ্যতার কথা স্বীকার করেন। কারণ হিন্দু বিবাহ রেজিস্ট্রেশন আইন-২০১২ অনুযায়ী বিবাহ নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে সরকার সিটি কর্পোরেশন বহির্ভূত এলাকার ক্ষেত্রে প্রতিটি উপজেলা এলাকায় একজন ব্যক্তিকে হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসেবে নিয়োগ দেন। নিবন্ধক হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্তির যোগ্যতা, অধিক্ষেত্র, নিবন্ধক কর্তৃক আদায়যোগ্য ফিস প্রভৃতি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হবে। নিয়োগপ্রাপ্ত হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক ছাড়া অন্য কেউ হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন করতে পারবে না। তাই মন্দিরের পুরোহিত তৃর্ণা ও মিঠুনকে বিবাহের নিবন্ধন সনদ দিতে নিজের অযোগ্যতার কথা স্বীকার করেন।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?