Academy

সরকারি চাকরিজীবী মতিন সাহেবের মাসিক বেতন ১৫,০০০ টাকা ছিল। কয়েক বছর আগে তার বেতন বেড়ে ২০,০০০ টাকা হয়েছিল। তাই তিনি প্রতিমাসে ৫,০০০ টাকা করে ব্যাংকে জমা রাখতেন। ৫ বছর পর মেয়াদ পূর্তি শেষে। প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে তিনি একটি পোল্ট্রি ফার্ম গড়ে তোলেছিলেন। বর্তমানে তার ব্যবসার অবস্থা ভালো। 

মতিন সাহেবের জমাকৃত অর্থ ও ব্যবসার কাজে লাগানো অর্থের মধ্যে কী সম্পর্ক বিদ্যমান? ব্যাখ্যা করো। (প্রয়োগ)

Created: 11 months ago | Updated: 8 months ago
Updated: 8 months ago
Ans :

উদ্দীপকে মতিন সাহেবের ব্যাংকে জমাকৃত অর্থ হলো সঞ্চয় এবং ব্যবসার কাজে লাগানো অর্থ হলো বিনিয়োগ। সঞ্চয় ও বিনিয়োগের - মধ্যে অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক বিদ্যমান।

মানুষ তার আয়ের যে অংশ বর্তমান ভোগের জন্য ব্যয় না করে ভবিষ্যতের - জন্য জমা করে রাখে তাকে সঞ্চয় বলে। আবার সঞ্চিত অর্থকে মূলধন - গঠনের উদ্দেশ্যে উৎপাদনক্ষেত্রে নিয়োগ করাকে বিনিয়োগ বলে। সঞ্চয় ও - বিনিয়োগের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। অন্যান্য অবস্থা স্থির থেকে আয় বাড়লে সঞ্চয় বাড়ে। আবার আয় বাড়লে বিনিয়োগও বাড়ে। অর্থাৎ সঞ্চয় হলো বিনিয়োগের উৎস। সঞ্চয় বৃদ্ধি পেলে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায়।

অন্যান্য অবস্থা স্থির থেকে সুদের হার বৃদ্ধি পেলে মানুষ সঞ্চয়ে উৎসাহিত হয়। অর্থাৎ সুদের হার বাড়লে সঞ্চয় বাড়ে। আবার সুদের হারের সাথে বিনিয়োগের সম্পর্ক বিপরীতমুখী। সুদের হার বাড়লে বিনিয়োগ কমে এবং সুদের হার কমলে বিনিয়োগ বাড়ে। এ অবস্থায় সঞ্চয় ও বিনিয়োগের মধ্যে বিপরিতমুখী সম্পর্ক বিরাজমান। অর্থনীতিতে যখন ভারসাম্য অবস্থা বজায় থাকে তখন সঞ্চয় = বিনিয়োগ হয়। কেইনসের মতে, জাতীয় আয় (Y) = C + 1 সঞ্চয় (S) = Y - C এবং বিনিয়োগ (I) = Y - C S = I হয়

9 months ago

সামগ্রিক আয় ও ব্যয়

**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View More

1 জিডিপি কী? (জ্ঞানমূলক)

Created: 11 months ago | Updated: 8 months ago
Updated: 8 months ago

কোনো নির্দিষ্ট সময়ে (সাধারণত এক বছরে) একটি দেশের ভৌগোলিক সীমারেখার মধ্যে যেসব দ্রব্য ও সেবাকর্ম উৎপন্ন হয় তার আর্থিক মূল্যকে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) বলে।

ব্যক্তি তার আয়ের সম্পূর্ণ অংশ ভোগ করতে পারে না, বরং ব্যয়যোগ্য আয় থেকে সে ভোগ করে।
একটি নির্দিষ্ট সময়ে ব্যক্তি তার আয়ের যে অংশটুকু ব্যয় করতে সক্ষম হয়, তাকে ব্যয়যোগ্য আয় বলে। সাধারণত, ব্যক্তিগত আয় থেকে সরকারকে প্রদেয় কর ও নিট ব্যবসায় সঞ্চয় বাদ দিয়ে হস্তান্তর পাওনা যোগ করলে তার ব্যয়যোগ্য আয় পাওয়া যায়। আর দেশের একজন নাগরিক হিসেবে কর প্রদান বাধ্যতামূলক হওয়ায় ব্যক্তি তার আয়ের সম্পূর্ণ অংশ ভোগ করতে পারে না। তাই বলা হয়, ব্যক্তির ভোগ তার আয় নয়, বরং ব্যয়যোগ্য আয়ের ওপর নির্ভর করে।

উদ্দীপকের তথ্য ব্যবহার করে ভোগ সূচি তৈরি করে প্রয়োজনীয় পরিমাপ গ্রহণ করে নিচে ভোগ অপেক্ষকটির রেখা অঙ্কন করা হলো

জাতীয় আয় (Y)

ভোগ ব্যয়বিন্দু (Y, C)

বিন্দু (Y, C)

১০০

a

১০০

১৯০

b

২০০

২৮০

c

৩০০

৩৭০

d

৪০০

৪৬০

e

উপরের সূচিতে লক্ষ করা যায়, জাতীয় আয় (Y) শূন্য হলে ভোগ ব্যয় (C) 100 একক হয় যা বিন্দু নির্দেশ করে। একইভাবে, জাতীয় আয় 100, 200, 300 ও 400 একক হলে ভোগ ব্যয় যথাক্রমে 190, 280, 370 ও 460 একক হয়। যা চিত্রে যথাক্রমে b, c, d ও বিন্দু দ্বারা নির্দেশিত হয়েছে। এখন প্রাপ্ত এই বিন্দুগুলো যোগ করলে পাওয়া যায় ভোগ রেখা। এটি হলো প্রদত্ত ভোগ অপেক্ষকের চিত্ররূপ।

উদ্দীপকে আয়স্তর শূন্য হলেও স্বয়ম্ভূত ভোগ ব্যয় বিদ্যমান থাকায় ভোগস্তর হবে 100 একক। নিচে তা উদ্দীপক অনুযায়ী বিশ্লেষণ করা হলো:
যে ভোগ ব্যয় আয়ের ওপর নির্ভর করে না তাকে স্বয়ম্ভূত ভোগ ব্যয় বলে। অর্থাৎ, আয় শূন্য হলেও এ ভোগ ব্যয় বজায় থাকে। সাধারণত, একটি নির্দিষ্ট বছরের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যে আয় হয় তা থেকে ভোগ ব্যয় সম্পন্ন হয়। এখন বিবেচ্য বছরের পূর্বে কোনো সময়ে জমানো অর্থ থেকে ভোক্তা কিছু ভোগ ব্যয় করে থাকে। এই ভোগ ব্যয়কেই বিবেচ্য বছরের স্বয়ম্ভূত ভোগ বলে।

প্রদত্ত ভোগ অপেক্ষকে Y = 0 হলে,

C = ১০০ + ০.৯Y

বা, C =১০০ +০.৯ ×০ [*: Y = ০ ]

বা, C = ১০০ + ০

বা, C = ১০০

C = ১০০একক।

এটিই হলো চলতি বছরের স্বয়ম্ভূত ভোগ ব্যয়। আর যেহেতু স্বয়ম্ভূত ভোগ ব্যয় আয়ের ওপর নির্ভর করে না, তাই আয়স্তর শূন্য হলেও ভোগ ব্যয় ১০০ এককে বজায় থাকে।

5 সামগ্রিক ব্যয় কী? (জ্ঞানমূলক)

Created: 11 months ago | Updated: 8 months ago
Updated: 8 months ago

একটি দেশে একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত একটি আর্থিক বছরে অসংখ্য দ্রব্যসামগ্রী ও সেবাকর্ম উৎপাদিত হয়, এগুলোর জন্য ভোক্তা সাধারণ, বিনিয়োগকারী ও সরকার যে ব্যয় করতে প্রস্তুত থাকে তার সমষ্টিই হলো সামগ্রিক ব্যয়।

প্রবাসীরা নিজ দেশের ভৌগোলিক সীমার বাইরে কর্মরত থাকে বিধায় তাদের আয় নিজ দেশের GDP-তে অন্তর্ভুক্ত হয় না।
কোনো নির্দিষ্ট সময়ে একটি দেশের ভৌগোলিক সীমারেখার মধ্যে দেশি-বিদেশি জনগণ মিলে যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন করে তার আর্থিক মূল্যের সমষ্টিকে মোট দেশজ উৎপাদন বা GDP বলে। আর প্রবাসীরা দেশের ভৌগোলিক সীমারেখার বাইরে কর্মরত থাকে বিধায় GDP-এর সংজ্ঞা অনুসারে তাদের আয় GDP-তে অন্তর্ভুক্ত হয় না। বরং তাদের আয় GNP-তে অন্তর্ভুক্ত হয়।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...