সরকারি চাকরিজীবী মতিন সাহেবের মাসিক বেতন ১৫,০০০ টাকা ছিল। কয়েক বছর আগে তার বেতন বেড়ে ২০,০০০ টাকা হয়েছিল। তাই তিনি প্রতিমাসে ৫,০০০ টাকা করে ব্যাংকে জমা রাখতেন। ৫ বছর পর মেয়াদ পূর্তি শেষে। প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে তিনি একটি পোল্ট্রি ফার্ম গড়ে তোলেছিলেন। বর্তমানে তার ব্যবসার অবস্থা ভালো।
উদ্দীপকে মতিন সাহেবের ব্যাংকে জমাকৃত অর্থ হলো সঞ্চয় এবং ব্যবসার কাজে লাগানো অর্থ হলো বিনিয়োগ। সঞ্চয় ও বিনিয়োগের - মধ্যে অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক বিদ্যমান।
মানুষ তার আয়ের যে অংশ বর্তমান ভোগের জন্য ব্যয় না করে ভবিষ্যতের - জন্য জমা করে রাখে তাকে সঞ্চয় বলে। আবার সঞ্চিত অর্থকে মূলধন - গঠনের উদ্দেশ্যে উৎপাদনক্ষেত্রে নিয়োগ করাকে বিনিয়োগ বলে। সঞ্চয় ও - বিনিয়োগের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। অন্যান্য অবস্থা স্থির থেকে আয় বাড়লে সঞ্চয় বাড়ে। আবার আয় বাড়লে বিনিয়োগও বাড়ে। অর্থাৎ সঞ্চয় হলো বিনিয়োগের উৎস। সঞ্চয় বৃদ্ধি পেলে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায়।
অন্যান্য অবস্থা স্থির থেকে সুদের হার বৃদ্ধি পেলে মানুষ সঞ্চয়ে উৎসাহিত হয়। অর্থাৎ সুদের হার বাড়লে সঞ্চয় বাড়ে। আবার সুদের হারের সাথে বিনিয়োগের সম্পর্ক বিপরীতমুখী। সুদের হার বাড়লে বিনিয়োগ কমে এবং সুদের হার কমলে বিনিয়োগ বাড়ে। এ অবস্থায় সঞ্চয় ও বিনিয়োগের মধ্যে বিপরিতমুখী সম্পর্ক বিরাজমান। অর্থনীতিতে যখন ভারসাম্য অবস্থা বজায় থাকে তখন সঞ্চয় = বিনিয়োগ হয়। কেইনসের মতে, জাতীয় আয় (Y) = C + 1 সঞ্চয় (S) = Y - C এবং বিনিয়োগ (I) = Y - C S = I হয়
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?