যুথি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। বাসা থেকে স্কুল বেশি দূরে নয়। কিন্তু স্কুল গেইটের সামনের গ্যারেজে কর্মরত কয়েকটি ছেলে প্রায়ই তাকে উত্ত্যক্ত করে। একদিন এক ছেলে তার ওড়না টেনে ধরে। ঘটনাটি স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানালে কর্তৃপক্ষ তা আমলে নেয় এবং ছেলেটিকে জরিমানা করে গ্যারেজ থেকে তাড়িয়ে দেয়। এর কিছুদিন পর প্রতিশোধ নিতে ছেলেটি যুথির মুখে এসিড ছুঁড়ে মারে। এতে সে গুরুতর আহত হয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত অপরাধ হচ্ছে এসিড নিক্ষেপ করে মুখের বিকৃতি ঘটানো। এক্ষেত্রে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন-২০০৩ অনুযায়ী উপযুক্ত শাস্তির বিধান রয়েছে।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন-২০০৩ অনুযায়ী যদি কোনো ব্যক্তি দহনকারী বা ক্ষয়কারী পদার্থ দ্বারা নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটায় বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করে তাহলে অভিযুক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে। এই কারণে যদি কোনো শিশু বা নারীর শ্রবণ শক্তি নষ্ট, যৌনাঙ্গ বা স্তন বিকৃতি ঘটে সেক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে। এছাড়া শরীরের অন্য কোনো অঙ্গহানি, বিকৃতি বা নষ্ট হলে চৌদ্দ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অতিরিক্ত ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হবে।
উদ্দীপকে দেখা যায় পাড়ার গ্যারেজের কর্মচারী একটি ছেলে যুথিকে এসিড ছুঁড়ে মারে। এতে যুথি মারাত্মক আহত হয়। এ অপরাধের শাস্তি হিসেবে ছেলেটি চৌদ্দ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অতিরিক্ত ৫০ হাজার টাকা জরিমানার দন্ড ভোগ করবে।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?