মেডিকেলে পড়ার সুযোগ পায়নি বলে সুইটি নাওয়া-খাওয়া সব বাদ দিয়েছে: যোগাযোগ বন্ধ করেছে বন্ধু-বান্ধবের সাথেও। তার সেই এককথা "আমাকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না'-সে আর পড়াশুনাও করতে চায় না। মেয়ের কথা শুনে বাবা হাসেন বলেন, "মানবজীবনই হলো সংগ্রামের, মেডিকেলে পড়াই জীবনের সব নয়, তুমি তোমার মেধা যে কোনো কাজে লাগিয়ে সফল হতে পার। কোনো সাধারণ বিষয়ে পড়াশুনা করে তুমি 'অসাধারণ' হয়ে উঠতে পারো, প্রতিটি দায়িত্বশীল ও সময়ানুবর্তী মানুষ পৃথিবীতে সফলতার স্বাক্ষর রেখেছেন। বাবার কথা মেনে সুইটি আজ একজন সফল বিসিএস কর্মকর্তা। অনেকের আদর্শ-অনুকরণীয়।
বলো না কাতর স্বরে বৃথা জন্ম এ সংসারে
এ জীবন নিশার স্বপন,
দারা পুত্র পরিবার তুমি কার কে তোমার
বলে জীব করো না ক্ৰন্দন;
মানব-জনম সার, এমন পাবে না আর
বাহ্যদৃশ্যে ভুলো না রে মন;
কর যত্ন হবে জয়, জীবাত্মা অনিত্য নয়
ওহে জীব কর আকিঞ্চন ।
করো না সুখের আশ, পরো না দুখের ফাঁস
জীবনের উদ্দেশ্য তা নয়,
সংসারে সংসারী সাজ, করো নিত্য নিজ কাজ,
ভবের উন্নতি যাতে হয় ।
দিন যায় ক্ষণ যায়, সময় কাহারো নয়,
বেগে ধায় নাহি রহে স্থির,
সহায় সম্পদ বল, সকলি ঘুচায় কাল,
আয়ু যেন শৈবালের নীর ।
সংসার-সমরাঙ্গনে যুদ্ধ কর দৃঢ়পণে,
ভয়ে ভীত হইও না মানব;
কর যুদ্ধ বীর্যবান, যায় যাবে যাক প্ৰাণ
মহিমাই জগতে দুর্লভ।
মনোহর মূর্তি হেরে, ওহে জীব অন্ধকারে,
ভবিষ্যতে করো না নির্ভর
অতীত সুখের দিনে, পুনঃ আর ডেকে এনে,
চিন্তা করে হইও না কাতর ।
মহাজ্ঞানী মহাজন, যে পথে করে গমন,
হয়েছেন প্রাতঃস্মরণীয়,
সেই পথ লক্ষ্য করে স্বীয় কীর্তি ধ্বজা ধরে
আমরাও হব বরণীয়
সমর-সাগর-তীরে, পদাঙ্ক অঙ্কিত করে
আমরাও হব হে অমর;
সেই চিহ্ন লক্ষ করে, অন্য কোনো জন পরে,
যশোদ্বারে আসিবে সত্বর ।
করো না মানবগণ, বৃথা ক্ষয় এ জীবন,
সংসার-সমরাঙ্গন মাঝে;
সঙ্কল্প করেছ যাহা, সাধন করহ তাহা,
রত হয়ে নিজ নিজ কাজে ।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?