কাবিল মিয়া দুষ্ট প্রকৃতির লোক। অনাথ জরিনা বেগমকে বিয়ে করে। বিয়ের পর কারণে-অকারণে জরিনাকে মারপিট করে। একদিন সে জরিনাকে এক নারী পাচারকারী দালালের কাছে বিক্রি করে দেয়। জরিনার মামা বিষয়টি জানতে পেরে কাবিলের বিরুদ্ধে মামলা করে।
সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় 'নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০০৩' গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
সমাজ থেকে নানা ধরনের অপরাধ নিরসনকল্পে আইন প্রণয়ন ও তার যথাযথ বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই। আমাদের সমাজে নারী ও শিশু নির্যাতন অন্যতম সামাজিক অপরাধের অন্তর্ভুক্ত। এর ফলে সমাজে শান্তি নষ্ট হয়। এ প্রেক্ষিতে সরকার ২০০৩ সালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনকে আরও কার্যকর করার জন্য ঢেলে সাজিয়েছে।
আমাদের সমাজে নারীরা প্রতিনিয়ত নানাভাবে ঘরে-বাইরে নির্যাতিত হচ্ছে। যৌতুকের কারণে তারা স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকদের দ্বারা নিগৃহীত হয়, কখনো যৌন নিপীড়নের শিকার হয়, আবার কখনো পড়ে পাচারকারীদের খপ্পরে। এভাবে অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হাত থেকে বাঁচতে এক সময় তারা আত্মহননের পথ বেছে নেয়। অন্যদিকে আমাদের সমাজে শিশুশ্রম, শিশু পাচার প্রভৃতি অপরাধমূলক ঘটনাও প্রতিনিয়ত ঘটে চলেছে। এ সকল অপরাধ নিরসনে আলোচ্য আইনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পূর্বেকার বলবৎ আইনগুলোর তুলনায় এ আইন নারী ও শিশু নির্যাতন দমনের ক্ষেত্রে অধিক ফলপ্রসূ। ফলে এ আইনটি সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত কার্যকর। তবে এই আইনের প্রয়োগকে আরও সুনিশ্চিত করা প্রয়োজন।\
পরিশেষে বলা যায়, আলোচ্য আইনটি যদি যথার্থভাবে প্রয়োগ করা যায় তবে সমাজ থেকে নারী ও শিশু নির্যাতন আরও হ্রাস পাবে।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?