বাংলাদেশের সমাজজীবনে নানারকম সমস্যা রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি হচ্ছে দারিদ্র্য, জনসংখ্যা স্ফীতি, নিরক্ষরতা, কুসংস্কার, যৌতুক প্রথা ও বাল্যবিবাহ। এসব সামাজিক সমস্যা ব্যক্তি ও সমাজের উপর ক্ষতিকর প্রভাব বিস্তার করে। এই ধরনের সামাজিক সমস্যার ফলে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এসব সমস্যার প্রতিরোধ ও প্রতিকার প্রয়োজন। এজন্য জনগণকে সচেতন হতে হবে।
এ অধ্যায় শেষে আমরা-
১. যৌতুকের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব;
২. যৌতুকের কারণ ও প্রভাব বিশ্লেষণ করতে পারব;
৩. যৌতুক নিরোধ আইনের ব্যাখ্যা করতে পারব;
8. যৌতুক প্রতিরোধ ও সমাধানে সামাজিক আন্দোলনের পদক্ষেপ বর্ণনা করতে পারব;
৫. বাল্যবিবাহের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব;
৬. বাল্যবিবাহের প্রভাব বিশ্লেষণ করতে পারব;
৭. বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে ব্যাখ্যা করতে পারব;
৮. বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনের ব্যাখ্যা করতে পারব;
আমাদের দেশের নানা সামাজিক সমস্যার অন্যতম হচ্ছে যৌতুক প্রথা। এদেশের বিবাহসংক্রান্ত আইনে যৌতুক আদান প্রদান নিষিদ্ধ। তবু অধিকাংশ বিয়েতে বরপক্ষ কনেপক্ষের কাছ থেকে যৌতুক গ্রহণ করে থাকে।
বিয়ের সময় বর বা কনে বিপরীত পক্ষের কাছ থেকে যে অর্থ বা সম্পত্তি দাবি করে ও গ্রহণ করে তাকেই বলা হয় যৌতুক। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় সব ক্ষেত্রেই বরপক্ষ কনেপক্ষের কাছ থেকে যৌতুক দাবি করে। এটি একটি সামাজিক কুপ্রথায় পরিণত হয়েছে।
যৌতুক একটি প্রাচীন প্রথা। প্রাচীন চীনে বিয়ের পর কনে স্বামীর ঘরে যৌতুক সঙ্গে নিয়ে যেত। এথেন্সেও বিয়ের পর কনে স্বামীর ঘরে নিয়ে যেত অর্থসম্পদ। সেখানে যৌতুক গ্রহণকে সামাজিক মর্যাদা হিসেবে দেখা হতো। বর্তমান বাংলাদেশে যৌতুক হচ্ছে বিয়ের সময় বরকে প্রদত্ত অর্থ, সম্পত্তি ও নানা ধরনের মূল্যবান আসবাব ও সরঞ্জাম। তবে বাংলাদেশের বিবাহ আইনে যৌতুক দেওয়া ও নেওয়া দুটোই নিষিদ্ধ।
বাংলাদেশে যৌতুক প্রথা একটি মারাত্মক সামাজিক সমস্যা। এর পেছনে রয়েছে নানা কারণ। তবে দারিদ্র্যের কারণেই এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করা হয়। দারিদ্র্যের কারণেই বরপক্ষ কনেপক্ষের কাছে অর্থসম্পদ দাবি করে। কনের পিতার অর্থসম্পদ ব্যবহার করেই বর প্রতিষ্ঠা লাভ করতে চায়।
বাংলাদেশের অনেক সম্পদশালী মানুষ তাদের কন্যার বিয়েতে বিপুল অঙ্কের যৌতুক দেয়। ধনী পিতামাতার ধারণা যৌতুকের কারণে তাদের কন্যা স্বামীর ঘরে মাথা উঁচু করে থাকবে। কেবল দারিদ্র্য না, পুরুষ হিসেবে সমাজে জন্মগ্রহন করাই সমাজে শ্রেয় বলে বিবেচিত হওয়া কিংবা নারী হিসেবে জন্মানো মানে কম সম্মানের বলে গন্য হওয়াও যৌতুক প্রথার অন্যতম কারণ হিসেবে কাজ করে। এটা নারীর মর্যাদাকে অবনমিত করে। সেজন্য এ মনোভাব দূর করতে হবে। সমাজে এ মনোভাব দূর না হলে যৌতুক কেবল আইন দিয়ে বন্ধ করা যাবে না। এ কারণেও যৌতুক প্রথা সমাজের গভীরে বাসা বেঁধেছে। আমাদের দেশে যৌতুক নিরোধের জন্য আইন রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে এ বিষয়ে না জানার কারণেও যৌতুক প্রথা সমাজে স্থায়ী রূপ লাভ করেছে। অনেক সময় এই আইনের যথাযথ প্রয়োগ না হওয়ায় যৌতুক সমস্যা বেড়েই চলেছে ।
বাংলাদেশের সকল সমাজেই যৌতুক প্রথার কমবেশি প্রচলন আছে। যৌতুকের প্রভাবে সমাজজীবনে নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। বিবাহিত নারীর প্রতি অত্যাচার ও সহিংসতার মূল কারণ যৌতুক। যৌতুকের কারণে স্বামীর সংসারে স্ত্রীকে নিগ্রহ ভোগ করতে হয়। যৌতুকের দাবি পূরণ করতে না পারলে অনেক ক্ষেত্রেই স্ত্রীকে সংসার ছাড়তে বাধ্য করা হয়। যৌতুকের কারণেই বিবাহবিচ্ছেদ ও কখনো কখনো স্ত্রীর প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে।
যৌতুকের জন্যই বিয়ের পর দাম্পত্যকলহ, নির্যাতন, স্ত্রী হত্যার মতো ঘটনা ঘটছে। সমাজে দারিদ্র্য, দুর্নীতি, অপরাধ প্রবণতা, বাল্যবিবাহ ও বহুবিবাহের মূলে রয়েছে এই যৌতুক সমস্যা। আমাদের মনে রাখা প্রয়োজন যে যৌতুক দেওয়া ও নেওয়া দুই-ই সমান অপরাধ।
কাজ- ১: যৌতুক সম্পর্কে তোমার পাশের সহপাঠীর সাথে (জোড়ায় কাজ) আলোচনা কর। কাজ- ২: যৌতুকের কারণে সমাজে কী কী অপরাধ ঘটতে পারে। সে বিষয়ে দলীয় আলোচনার মাধ্যমে উপস্থাপন কর। |
যৌতুক বন্ধ করার জন্য বাংলাদেশে ১৯৮০ সালে যৌতুক নিরোধ আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। এই আইন অনুযায়ী যৌতুক প্রদান বা গ্রহণ করলে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড বা পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড হতে পারে। অথবা যদি কোনো ব্যক্তি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কনে বা বরের পিতামাতা বা অভিভাবকের নিকট যৌতুক দাবি করে তবে সে ক্ষেত্রে অনুরূপ শাস্তি প্রাপ্ত হবে। বিচারক অপরাধীকে একসঙ্গে উভয় দণ্ড দিতে পারেন। যৌতুক আদান-প্রদানে সহায়তাকারীও একই শাস্তি পাবে।
১৯৮৬ সালে যৌতুক নিরোধ আইন সংশোধন করা হয়েছে। সংশোধিত আইন অনুযায়ী যৌতুক প্রদান বা গ্রহণ করলে অপরাধী সর্বনিম্ন একবছর এবং সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে। ১৯৮৩ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের বিধান অনুযায়ী যৌতুকের কারণে নির্যাতন করে নারীর মৃত্যু ঘটালে বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করলে অপরাধীকে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে। নারীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে ও যৌতুক গ্রহণের জন্যও কঠিন শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।
যৌতুক প্রথা বাংলাদেশের পরিবার ও সমাজ জীবনে ব্যাপক সমস্যার সৃষ্টি করেছে। এ প্রথার কুফল থেকে মুক্ত হতে হলে আমাদের সচেতন হতে হবে। যৌতুক প্রতিরোধ করার জন্য প্রথমেই সচেতন করতে হবে পরিবারকে। যৌতুক দেওয়া ও নেওয়া থেকে নিজেদের বিরত থাকতে হবে।
পরিবারের কন্যা সন্তানসহ সবাইকে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করা দরকার। তারা আত্মনির্ভরশীল হলে যৌতুকের অভিশাপ তাদের স্পর্শ করতে পারবে না।
কাজ- ১: যৌতুক নিরোধ আইনে কী বলা হয়েছে ব্যাখ্যা কর। |
যৌতুকের হাত থেকে মুক্তি পেতে চাইলে পরিবারের সঙ্গে সমাজের সবাইকে সচেতন করে তুলতে হবে। এ জন্যে যৌতুকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা দরকার।
সামাজিক আন্দোলন হচ্ছে সংগঠিত সামাজিক প্রতিরোধ। অশিক্ষা, দারিদ্র্য, নারী নির্যাতন ও নারী অপহরণ এসব ঘটনা আমাদের চারপাশে প্রতিদিন ঘটে চলেছে। এসব ঘটনার অধিকাংশের পেছনে রয়েছে যৌতুকের দাবি। আমাদের প্রতিবেশী এবং পাড়া-মহল্লা-গ্রামের মানুষকে যৌতুকের কুফল সম্পর্কে সচেতন করতে তুলতে হবে। এই কুপ্রথা প্রতিরোধ করার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাতে হবে। সমাজের সব মানুষের মধ্যে সৃষ্টি করতে হবে যৌতুকবিরোধী মনোভাব ও সচেতনতা।
কাজ-১: যৌতুকের কুফল সম্পর্কে সচেতন করার জন্য তুমি কী কী করবে তার একটি তালিকা তৈরি কর। |
বাল্যবিবাহ বলতে বোঝায় যে বিয়েতে বর ও কনে উভয়ই শিশু বা বর ও কনের মধ্যে যে কোনো একজন শিশু। ছেলে মেয়েদের মধ্যে শিশু বা কিশোরকালেও বিয়ের ঘটনা ঘটে বলে এ বিয়ে বাল্যবিবাহ নামে পরিচিত ।
বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ১৯২৯ (The Child Marriage Restraint Act, 1929, ACT NO. XIX OF 1929 and Bangladesh officials approved child marriage prevention Act of 2014) অনুযায়ী, শিশু বলতে ১৮ বছরের কম বয়সী মেয়ে এবং ২১ বছরের কম বয়সের ছেলেকে বোঝায়। সুতরাং যাদের মধ্যে বিয়ে হয় তাদের মধ্যে যদি ছেলের বয়স ২১ বছর এবং মেয়ের বয়স ১৮ বছরের কম অর্থাৎ বিয়ের জন্য আইন অনুমোদিত বয়সের চেয়ে উভয়ই যদি কম বয়সী হয় তাহলে সে বিয়েকে বাল্য বিবাহ বলে। শুধু ছেলের বয়স ২১ বছরের কম বা শুধু মেয়ের বয়স ১৮ বছরের কম হলে সে বিয়েও 'বাল্য বিবাহ' বলে গণ্য হবে।
বাংলাদেশে বাল্যবিবাহের প্রধান কারণ হচ্ছে দারিদ্র্য। দরিদ্র পিতা তার কন্যা সন্তানের জীবনযাপনের ব্যয়ভার বহন করতে না পেরে মেয়েকে দ্রুত বিয়ে দেবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। শুধু দারিদ্র্যের কারণে নয় অনেক সময় সামাজিক নিরাপত্তার অভাবে বাল্যবিবাহের প্রবণতা দেখা যায়।
বাল্যবিবাহের পিছনে বাবা-মা কিংবা দাদি-নানির শখও অন্যতম কারণ। অভিভাবকরাও অনেক সময় ছোটো ছেলে বা মেয়ের বিয়ে দিয়ে নিজেদের শখ পূরণ করেন।
বাল্যবিবাহের আরেকটা কারণ হলো যৌতুক। যৌতুকের ক্ষেত্রেও অনেক ছেলের বাবা কিশোরী কন্যাকে ঘরের বউ হিসেবে গ্রহণ করে।
কাজ- ১: তোমার অভিজ্ঞতায় নিজ পাড়া বা মহল্লার বাল্যবিবাহের কারণ শনাক্ত কর। |
বাল্যবিবাহের ফলে সমাজে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। যেমন, আমাদের দেশে মেয়েদের বিয়ের ক্ষেত্রে ১৮ এবং ছেলেদের ক্ষেত্রে ২১ বছর বেঁধে দেওয়া হলেও এর পূর্বে মেয়েদের বিয়ে হতে দেখা যায়। এক্ষেত্রে ছেলেমেয়েদের মানসিক ও শারীরিক পরিপক্কতা আসার পূর্বে তারা বাবা, মা হয়ে যায়। এতে কিশোরী মেয়েটি শারীরিক পুষ্টিহীনতার স্বীকার হয়ে দুর্বল ও পুষ্টিহীন শিশুর জন্ম দেয়। মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যুর হার বৃদ্ধি পায়।
শিশু কিশোরদের উপযুক্ত শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষিত হলে তারা সচেতন হবে এবং বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে ধারণা লাভ করবে। বাল্যবিবাহ শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে এগিয়ে আসতে হবে। মা-বাবাসহ অভিভাবকের সাথে খোলামেলা আলোচনা করতে হবে। তাছাড়াও ছেলেমেয়ে প্রত্যেককেই নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে। একটি আত্মনির্ভরশীল জাতি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বিশেষ করে মেয়েদেরকে এই বিষয়ে অধিক সচেতন হতে হবে।
বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন- ২০১৭ অনুযায়ী, বাল্যবিবাহ একটি অপরাধ। কোনো প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি এ অপরাধ করলে ০২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ড বা ০১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। কোনো অপ্রাপ্তবয়স্ক নারী বা পুরুষ বাল্যবিবাহ করলে, এ আইন অনুযায়ী, একমাস কারাদণ্ড বা পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে। পিতা-মাতা, অভিভাবক বা অন্য কোনো ব্যক্তি কোনো বাল্যবিবাহের অনুষ্ঠান সম্পাদন বা পরিচালনা করলে সর্বোচ্চ ০২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ড বা পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
কাজ-১: বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইনের একটি ধারা চিহ্নিত কর। কাজ-২: বাল্যবিবাহের কারণ চিহ্নিত কর। কাজ-৩: দলীয়ভাবে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে করণীয় কী হতে পারে তার একটি তালিকা তৈরি কর। |
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
১. যৌতুক নিরোধ আইন সংশোধন করা হয়েছে কত সালে?
ক. ১৯৮০
খ. ১৯৮৩
গ. ১৯৮৬
ঘ. ১৯৮৮
২. যৌতুক প্রথা প্রতিরোধে যেসব ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায় তা হচ্ছে-
i সকলকে সুশিক্ষিত করা
ii মেয়েদের আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলা
iii মানুষের মাঝে সচেতনতা তৈরি করা
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii
খ. i ও iii
গ. ii ও iii
ঘ. i, ii ও iii
নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং ৩ ও ৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও।
জনাব মিজান তার মেয়ে মরিয়মের বিয়ের সময় জামাইকে একটি হোন্ডা দেন। বিয়ের কিছুদিন পর মরিয়মের শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে টাকা আনতে বাবার বাড়ি পাঠায়। মরিয়ম টাকা আনতে ব্যর্থ হয়। ফলে তার উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন নেমে আসে।
৩. মরিয়ম কোন সামাজিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে?
ক. নিরক্ষরতা
খ. যৌতুক
গ. কুসংস্কার
ঘ. জনসংখ্যা স্ফীতি
8. উক্ত সমস্যার কারণ হচ্ছে-
i দারিদ্র্য
ii নারীর নির্ভরশীলতা
iii আইনের দুর্বল প্রয়োগ
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii
খ. i ও iii
গ. ii ও iii
ঘ. i, ii ও iii
সৃজনশীল প্রশ্ন
১. জাহিদ রক্ষণশীল পরিবারের একমাত্র সন্তান। নাসিমার সাথে জাহিদের বিয়েতে জাহিদের মা বাবা কিছু মূল্যবান উপহারসামগ্রী ও ব্যবসা করার জন্য ৫ লক্ষ টাকা নিতে চাইলে জাহিদ সেগুলো নিতে রাজি হয় নি। জাহিদ তাদেরকে বুঝিয়ে বলল যে, এগুলো গ্রহণ করা কিংবা এই প্রথাকে সমর্থন করা তার পক্ষে অসম্ভব। জাহিদের বাবা-মা নিজেদের ভুল বুঝতে পারলেন।
ক. এথেন্সে বিয়ের পর কনে স্বামীর ঘরে কী নিয়ে যেত?
খ. কন্যা সন্তানকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা কর।
গ. জাহিদের বাবা মায়ের প্রস্তাবটি আমাদের দেশের কোন প্রথাটিকে ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ. উদ্দীপকের উল্লেখিত প্রথার রোধ কল্পে কী কী পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে? তোমার মতামত দাও।
Read more