যে সাদৃশ্যমূলক অলংকারে উপমেয়কে উপমানের চেয়ে উৎকৃষ্ট বা নিকৃষ্ট করে দেখানো হয় তাকে ব্যতিরেক অলংকার বলে ।
শ্রেণিবিভাগ :
ব্যতিরেক অলংকার দুই প্রকার উৎকর্ষাত্মক ব্যতিরেক ও অপকর্ষাত্মক ব্যতিরেক।
উৎকর্ষাত্মক ব্যতিরেক :
যে ব্যতিরেক অলংকারে উপমেয়কে উপমানের চেয়ে উৎকৃষ্ট হিসেবে দেখানো হয় তাকে উৎকর্ষাত্মক ব্যতিরেক অলংকার বলে ।
উদাহরণ :
১।যে জন না দেখিয়াছে বিদ্যার চলন
সেই বলে ভালো চলে মরাল বারণ ।
২। নবীন নবনী নিন্দিত করে দোহন করিছ দুগ্ধ।
অপকর্ষাত্মক ব্যতিরেক :
যে ব্যতিরেক অলংকারে উপমেয়কে উপমানের চেয়ে নিকৃষ্ট করে দেখানো হয় তাকে অপকর্ষাত্মক ব্যতিরেক অলংকার বলা হয় ।
উদাহরণ :
১। এ পুরির পথমাঝে যত আছে শিলা
কঠিন শ্যামার মতো কেহ নহে আর ।
২। কণ্ঠস্বরে বজ্র লজ্জাহত।
৩। কিসের এত গরব প্রিয়া
কথায় কথায় মান অভিমান
এবার এসো ত্যাগ করিয়া
ভাটায় ক্ষীণা তরঙ্গিনী
ফের জোয়ারে দুকূল ভাঙে
জোয়ার গেলে আর কি ফেরে
নারী তোমার জীবন গাঙে।
Read more