৪.৪.২ ওয়াটার কুলারের যান্ত্রিক ও বৈদ্যুতিক বর্তনীর যন্ত্রাংশ সমূহ
- কম্প্রেসর
- কন্ডেন্সার
- কেপিলারী টিউব
- স্ট্রেইনার
- ইভাপোরেটর
- কভেলার ক্যান
- ওয়াটার ট্যাংক
- ওয়াটার লাইন
- ড্রেইন লাইন।
- ওয়াটার ফিল্টার
- বেসিন
- ওয়াটার ট্যাপ
ওয়াটার কুলারের রেফ্রিজারেশন সাইকেল দক্ষতার সাথে পরিচালনা করার জন্য ব্যবহৃত যন্ত্রাংশ নিয়ে গঠিত বর্তনীকে ইলেকট্রিক্যাল সার্কিট বলে।
ইলেকট্রিক্যাল যন্ত্রাংশসমূহ
- সাপ্লাই প্লান্স
- থার্মোস্ট্যাট সুইচ
- ওভারলোড প্রোটেক্টর
- ফ্যান মোটর
- রিলে
ক্ষমতা
কাজ করার হারকে ক্ষমতা বলে। অর্থাৎ একক সময় কতটুকু পরিমানের কাজ হয়েছে তা ক্ষমতা দিয়ে প্রকাশ করা হয়। এর ক্ষমতা লিটার / ঘন্টা বা প্যালন / ঘন্টা দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
ওয়াটার কুলারের ক্ষমতা
ওয়াটার ঝুলারের ক্ষমতা বলিতে আমরা বুঝি একটি ওয়াটার কুলারে প্রতি ঘন্টায় কত লিটার বা গ্যালন পানি ঠান্ডা হয়। অর্থাৎ এক ঘন্টায় একটি ওয়াটার কুলার কতটুকু পরিমাণ পানি ঠান্ডা করতে পারে।
ক্ষমতার আনুসাঙ্গিক বিষয়
একটি ওয়াটার কুপারের ক্ষমতা আবার নিচে উল্লেখিত বিষয়ের উপর নির্ভরশীল যথা-
- প্রবেশকৃত পানির তাপমাত্রা
- কম্প্রেসরের ক্ষমতা
- কুলিং করেলের দৈর্ঘ্য এবং ব্যাস
- কন্ডেন্সার এর ভাগ অপসারণ ক্ষমতা
- ক্যাপিলারির দৈর্ঘ্য এবং ব্যাস
- পানির ট্যাংক এর ইন্সুলেশন
- পানি ব্যবহারের পরিমাণ
- থার্মোষ্ট্যাট এর নিয়ন্ত্রণ
বর্ণনা
ওয়াটার কুলারে বেশীর ভাগ ব্যবহৃত হয় সিল্ড টাইপ রেসিপ্রোকেটিং কম্প্রেসর। এই কম্প্রেসরের সাথে লাগানো থাকে একটি ওভার লোড প্রোটেক্টরএবং একটি রিলে। বর্তমানে কারেন্ট কয়েল রিলের চাইতে P.T.C রিলে বেশী ব্যবহৃত হচ্ছে। এই ইউনিটে একটি বিশেষ যন্ত্রাংশ হলো কন্ডেন্সার ফ্যান । এই ফ্যান থার্মোষ্ট্যাট সুইচ এর পরবর্তী পয়েন্টের সাথে প্যারালালে সংযুক্ত থাকে অর্থাৎ কম্প্রেসর Off হলে Fan Off হবে।