E-mail আবিষ্কৃত হয় কত সালে?

Updated: 3 months ago
  • ১৯৭০
  • ১৯৭১
  • ১৯৭৩
  • ১৯৭৪
5.4k
উত্তরঃ

১৯৭১ সালে ই-মেইল সিস্টেম চালু হয়। 

ই-মেইল তথা ইলেক্ট্রনিক মেইল হল ডিজিটাল বার্তা যা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়। 

বিশ শতকের ষাট-সত্তরের দশকে ইন্টারনেট প্রোটোকল(INTERNET PROTOCOL)এর মাধ্যমে আরপানেট (ARPANET) এর জন্ম হয় ১৯৭১ সালে তখন আমেরিকার প্রোগ্রামার রোমান্ড স্যামুয়েল টমলিসন ই-মেইল এর সূচনা করেন

১৯৭২(RFC 561) খ্রিষ্টাব্দে তদানিন্তন আরপানেটে সর্বপ্রথম ইলেক্ট্রনিক মেইল প্রেরণ করা হয়। ই-মেইল পেতে প্রথম দিকের ই-মেইল ব্যবস্থায় প্রেরক এবং প্রাপক দুজনকেই অনলাইনে থাকতে হত।

ই-মেইল (E-mail) হলো একটি ইলেকট্রনিক বার্তা প্রেরণ পদ্ধতি, যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে কম্পিউটার, স্মার্টফোন, বা অন্য ডিভাইস ব্যবহার করে বার্তা, ফাইল, ছবি, এবং অন্যান্য সংযুক্তি পাঠানোর সুযোগ দেয়। ই-মেইল হলো এক ধরনের ডিজিটাল যোগাযোগ মাধ্যম, যা ব্যক্তিগত, অফিসিয়াল, এবং ব্যবসায়িক যোগাযোগের জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

ই-মেইল-এর বৈশিষ্ট্য:

১. দ্রুত বার্তা প্রেরণ:

  • ই-মেইল ইন্টারনেটের মাধ্যমে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে একটি বার্তা প্রেরণ করতে সক্ষম। এটি বিশ্বব্যাপী যোগাযোগকে দ্রুততর করে তোলে।

২. ফাইল সংযুক্তি (Attachments):

  • ই-মেইলের মাধ্যমে ফাইল, ছবি, ভিডিও, এবং অন্যান্য ডকুমেন্ট সংযুক্ত করে পাঠানো যায়, যা অফিসিয়াল কাজ এবং ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ারের জন্য খুবই উপযোগী।

৩. অনলাইন সংরক্ষণ (Cloud Storage):

  • ই-মেইল সার্ভিস প্রদানকারী সংস্থাগুলো বার্তা এবং ফাইল ক্লাউডে সংরক্ষণ করে, যা ব্যবহারকারীদের ই-মেইল এবং সংযুক্তি যেকোনো সময় যেকোনো ডিভাইস থেকে অ্যাক্সেস করতে দেয়।

৪. স্প্যাম ফিল্টারিং:

  • ই-মেইল পরিষেবায় স্প্যাম ফিল্টার থাকে, যা অবাঞ্ছিত এবং ক্ষতিকর বার্তাগুলিকে ব্লক বা ফিল্টার করতে সাহায্য করে, ফলে ব্যবহারকারীদের ই-মেইল বক্স নিরাপদ থাকে।

৫. সুরক্ষা এবং গোপনীয়তা:

  • ই-মেইল পরিষেবা প্রদানকারীরা বিভিন্ন সুরক্ষা ব্যবস্থা, যেমন এনক্রিপশন এবং মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (MFA), প্রদান করে, যা ব্যবহারকারীদের ই-মেইল অ্যাকাউন্ট এবং ডেটা সুরক্ষিত রাখতে সহায়ক।

ই-মেইল-এর প্রকারভেদ:

১. ওয়েব-বেসড ই-মেইল:

  • ব্যবহারকারীরা ই-মেইল পরিষেবা ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে ব্যবহার করেন। এটি ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে যেকোনো জায়গা থেকে ই-মেইল পাঠাতে এবং পেতে সাহায্য করে। উদাহরণ: Gmail, Yahoo Mail, Outlook

২. ডেস্কটপ ই-মেইল ক্লায়েন্ট:

  • এটি ডেস্কটপ সফটওয়্যার, যা ই-মেইল অ্যাকাউন্ট পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ই-মেইল সার্ভার থেকে বার্তা ডাউনলোড করে ব্যবহারকারীদের ডিভাইসে সংরক্ষণ করে। উদাহরণ: Microsoft Outlook, Mozilla Thunderbird

ই-মেইল ব্যবহারের সুবিধা:

১. দ্রুত এবং সাশ্রয়ী যোগাযোগ:

  • ই-মেইল ব্যবহার করে কম খরচে এবং দ্রুত বিশ্বব্যাপী বার্তা প্রেরণ করা যায়, যা ব্যক্তিগত এবং ব্যবসায়িক যোগাযোগের জন্য কার্যকর।

২. দলগত যোগাযোগ:

  • ই-মেইল ব্যবহার করে গ্রুপ চ্যাট, ডকুমেন্ট শেয়ারিং, এবং কল্যাবোরেটিভ কাজ সহজে পরিচালনা করা যায়। একসঙ্গে একাধিক মানুষকে ই-মেইল পাঠানো এবং গ্রুপ কনভারসেশন চালানো যায়।

৩. ইলেকট্রনিক প্রমাণ:

  • ই-মেইল একটি ডিজিটাল প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কারণ এতে বার্তা, তারিখ, এবং প্রেরকের তথ্য সংরক্ষিত থাকে। এটি অফিসিয়াল কাজ এবং কন্ট্রাক্টের জন্য প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।

৪. বহুমুখী ব্যবহার:

  • ই-মেইল কেবলমাত্র বার্তা পাঠানোর জন্য নয়, এটি বিজ্ঞাপন, নিউজলেটার, গ্রাহক পরিষেবা, এবং ব্যবসায়িক নোটিফিকেশন পাঠানোর জন্যও ব্যবহৃত হয়।

ই-মেইল ব্যবহারের সীমাবদ্ধতা:

১. স্প্যাম এবং ফিশিং:

  • ই-মেইলের মাধ্যমে স্প্যাম এবং ফিশিং বার্তা প্রেরণের ঝুঁকি থাকে, যা ব্যবহারকারীদের তথ্য চুরি এবং ক্ষতির কারণ হতে পারে।

২. সাইজ সীমাবদ্ধতা:

  • ই-মেইল সংযুক্তিতে ফাইলের আকার সীমিত হতে পারে। সাধারণত, বড় আকারের ফাইল পাঠাতে ক্লাউড স্টোরেজ বা ফাইল শেয়ারিং সেবা প্রয়োজন হতে পারে।

৩. গোপনীয়তা হানির ঝুঁকি:

  • ই-মেইলে প্রেরিত তথ্য নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে পারে, যদি যথাযথ এনক্রিপশন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যবহার না করা হয়।

ই-মেইল ব্যবহারের টিপস:

১. পাসওয়ার্ড সুরক্ষা:

  • ই-মেইল অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখতে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত এবং মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (MFA) সক্রিয় করা উচিত।

২. স্প্যাম ফিল্টারিং সক্রিয় করুন:

  • স্প্যাম মেইল থেকে রক্ষা পেতে স্প্যাম ফিল্টার সক্রিয় রাখুন এবং সন্দেহজনক ই-মেইল খুলতে সতর্ক থাকুন।

৩. নিয়মিত ব্যাকআপ নিন:

  • গুরুত্বপূর্ণ ই-মেইল এবং ফাইলগুলির নিয়মিত ব্যাকআপ নিতে হবে, যাতে কোনো প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে ডেটা হারিয়ে গেলে তা পুনরুদ্ধার করা যায়।

৪. প্রফেশনাল এবং সংক্ষেপে বার্তা লিখুন:

  • ই-মেইল লিখতে গেলে প্রফেশনাল এবং সংক্ষেপে বার্তা লিখুন, যাতে প্রাপকের জন্য বার্তা সহজে বোঝা যায়।

সারসংক্ষেপ:

ই-মেইল (E-mail) হলো একটি দ্রুত, সাশ্রয়ী, এবং বহুমুখী ইলেকট্রনিক বার্তা প্রেরণ মাধ্যম, যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে বার্তা এবং ফাইল পাঠাতে ব্যবহার করা হয়। এটি ব্যক্তিগত, অফিসিয়াল, এবং ব্যবসায়িক যোগাযোগের জন্য অত্যন্ত কার্যকর। তবে সুরক্ষা এবং গোপনীয়তা নিশ্চিত করার জন্য সঠিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা গুরুত্বপূর্ণ।

Related Question

View All
1.

ই-মেইল পদ্ধতি চালু করেন কে?

Updated: 4 months ago
  • টিমোথি জন বার্নাস লি
  • রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন
  • স্টিভ জবস
  • জন ভন নিউম্যান
189
2.

ই-মেইল আবিষ্কার করেন

Updated: 3 months ago
  • এ এম পনিয়াটফ
  • রে টমলিনসন
  • অটো বোরেডারার
  • আর্থর উইয়ান
239
4.

Email এর পূর্ণরূপ কোনটি?

Updated: 3 months ago
  • Express mail
  • Electronic Mail
  • Elevated Mail
  • Electric Mail
1.7k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই