Related Question

কোনটি তেজস্ক্রীয় পদার্থ নয়?

লৌহ

ইউরেনিয়াম

প্লটোনিয়াম

নেপচুনিয়াম

Description (বিবরণ) : ভারী মৌলিক পদার্থের নিউক্লিয়াস থেকে স্বাতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নির্গমনের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে। প্রকৃতপক্ষে যেসব মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৮২- এর চেয়ে বেশি তাদেরকে তেজস্ক্রিয় পদার্থ বলা হয়। উপরিউক্ত মৌলগুলোর মধ্যে লৌহের পারমাণবিক সংখ্যা ২৬, মৌলগুলোর মধ্যে লৌহের সংখ্যা, ২৬, অন্যগুলোর ৮২ বা তার বেশি, যার ফলে শুধু লৌহই তেজস্ক্রিয় পদার্থ নয়।

কোন বস্তুটির স্থিতিস্থাপকতা বেশি?

রবার

এলুমিনিয়াম

লৌহ

তামা

Description (বিবরণ) : বাইরে থেকে প্রযুক্ত বল অপসারিত হলে বিকৃত বস্তু যে ধর্মের ফলে তার পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে, তাকে স্থিতিস্থাপকতা বলে এবং উক্ত বস্তুটিকে স্থিতিস্থাপক বস্তু বলে। যেসব বস্তুর ক্ষেত্রে পীড়ন এবং বিকৃতির অনুপাত বেশি অর্থাৎ স্থিতিস্থাপক গুনাঙ্কের মান বেশি সেসব বস্তু বেশি স্থিতিস্থাপক। আর যেসব বস্তুর ক্ষেত্রে পীড়ন এবং বিকৃতির অনুপাত বেশি অর্থাৎ স্থিতিস্থাপক গুণাঙ্কের মান বেশি সেসব বস্তু বেশি স্থিতিস্থাপক। আর যেসব বস্তুর ক্ষেত্রে পীড়ন এবং বিকৃতির অনুপাত কম , অর্থাৎ স্থিতিস্থাপক গুণাঙ্কের মান কম সেসব বস্তু কম স্থিতিস্থাপক। লৌহের ক্ষেত্র অধিক পীড়ন দেয়া সত্ত্বে ও বিকৃতির মান যৎসামান্য হয়। কিন্তু রবার, এলুমিনিয়াম ও তামার ক্ষেত্রে অল্প পীড়ন দিলেই বিকৃতির মান অনেক বেশি হয়। সুতরাং রবার, এলুমিনিয়াম ও তামার ক্ষেত্রে পীড়ন ও বিকৃতির অনুপাত তুলনামুলকভাবে অনেক কম। অতএব, রবার, এলুমিনিয়াম ও তামা অপেক্ষা লৌহ বেশি স্থিতিস্থাপক ।

কোন পদার্থটি চৌম্বক পদার্থ নয়?

কাঁচা লৌহ

ইস্পাত

এলুমিনিয়াম

কোবাল্ট

Description (বিবরণ) : যে পদার্থকে চুম্বক আকর্ষণ করে না তাকে অচৌম্বক পদার্থ বলা হয়। উপরিউক্ত পদার্থগুলোর মধ্যে শুরু এলুমিনিয়ামকেই চুম্বক আকর্ষণ করে না।

যে মসৃণতলে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে তাকে কি বলে?

দর্পণ

লেন্স

প্রিজম

বিম্ব

Description (বিবরণ) : কোনো মসৃণতলে আলো আপতিত হয়ে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী কোনো দিকে চললে ঐ আপতন তলকে বলা হয় দর্পণ। বক্রপৃষ্ঠ স্বচ্ছ মাধ্যমের সাধারণ নাম লেন্স। লেন্সে আলোক রশ্মির প্রতিসরণ একটা বিশেষ রুপ পেয়ে থাকে। সাদা আলো এর ভিতর দিয়ে বেরিয়ে আসার সময় বিভিন্ন রশ্মিতে ভেঙে যায় ও বর্ণালি সৃষ্টি করে এবং বিম্ব হলো আলোর প্রতিফলন/প্রতিসরণ পর রশ্মির একীভূতকরণ বিন্দু বা অবস্থা।

রাডারে যে তড়িৎ চৌম্বক ব্যবহার করা হয় তার নাম কি?

গামা রশ্মি

মাইক্রোওয়েভ

অবলোহিত বিকিরণ

আলোক তরঙ্গ

Description (বিবরণ) : রাডারের মূলনীতি হলো ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পালস ছড়িয়ে দেয়া হয় যেন বস্তু থেকে প্রতিফলিত হয়ে রাডারের গ্রাহক যন্ত্রে আসে। এ জন্য গামা রশ্মি বা মাইক্রোওয়েভ উভয়ের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ক্ষুদ্র হলে ও কম ভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন মাইক্রোওয়েভই ব্যবহার করা হয়। অপরপক্ষে ক্ষমতাসম্পন্ন মাইক্রোওয়েভই ব্যবহার করা হয়। অপরপক্ষে অবলোহিত বিকিরণ ও আলোক তরঙ্গের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশ বড়।

মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কার করে কোন বিজ্ঞানী নোবেল পুরস্কার পান?

হেস

গোল্ডস্টাইন

রাদারফোর্ড

আইনস্টাইন

Description (বিবরণ) : আইনস্টাইন আপেক্ষিক তথ্য ও রাদারফোর্ড আণবিক নিউক্লিয়াসের মতবাদ আবিষ্কার করেন। ভিক্টর ফ্রান্স হেস্ মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য ১৯৩৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার পান। পৃথিবীর সবদিকে মহাশূন্য থেকে ইলেকট্রন ,প্রোটন ও কয়েকটি পরমাণুর নিউক্লিয়াস আলোর বেগের কাছাকাছি বেগে পৃথিবীতে আঘাত হানে, এদেরকে মহাজাগতিক রশ্মি বলে ।