কোনটি ঠিক?

সোজন বাদিয়ার ঘাট (উপন্যাস)

কাঁদো নদী কাঁদো (কাব্য)

বহিপীর(নাটক)

মহাশ্মশান (নাটক)

Description (বিবরণ) :

প্রশ্ন: কোনটি ঠিক?

ব্যাখ্যা: 'সোজন বাদিয়ার ঘাট' (১৯৩৩) হলো জসীমউদ্দীন রচিত কাহিনী কাব্য। 'কাঁদো নদী কাঁদো' (১৯৬৮) ও 'বহিপীর' (১৯৬০) যথাক্রমে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত উপন্যাস ও নাটক । আর 'মহাশ্মশান ' (১৯০৪) হলো কায়কোবাদ রচিত মহাকাব্য-


Related Question

' কার মাথায় হাত বুলিয়েছ' ----এখানে 'মাথা' শব্দের অর্থ ------

স্বভাব নষ্ট করা

স্পর্ধা বাড়া

ফাঁকি দেওয়া

কোনো উপায়ে

Description (বিবরণ) : একই শব্দকে বিভিন্ন বাক্যে বিভিন্ন অর্থে ব্যবহার করা যায়। উপরিউক্ত বাক্যে 'মাথা' শব্দটি আরো কিছু ব্যবহার হলো - অঙ্গবিশেষ -তার মাথার চুল কাল। জ্ঞান -ছাত্রটির অংকে ভালো মাথা আছে। মনের অবস্থা- রাগের মাথায় কোনো কাজ করা ঠিক নয়। দিব্যি দেয়া - মাথা খাও , চিঠি দিতে ভুল করো না। দিব্যি দেয়া - মাথা খাও, চিঠি দিতে ভুল করো না। আস্কারা পাওয়া - ছেলেটি আদর পেয়ে একেবারে মাথায় উঠেছে।

শরৎচন্দ্রের কোন উপন্যাসটি সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল?

পথের দাবী

নিষ্কৃতি

চরিত্রহীন

দত্তা

Description (বিবরণ) : বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় (১৮৭৬-১৯৩৮ খ্রি) রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস ' পথের দাবী' বিপ্লববাদীদের প্রতি রাজনৈতিক উপন্যাস ' পথের দাবী' বিপ্লববাদীদের প্রতি সমর্থনের অভিযোগ ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়। উপন্যাসটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয় । তার রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে- পরিণীতা (১৯১৪), বিরাজ বৌ (১৯১৪) ,বৈকুণ্ঠের উইল (১৯১৬) ,দেবদাস (১৯১৭) চরিত্রহীন (১৯১৭) , শ্রীকান্ত (১ম পর্ব-১৯৩৩) ,দত্তা (১৯১৮) , গৃহদাহ (১৯২০) ,দেনাপাওনা (১৯২৩) ,শেষ প্রশ্ন (১৯৩১) ,বিপ্রদাস (১৯৩৫) নিস্কৃতি ইত্যাদি।

কোন গ্রন্থটির রচয়িতা এস ওয়াজেদ আলী?

আশা-আকাঙ্ক্ষার সমর্থনে

ভবিষ্যতের বাঙালি

উন্নত জীবন

সভ্যতা

Description (বিবরণ) : বিশিষ্ট সাহিত্যিক এস. ওয়াজেদ আলী (১৮৯০-১৯৫১ খ্রি) রচিত 'ভবিষ্যতের বাঙালী' (১৯৪৩) একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ। তার রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে- মুসলিম সংস্কৃতির আদর্শ (প্রবন্ধ), গুলদাস্তা (১৯২৭) ,প্রাচ্য ও প্রতীচ্য (১৯৪৩) ইত্যাদি।

নিত্য মূর্ধন্য-ষ কোন শব্দে বর্তমান?

কষ্ট

উপনিষৎ

কল্যাণীয়েষু

আষাঢ়

Description (বিবরণ) : ব্যাকরণের যে নিয়মানুযায়ী দন্ত্য-স মূর্ধন্য -ষ তে রুপান্তরিত হয়, সে নিয়মসমূহকে ষত্ব বিধান বলে। যেমন - সু +সম=সুষম ,এখানে 'সম' শব্দটি দন্ত্য-স মূর্ধন্য-ষ তে পরিবর্তিত হয়েছে। আবার সংস্কৃত ভাষায় আদিকাল থেকে কিছু শব্দে মূর্ধন্য-ষ চলে আসছে, এসব শব্দের বানানে নিত্য মূর্ধন্য-ষ বর্তমান ।

' ভাষা মানুষের মুখ থেকে কলমের মুখে আসে, উল্টোটা করতে গেলে মুখে শুধু কালি পড়ে,' বলেছেন----

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

কাজী নজরুল ইসলাম

বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়

প্রমথ চৌধুরী

Description (বিবরণ) : বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট সাহিত্যিক প্রমথ চৌধুরী (১৮৬৮-১৯৪৬ খ্রি) কর্তৃক আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পঙক্তি হলো 'সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত।'

' অক্ষির সমীপে' --এর সংক্ষেপণ হলো -----

সমক্ষ

পরোক্ষ

প্রত্যক্ষ

নিরপেক্ষ

Description (বিবরণ) : 'অক্ষির সমীপে' - এর সংক্ষেপণ হলো সমক্ষ। অন্যদিকে, 'অক্ষির সম্মুখে' হলো প্রত্যক্ষ, 'অক্ষির আগোচরে' হলো পরোক্ষ এবং 'পক্ষপাতহীন বা মুখাপেক্ষী নয় এমন' হলো নিরপেক্ষ।

উপসর্গের সঙ্গে প্রত্যয়ের পার্থক্য ----

অব্যয় ও শব্দাংশ

নতুন শব্দ গঠনে

উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যয় থাকে পিছনে

ভিন্ন অর্থ প্রকাশে

Description (বিবরণ) : যেসব অব্যয় শব্দ বা ধাতুর পূর্বে বসে মূল শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটায় ও নতুন শব্দ গঠন করে তাকে উপসর্গ । অন্যদিকে যেসব বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি ধাতু বা শব্দের পরে বসে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে প্রত্যয় বলে। যেমন - কাঁদ্ + অন = কাঁদন এখানে 'অন' প্রত্যয়'। সুতরাং উপরিউক্ত প্রশ্নে (গ) -ই যথার্থ উত্তর।

' তুমি এতক্ষণ কী করেছ?' ---এই বাক্যে 'কী' কোন পদ?

বিশেষণ

অব্যয়

সর্বনাম

ক্রিয়া

Description (বিবরণ) : বিশেষণ হলো যা বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের দোষ, গুণ ইত্যাদি প্রকাশ করে। যেমন- ভালো , ছোট, বড়, পাঁচটি ইত্যাদি। অব্যয় হলো যে পদের কোনো পরিবর্তন নেই। যেমন - এবং, কিংবা ,কিন্তু অথবা ইত্যাদি। সর্বনাম হলো যা বিশেষ্যের পরিবর্তে বসে। যেমন - আমি , তুমি, সে, তাকে আমার ইত্যাদি। ক্রিয়া হলো যে পদ দ্বারা কার্য সম্পন্ন হয় । যেমন - করা, খাওয়া, যাওয়া ইত্যাদি। সুতরাং উপরিউক্ত বাক্যে 'তুমি' ও 'কী' উভয়ই সর্বনাম।

' আকাশে তো আমি রাখিনাই মোর উড়িবার ইতিহাস।' ----এই বাক্যে ' আকাশে' শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তির উদাহরণ?

কর্তৃকারকে সপ্তমী

কর্মকারকে সপ্তমী

অপাদান কারকে তৃতীয়া

অধিকরণ কারকে সপ্তমী

Description (বিবরণ) : যে স্থানে বা যে কালে ক্রিয়া অনুষ্ঠিত হয় তাকে অধিকরণ কারক বলে। যেমন - নদীতে পানি আছে। সুতরাং উপরিউক্ত বাক্যে 'আকাশে' শব্দটি অধিকরণ কারক এবং এখানে 'এ' বিভক্তি থাকায় এটি সপ্তমী বিভক্তি।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য কতজনকে বীর উত্তম উপাধিতে ভূষিত করা হয়?

২৫৭ জন

১৬৩ জন

৪৪ জন

৬৮ জন

Description (বিবরণ) : মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ৪ টি রাষ্ট্রীয় খেতাব প্রদান করা হয় ৬৭৬ জনকে। তার মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন, বীর উত্তম ৬৮ জন ,বীর বিক্রম ১৭৫ জন, বীর প্রতীক ৪২৬ জন।