আবুল ফজলের “রেখাচিত্র” কোন ধরনের রচনা?
-
ক
আত্মজীবননী
-
খ
ভ্রমন কাহিনী
-
গ
উপন্যাস
-
ঘ
কাব্য
১ জুলাই ১৯০৩ খৃস্টাব্দে চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া থানার কেওঁচিয়া গ্রামে প্রবন্ধকার আবুল ফজল জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি পড়াশুনা শেষ করে - প্রথমে স্কুলে শিক্ষকতা করেন, পরে সরকারি কলেজে দীর্ঘদিন বাংলা বিভাগে অধ্যাপনা করেন। এছাড়াও তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং রাষ্ট্রপতির শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। প্রবন্ধকার আবুল ফজলের রচনার মধ্যে প্রথমে সাহিত্যে উপন্যাস লিখে প্রতিষ্ঠা অর্জন করলেও মূলত তিনি একজন চিন্তাশীল প্রবন্ধকার। আবুল ফজলের জীবন পথের যাত্রী, চৌচির মাটির পৃথিবী, আয়েশা, সাহিত্য সংস্কৃতি ও জীবন, সমাজ সাহিত্য রাষ্ট্র, রেখাচিত্র (আত্নজীবনী) , সমকালীন চিন্তা সফরনামা, উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ। আবুল ফজলের রচনা পড়লে সমাজ, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও রাষ্ট্র সম্পর্কে গভীর ও দৃষ্টি সম্পন্ন তথ্যের সন্ধান পাওয়া যায়।

সমাজ ও সমকাল সচেতন প্রাবন্ধিক আবুল ফজল কথাশিল্পী হিসেবে প্রসিদ্ধ। স্বদেশপ্রীতি, অসাম্প্রদায়িক জীবনচেতনা, সত্যনিষ্ঠা, মানবতা ও কল্যাণবোধ ইত্যাদি তাঁর সাহিত্যকর্মের প্রতিপাদ্য বিষয়। রবীন্দ্রনাথের গান পাকিস্তানের আদর্শের পরিপন্থী এই বক্তব্য উপস্থাপন করে পাকিস্তান সরকার ২২ জুন, ১৯৬৭ সালে রেডিও ও টেলিভিশন থেকে রবীন্দ্রসংগীত প্রচার বন্ধের সিদ্ধান্ত নিলে সরকারের সে সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি প্রতিবাদ জ্ঞাপন করেন।
- আবুল ফজল ১ জুলাই, ১৯০৩ সালে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কেঁওচিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি 'ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ' (১৯২৬) এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন এবং ১৯৩০ সালে এর সম্পাদক নিযুক্ত হন।
- 'ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ' এর মুখপত্র 'শিখা'। এটি ১৯২৭ সালে আবুল হোসেনের সম্পাদনায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এ পত্রিকার স্লোগান ছিল- 'জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব'। ১৯৩১ সালে তিনি 'শিখা'র ৫ম সংখ্যা সম্পাদনা করেন। তিনি ছিলেন 'বুদ্ধির মুক্তি' আন্দোলনের অন্যতম কর্ণধার।
- তিনি 'মুক্তবুদ্ধির চিরসজাগ প্রহরী' নামে খ্যাত।
- তিনি 'জাতির বিবেক' বলে স্বীকৃতি লাভ করেন।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (১৯৭৩) এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উপদেষ্টা ছিলেন (১৯৭৫)।
- তিনি উপন্যাসে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬২) ও 'রেখাচিত্র' গ্রন্থের জন্য আদমজী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৬) পান।
- ১৯৭৪ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট উপাধি লাভ করেন।
- তিনি ৪ মে, ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামে মারা যান।
আবুল ফজলের উল্লেখযোগ্য রচনাসমূহঃ
উপন্যাস: ‘রাঙ্গা প্রভাত' (১৯৫৭): এটি প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্সের পাঠ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। ‘চৌচির’ (১৯৩৪), ‘প্রদীপ ও পতঙ্গ' (১৯৪০)।
গল্পগ্রন্থ : ‘মাটির পৃথিবী’ (১৯৪০), ‘মৃতের আত্মহত্যা' (১৯৭৮)।
নাটক : ‘কায়েদে আজম' (১৯৪৬), ‘প্রগতি' (১৯৪৮), ‘স্বয়ম্বরা (১৯৬৬)।
দিনলিপি: ‘রেখাচিত্র' (১৯৬৬), ‘লেখকের রোজনামচা' (১৯৬৯), ‘দুর্দিনের দিনলিপি' (১৯৭২)।
প্ৰবন্ধ: ‘বিচিত্র কথা” (১৯৪০), ‘সাহিত্য ও সংস্কৃতি সাধনা' (১৯৬১), ‘সাহিত্য সংস্কৃতি ও জীবন (১৯৬৫), ‘সমাজ সাহিত্য ও রাষ্ট্র' (১৯৬৮), ‘সমকালীন চিন্তা' (১৯৭০), ‘মানবতন্ত্র’ (১৯৭২), ‘সাহিত্য ও অন্যান্য প্রসঙ্গ' (১৯৭৪), ‘শুভবুদ্ধি’ (১৯৭৪), ‘একুশ মানে মাথা নত না করা' (১৯৭৮), ‘রবীন্দ্র প্রসঙ্গ' (১৯৭৯)।
জীবনী ও স্মৃতিকথা: ‘সাংবাদিক মজিবর রহমান' (১৯৬৭), ‘শেখ মুজিব : তাঁকে যেমন দেখেছি' (১৯৭৮)।
বিখ্যাত গল্প: চোর, বিবর্তন, প্রেম ও মৃত্যু, রহস্যময়ী প্রকৃতি ।
Related Question
View All-
ক
গল্পগ্রন্থ
-
খ
দিনলিপি
-
গ
কাব্যগ্রন্থ
-
ঘ
উপন্যাস
-
ক
টোডারমল
-
খ
বীরবল
-
গ
তানসেন
-
ঘ
আবুল ফজল
-
ক
আবদুল গাফফার চৌধুরী
-
খ
আবুল ফজল
-
গ
মুনীর চৌধুরী
-
ঘ
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
-
ক
আবুল ফজল
-
খ
আবদুল কাদির
-
গ
জাহানারা ইমাম
-
ঘ
মুশতারি শফী
-
ক
টোডরমল
-
খ
বীরবল
-
গ
আবুল ফজল
-
ঘ
তানসেন
-
ক
গোলাম মোস্তফা
-
খ
আবুল ফজল
-
গ
আবুল মনসুর আহমেদ
-
ঘ
বদরুদ্দীন ওমর
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন