আসাদ কবে শহীদ হন?
-
ক
১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি
-
খ
১৯৬৯ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি
-
গ
১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি
-
ঘ
১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
আসাদ শহীদ হন ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি।
আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান (জুন ১০, ১৯৪২ - জানুয়ারি ২০, ১৯৬৯) একজন শহীদ ছাত্রনেতা; তিনি আইয়ুব খানের পতনের দাবীতে মিছিল করার সময় জানুয়ারি ২০, ১৯৬৯ সালে পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
তবে তিনি সর্বসমক্ষে শহীদ আসাদ নামেই অধিক পরিচিত ব্যক্তিত্ব। শহীদ আসাদ হচ্ছেন ১৯৬৯ সালের গণ - আন্দোলনে পথিকৃৎ তৎকালীন পূর্ব - পাকিস্তানের তিন শহীদদের একজন; অন্য দু'জন হচ্ছেন - শহীদ রুস্তম ও শহীদ মতিউর। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য ২০১৮ সালে তিনি স্বাধীনতা পদক পান।
১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান
গণতান্ত্রিক সংগ্রাম পরিষদ (Democratic Action Committee-DAC)। ১৯৬৯ সালের ৮ ই জানুয়ারি অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি ঢাকায় মিলিত হয়ে ৮ দফা কর্মসূচির ভিত্তিতে গণতান্ত্রিক সংগ্রাম পরিষদ (Democratic Action Committee) গঠন করে। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করলে বাংলার বিক্ষুব্ধ জনতাকে সংগঠিত করতে দেশের ৮ টি রাজনৈতিক দল একত্রিত হয়ে ১৯৬৯ সালের। জানুয়ারি DAC গঠন করে।
ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ (Student Action Committee-SAC)
১৯৬৯ সালের জানুয়ারি মাসে আইয়ুব খানের স্বৈরতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের জন্য পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ, পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন ও জাতীয় ফেডারেশনের একাংশ মিলিত হয়ে ৪ জানুয়ারি, ১৯৬৯ সালে SAC গঠিত হয়। ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ তৈরি করে ১১ দফা। এর প্রতি সমর্থন জানান আওয়ামী লীগের নেতারাও। কারণ, ছাত্রলীগের তৎকালীন নেতৃবৃন্দের বিচক্ষণতায় ঐ ১১ দফার মধ্যে ৬ দফাকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
গণ-অভ্যুত্থানের ঘটনাচক্র
- গণ-অভ্যুত্থানে পুলিশী নির্যাতনের প্রতিবাদে DAC, SAC গঠন করে ধর্মঘটের আহবান করা হয় ২০ জানুয়ারি ১৯৬৯। হরতাল পালনকালে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান আসাদ। তাঁর নামানুসারে ঢাকা গেটের নাম হয় আসাদ গেট । ২০ জানুয়ারি শহীদ হওয়ার দিনকেই ‘শহীদ আসাদ দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে। ‘আসাদ গেট’ এর পূর্ব নাম ছিল আইয়ুব খান গেট
- নবকুমার ইন্সটিটিউট এর ছাত্র মতিউর রহমানকে হত্যা করা হয় ২৪ জানুয়ারি, ১৯৬৯ সালে। ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে ২৪ শে জানুয়ারি হরতাল আহ্বান করে । এটি বাংলার ইতিহাসের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে সার্জেন্ট জহুরুল হক মারা যান ১৯৬৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি। তার নামানুসারে ঢাবিতে একটি হল নির্মাণ করা হয় (ঢাবির ইকবাল হলের বর্তমান নাম সার্জেন্ট জহুরুল হক)।
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. শামসুজ্জোহাকে হত্যা করা হয় ১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ খ্রিস্টাব্দে । তার হত্যার বিরুদ্ধে গণআন্দোলন শুরু হলে আইয়ুব খান মামলা প্রত্যাহার করে সবাইকে নিঃশর্ত মুক্তি দান করেন ২২ শে ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে।
- রেসকোর্স ময়দানে গণসংবর্ধনায় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে ছাত্রনেতা তোফায়েল আহমেদ গণ- অভ্যুত্থানের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমানকে "বঙ্গবন্ধু" উপাধিতে ভূষিত করেন ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ খ্রিস্টাব্দে। আইয়ুব খান ২৫ শে মার্চ, ১৯৬৯ সালে পদত্যাগ করে ক্ষমতা হস্তান্তর করে সেনা প্রধান জেনারেল ইয়াহিয়ার কাছে
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক দোয়া অনুষ্ঠানে পূর্ব পাকিস্তানের নাম রাখেন বাংলাদেশ ৫ ডিসেম্বর, ১৯৬৯ খ্রিস্টাব্দে।
Related Question
View All-
ক
১৯৪৮ সালে
-
খ
১৯৫২ সালে
-
গ
১৯৬৯ সালে
-
ঘ
১৯৭১ সালে
-
ক
১৯৪৭
-
খ
১৯৫২
-
গ
১৯৬৯
-
ঘ
১৯৭১
-
ক
১৯৫৪
-
খ
১৯৬২
-
গ
১৯৬৯
-
ঘ
১৯৭০
-
ক
এগার দফা
-
খ
একুশ দফা
-
গ
ছয় দফা
-
ঘ
আঠার দফা
-
ক
এগার দফা
-
খ
একুশ দফা
-
গ
ছয় দফা
-
ঘ
আঠার দফা
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!