ইসিজি করা যায়—

 i. হার্ট অ্যাটাক হয়ে থাকলে 

ii. রক্তনালী ব্লক হলে

 iii. হৃৎপিণ্ডের আকার বড় হয়ে থাকলে

 নিচের কোনটি সঠিক?

Updated: 1 day ago
  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii ও iii
989
ব্যাখ্যাঃ

ইসিজি (ECG) বা ইলেকট্রোকার্ডিওগ্রাম হলো হৃৎপিণ্ডের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ পরিমাপের একটি পরীক্ষা। হৃৎপিণ্ডের পেশিগুলো সংকুচিত ও প্রসারিত হওয়ার সময় যে বৈদ্যুতিক সংকেত তৈরি হয়, ইসিজি মেশিনের মাধ্যমে সেগুলো রেকর্ড করা হয়। এই রেকর্ড থেকে হৃৎপিণ্ডের বিভিন্ন সমস্যা নির্ণয় করা যায়।

  • i. হার্ট অ্যাটাক হয়ে থাকলে: হার্ট অ্যাটাক (মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন) নির্ণয়ের জন্য ইসিজি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। হার্ট অ্যাটাকের সময় হৃৎপিণ্ডের বৈদ্যুতিক সংকেতে নির্দিষ্ট পরিবর্তন দেখা যায়, যা ইসিজিতে ধরা পড়ে।
  • ii. রক্তনালী ব্লক হলে: হৃৎপিণ্ডের রক্তনালী ব্লক হলে হৃৎপিণ্ডে রক্ত ​​প্রবাহ কমে যায়, যা ইসকেমিয়া নামে পরিচিত। ইসিজি সরাসরি রক্তনালী ব্লক দেখতে না পারলেও, রক্তনালী ব্লকের কারণে হৃৎপিণ্ডের কার্যকলাপে যে পরিবর্তন আসে (যেমন, ইসকেমিয়ার লক্ষণ), তা ইসিজিতে ধরা পড়ে। এটি রক্তনালী ব্লকের কারণে সৃষ্ট সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে এবং আরও পরীক্ষার প্রয়োজন আছে কিনা তা বুঝতে সাহায্য করে।
  • iii. হৃৎপিণ্ডের আকার বড় হয়ে থাকলে: হৃৎপিণ্ডের আকার বড় হয়ে গেলে (যেমন, ভেন্ট্রিকুলার হাইপারট্রফি) ইসিজিতে হৃৎপিণ্ডের বৈদ্যুতিক অক্ষ ও তরঙ্গের মাত্রায় পরিবর্তন দেখা যায়। ইসিজি হৃৎপিণ্ডের আকারের পরিবর্তনের একটি প্রাথমিক ধারণা দিতে পারে, যদিও এর জন্য আরও সুনির্দিষ্ট পরীক্ষা (যেমন, ইকোকার্ডিওগ্রাম) প্রয়োজন হতে পারে।

উপরে উল্লিখিত তিনটি অবস্থাতেই ইসিজি পরীক্ষা করা হয় এবং এটি রোগ নির্ণয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই, তিনটি বিবৃতিই সঠিক।

Satt AI
Satt AI
1 week ago

ডায়াবেটিস এক ধরনের বিপাকজনিত রোগ।

আমরা যখন কিছু খাই, এটি গ্লুকোজে পরিণত হয়ে রক্তের মাঝে আসে। প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন নামে এক ধরনের হরমোন নির্গত হয়, যেটি রক্তের এই গ্লুকোজকে শক্তিতে রূপান্তরিত করে। কারো ডায়াবেটিস হলে প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না কিংবা শরীর ইনসুলিনকে ব্যবহার করতে পারে না। যে কারণে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়। মানুষের রক্তে গ্লুকোজের স্বাভাবিক মাত্রা হলো ৪.০-৬.০ mmole \ L কিংবা (৭০-১১০ মি.গ্রা/ডেসি.লি.)। ডায়াবেটিস হলে রক্তে এর পরিমাণ দীর্ঘস্থায়ীভাবে অনেক বেড়ে যায়। ডায়াবেটিস ছোঁয়াচে বা সংক্রামক রোগ নয়। ডায়াবেটিস হৃদযন্ত্রের রক্তপ্রবাহ রোগের ওপর পরোক্ষভাবে প্রভাব বিস্তার করে। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তে শর্করার পরিমাণ বেশি থাকায় এটি দেহের বিভিন্ন অঙ্গের, যেমন হৃৎপিণ্ড, কিডনি, চোখ ইত্যাদির স্বাভাবিক কাজে বাধা সৃষ্টি করে। দেখা গেছে ডায়াবেটিস রোগীদের করোনারি হৃরোগ হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে। এটি হৃৎপিণ্ডকে অচল করে দেয় এবং রোগী স্ট্রোক হয়ে মারা যেতে পারে। এছাড়া দীর্ঘস্থায়ী ডায়াবেটিস রোগে রক্তচাপ বেড়ে যায় এবং এর থেকে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন হয়। উচ্চ রক্তচাপ করোনারি হৃদরোগের পূর্বলক্ষণ। ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে শর্করার মাত্রা দীর্ঘদিন অনিয়ন্ত্রিত থাকলে তাদের করোনারি হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা খুবই বেশি থাকে।

কোন ব্যক্তির ডায়াবেটিস হওয়ার আশঙ্কা বেশি

যে কেউ যেকোনো সময়ে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হতে পারে, তবে চার শ্রেণির মানুষের ডায়াবেটিস বেশি হয়ে থাকে :

১. যাদের বংশে, যেমন: মা-বাবা সম্পর্কিত নিকট আত্মীয়ের ডায়াবেটিস আছে।

২. যাদের ওজন বেশি এবং শরীর মেদবহুল।

৩. যারা ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রমের কোনো কাজ করে না।

৪. দীর্ঘদিন যারা স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ সেবন করে।

ডায়াবেটিস রোগের লক্ষণ

১. ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া, বিশেষ করে রাতে ঘনঘন প্রস্রাব হওয়া। 

২. খুব বেশি পিপাসা লাগা ।

৩. বেশি ক্ষুধা লাগা এবং অতিমাত্রায় শারীরিক দুর্বলতা অনুভব করা।

৪. যথেষ্ট খাওয়া সত্ত্বেও ওজন কমে যাওয়া এবং শীর্ণতা।

৫. সামান্য পরিশ্রমে ক্লান্তি ও দুর্বলতা বোধ করা।

৬. চামড়া শুকিয়ে যাওয়া।

৭. চোখে ঝাপসা দেখা।

৮. শরীরের কোথাও ক্ষতের সৃষ্টি হলে, দেরিতে শুকানো।

ডায়াবেটিস রোগীর পথ্য ডায়াবেটিস রোগকে দমিয়ে রাখতে খাদ্যের ভূমিকা অসামান্য। ডায়াবেটিস রোগের জন্য ওষুধ সেবন করলেও রোগীকে খাদ্য নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। নিয়ন্ত্রিত খাদ্যব্যবস্থা না থাকলে ওষুধ সেবন করেও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। রোগীকে এমন খাদ্যদ্রব্য দিতে হবে, যা তার ন্যূনতম ক্যালরির চাহিদা পূরণ করবে কিন্তু এই খাদ্যের দ্বারা রক্তে ও প্রস্রাবে যাতে শর্করা বেড়ে না যায়।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ

ডায়াবেটিস প্রধানত তিনভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। যথা: খাদ্য নিয়ন্ত্রণ, ওষুধ সেবন এবং জীবন-শৃঙ্খলা ।

(ক) খাদ্য নিয়ন্ত্রণ: মোটা লোকদের ডায়াবেটিস হলে তাদের ওজন স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত খাদ্যদ্রব্য ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খেতে হবে। ডায়াবেটিস রোগীদের একটুও চিনি বা মিষ্টি খাওয়া চলবে না। তাদের এমন খাবার খাওয়া উচিত, যা প্রোটিনসমৃদ্ধ (গাঢ় সবুজ রঙের শাক-সবজি, বরবটি, মাশরুম, বাদাম, ডিম, মাছ, চর্বি ছাড়া মাংস ইত্যাদি) এবং যেখানে শ্বেতসার কম থাকে।

(খ) ওষুধ সেবন: সব ডায়াবেটিস রোগীকেই খাদ্য নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা মেনে চলতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে বয়স্ক রোগীদের এ দুটি নিয়ম যথাযথভাবে পালন করলে রোগ নিয়ন্ত্রণে এসে যায়। কিন্তু ইনসুলিননির্ভর রোগীদের ক্ষেত্রে ইনসুলিন ইনজেকশনের দরকার হয়।

(গ) জীবন শৃঙ্খলা: শৃঙ্খলা ডায়াবেটিস রোগীর জীবন-কাঠি। তাকে এসব বিষয়ে বিশেষ নজর দিতে হবে:

১. নিয়মিত ও পরিমাণমতো সুষম খাবার খেতে হবে।

২. নিয়মিত ও পরিমাণমতো ব্যায়াম করতে হবে।

৩. নিয়মিত রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ পরিমাপ করে এবং ফলাফল পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

৪. মিষ্টি খাওয়া সম্পূর্ণ ছেড়ে দিতে হবে।

Related Question

View All
  • হাইপার টেনশন
  • হার্ট ব্লক
  • হার্ট ফেইলিউর
  • প্যারালাইসিস
23
Updated: 1 month ago
  • কিডনি
  • যকৃত
  • অগ্ন্যাশয়
  • হৃৎপিও
35
  • থ্যালাসেমিয়া
  • ডায়াবেটিস
  • জন্ডিস
  • হার্ট অ্যাটাক
32
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই