একটি দিক পরিবর্তী তড়িৎ প্রবাহের সমীকরণ I = 14 sin314t হলে তড়িৎ প্রবাহের কম্পাঙ্ক কত?

Updated: 2 months ago
  • 14 Hz
  • 50 Hz
  • 100 Hz
  • 314 Hz
56
ব্যাখ্যাঃ

দিক পরিবর্তী তড়িৎ প্রবাহের (Alternating Current - AC) আদর্শ সমীকরণটি হলো:

\[ I = I_0 \sin(\omega t + \phi) \]

যেখানে,

        
  • \(I\) হলো তাৎক্ষণিক তড়িৎ প্রবাহ (Instantaneous Current)।
  •     
  • \(I_0\) হলো সর্বোচ্চ তড়িৎ প্রবাহ বা প্রবাহের বিস্তার (Peak Current or Amplitude)।
  •     
  • \(\omega\) হলো কৌণিক কম্পাঙ্ক (Angular Frequency)।
  •     
  • \(t\) হলো সময় (Time)।
  •     
  • \(\phi\) হলো দশা কোণ (Phase Angle), যা এই সমস্যার জন্য শূন্য ধরা যায়।

প্রশ্নপত্রে প্রদত্ত তড়িৎ প্রবাহের সমীকরণটি হলো:

\[ I = 14 \sin(314t) \]

এই সমীকরণটিকে আদর্শ সমীকরণের সাথে তুলনা করে আমরা পাই:

\(I_0 = 14\) অ্যাম্পিয়ার (এটি সর্বোচ্চ তড়িৎ প্রবাহের মান)

\(\omega = 314\) রেডিয়ান/সেকেন্ড (এটি কৌণিক কম্পাঙ্কের মান)

আমরা জানি, কৌণিক কম্পাঙ্ক (\(\omega\)) এবং রৈখিক কম্পাঙ্ক (\(f\)) এর মধ্যে সম্পর্কটি হলো:

\[ \omega = 2\pi f \]

এই সম্পর্ক থেকে আমরা কম্পাঙ্ক (\(f\)) নির্ণয় করতে পারি:

\[ f = \frac{\omega}{2\pi} \]

এখানে, \(\pi\) এর আনুমানিক মান হলো \(3.14159\)। সাধারণত, গাণিতিক হিসাব সহজ করার জন্য \(\pi \approx 3.14\) ব্যবহার করা হয়।

মান বসিয়ে পাই:

\[ f = \frac{314}{2 \times 3.14} \]

\[ f = \frac{314}{6.28} \]

\[ f = 50 \text{ Hz} \]

সুতরাং, তড়িৎ প্রবাহের কম্পাঙ্ক হলো 50 Hz। এটি বাংলাদেশের পাওয়ার গ্রিডে ব্যবহৃত আদর্শ AC কম্পাঙ্ক।

অন্যান্য বিকল্প ভুল হওয়ার কারণ:

        
  • 14 Hz: এটি সমীকরণে তড়িৎ প্রবাহের সর্বোচ্চ মান (\(I_0\)) নির্দেশ করে, কম্পাঙ্ক নয়।
  •     
  • 100 Hz: এটি ভুল গণনা বা ভুল সূত্র প্রয়োগের ফল।
  •     
  • 314 Hz: এটি কৌণিক কম্পাঙ্কের (\(\omega\)) মান, যার একক রেডিয়ান/সেকেন্ড। রৈখিক কম্পাঙ্ক (\(f\)) এর একক হার্টজ (Hz)। কৌণিক কম্পাঙ্ক এবং রৈখিক কম্পাঙ্ক দুটি ভিন্ন ভৌত রাশি।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago

তড়িৎ পরিবাহিতা (Electric Conductance)

তড়িৎ পরিবাহী ধর্মের উপর ভিত্তি করে পদার্থসমূহ ৩ প্রকার। যথা:

১) পরিবাহক (Conductor)

২) অন্তরক (Insulator)

৩) অর্ধপরিবাহী (Semiconductor)

পরিবাহক (Conductor)

যেসব বস্তুর ভিতর তড়িৎ আধান সহজে চলাচল করতে পারে, তাদের বলা হয় পরিবাহক। সকল ধাতু, মানবদেহ, আর্দ্র বায়ু, পানি, মাটি প্রভৃতি বিদ্যুৎ পরিবহন করে। গ্রাফাইট অধাতু হলেও তড়িৎ পরিবাহী। রূপা সর্বোত্তম তড়িৎ পরিবাহক। আর্দ্র বায়ু বা মেঘযুক্ত তড়িৎ পরিবাহী বলে এর মধ্যে দিয়ে বিমান চালনা করা ঝুঁকিপূর্ণ।

অন্তরক বা অপরিবাহক (Insulator)

যেসব বস্তুর ভিতর দিয়ে তড়িৎ আধান চলাচল করতে বা পরিবাহিত হতে পারে না তাদের বলা হয় অন্তরক। অধাতু, প্লাস্টিক, কাঠ, কাঁচ, রাবার, চীনামাটি, রেশম, শুষ্ক বাতাস প্রভৃতি অন্তরক পদার্থ।

অর্ধপরিবাহী (Semiconductor)

যেসব পদার্থের তড়িৎ পরিবাহীতা পরিবাহী পদার্থের চেয়ে অনেক কম, কিন্তু অন্তরক পদার্থের চেয়ে অনেক বেশী, তাদের অর্ধপরিবাহী, (Semiconductor) বলে। যেমন: সিলিকন (Silicon), জার্মেনিয়াম (Germenium) ক্যাডমিয়াম সালফাইড, গ্যালিয়াম আর্সেনাইড প্রভৃতি।

বিদ্যুৎ চমকানো এবং বজ্রপাত (Shining Power & Lightning)

বাতাসে রয়েছে পানির কণা, ধূলিকণা এবং বিভিন্ন রকম গ্যাসের কণা। এইসব কণার মধ্যে ঘর্ষণের ফলে উৎপন্ন হয় স্থির বিদ্যুৎ অর্থাৎ কণাগুলো চার্জিত হয়। এরূপ কোটি কোটি চার্জিত পানি কণা মিলে সৃষ্টি হয় মেঘ। এই মেঘ ধনাত্মক বা ঋণাত্মক চার্জে চার্জিত হতে পারে। ধনাত্মক চার্জযুক্ত মেঘ এবং ঋণাত্মক চার্জযুক্ত মেঘের মধ্যে আকর্ষণের ফলে পরস্পরের সাথে প্রবল বেগে ঘর্ষণ হয় এবং এই সাথে তাপ, আলো এবং শব্দের সৃষ্টি হয়। আলোর বেগ শব্দের বেগের চাইতে বহুগুণ বেশি বলে আমরা আলো আগে দেখি এবং শব্দ পরে শুনি। এই আলোর ঝমকানিকে বিদ্যুৎ চমকানো বলে। অনেক সময় তীব্র চার্জযুক্ত মেঘ পৃথিবীর কাছাকাছি চলে আসে। তখন বিদ্যুৎক্ষরণ ঘটে বায়ুমণ্ডলকে ভেদ করে মেঘ এবং মাটির মধ্যে। একে বলা হয় বজ্রপাত। বজ্রপাতের সময় যে শব্দ শোনা যায়, তাকে বলে বজ্রনাদ। মাটির উপর যে জিনিস যত উঁচু সেই জিনিস মেঘের তত কাছাকাছি থাকে। তাই বজ্রপাত সাধারণত হয় উঁচু দালান বা গাছের মাথায়। এমনকি মাঠের মধ্যে দাড়িয়ে থাকা কোনো মানুষের মাথায়ও বজ্রপাত হতে পারে। ঝড়বৃষ্টির সময় তাই গাছের নিচে বা খোলা স্থানে দাড়িয়ে থাকা নিরাপদ নয়। বজ্রপাতের সময় থাকা উচিত গুহার ভিতর বা মাটিতে শুয়ে।

বজ্রপাত থেকে বাঁচার কয়েকটি উপায় হলো:

১. দালান বা পাকা ভবনের নিচে আশ্রয় নেওয়া।

২. উঁচু গাছপালা ও বিদ্যুতের লাইন বা খুঁটি থেকে দূরে থাকা।

৩. বজ্রপাতের সময় গাড়ীর ভিতরে থাকলে সম্ভব হলে গাড়ীটিকে কোনো কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নেওয়া। গাড়ীর ধাতব বস্তু স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন; এমনকি গাড়ীর কাঁচেও হাত দিবেন না।

৪. বজ্রপাতের সময় খোলা ও উঁচু জায়গা হতে সাবধান। ধানক্ষেত বা বড় মাঠে থাকলে তাড়াতাড়ি নিচু হয়ে যাওয়া উচিত।

Related Question

View All
Updated: 3 months ago
  • ভোল্ট
  • অ্যাম্পিয়ার
  • ওহম
  • কুলম্ব
131
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই